শেয়ারFacebookWhatsApp

তার শাসনকাল ভারতের অন্যান্য শাসকদের জন্য কী ধরনের আদর্শ তৈরি করেছিল?

উত্তর: তার শাসনকাল তথা শেরশাহের শাসনকাল ভারতের অন্যান্য শাসকদের জন্য জনকল্যাণ ও সুশাসনের আদর্শ স্থাপন করে করেছিল। শেরশাহ একজন প্রজাহিতৈষী শাসক ছিলেন। তিনি মাত্র ৫ বছর শাসন করলেও ইতিহাসে তার শাসনকাল স্মরণীয় হয়ে আছে। শেরশাহ রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে সাম্রাজ্যের ভূমিকে আবাদি ও অনাবাদি এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। আবাদি ভূমিকে আবার উত্তম, মধ্যম ও নিম্ন এ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ তিন শ্রেণির ভূমির উৎপাদনের তারতম্য থাকায় তিন ধরনের রাজস্ব ধার্য করা হয়। যাতে কৃষকেরা ফসল দিয়ে অথবা নগদ অর্থ দিয়ে ধার্যকৃত রাজস্ব দিতে পারে। শেরশাহ রাজস্বব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কবুলিয়ত ও পাট্টা ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। কৃষকদের মধ্যে ধার্যকৃত আবাদি জমিতে অধিকার স্বীকার করে সরকার কৃষকদের পাট্টা দিত। আবার সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তগুলো মনে চলার জন্য কৃষকেরা সরকারকে কবুলিয়ত দিত। শেরশাহ একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকও ছিলেন। তার বিচারালয়ে আইনের চোখে সকলেই সমান ছিল। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জনহিতকর কার্যাবলির জন্য শেরশাহ বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি অসংখ্য মসজিদ, মাদরাসা, স্থাপন করেছিলেন। ছাত্রদের শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছিলেন। যাতায়াতের সুবিধার জন্য তিনি সোনারগাঁও থেকে সিন্ধু নদ পর্যন্ত গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড নির্মাণ করেন। শরশাহ কেন্দ্রীয় প্রশাসনের উৎস হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। প্রশাসনকে সুষ্ঠুরূপে বিন্যস্ত করার জন্য এবং তা সম্পূর্ণরূপে স্বীয় নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ৪টি দপ্তর চালু করেন। মন্ত্রী পর্যায়ের একজন উচ্চ রাজকর্মচারী এসব দপ্তর তদারক করতেন। তিনি তার রাজ্যকে ৪৭টি সরকারে বিভক্ত করেন। প্রত্যেকটি সরকারকে আবার কয়েকটি 'পরগনায়' ভাগ করেন। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শেরশাহের শাসনব্যবস্থা ও জনহিতকর শাসন ভারতের অন্যান্য শাসকদের আদর্শ তৈরি করে।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন · সৃজনশীল

তার শাসনকাল ভারতের অন্যান্য শাসকদের জন্য কী ধরনের আদর্শ তৈরি করেছিল?

উদ্দীপক

সম্রাট 'মুসা খান' তার সাহসী উত্থান এবং কৌশলগত মেধার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি 'সুলতানীয় রাজবংশ' প্রতিষ্ঠা করেন এবং শাসনামলে সামরিক ও প্রশাসনিক দক্ষতায় বিশাল ক্ষমতা অর্জন করেন। মুসা খান তার শাসনকালে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সংস্কারের কাজ শুরু করেন। তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, অবদান ছিল ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক নির্মাণ। ভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি কৃষক এবং রাজস্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছিলেন, যা তার সাম্রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলে। এছাড়া, মুসা খান সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নেরও মনোযোগ দেন, যা সাম্রাজ্যের ভেতরে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজতর করে তোলে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে উৎসাহিত করে।

উত্তর

হুমায়ুন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান।

উত্তর

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সম্রাট আকবরের সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। হিমু উত্তর ভারতে হিন্দু আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য দিল্লি ও আগ্রা অধিকার করে বিক্রমাদিত্য উপাধি ধারণ করে নিজেকে স্বাধীন রাজা বলে ঘোষণা করেন। হিমুকে প্রতিরোধ করার জন্য আকবর ও বৈরাম খান ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ৫ নভেম্বর পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধের মোকাবিলা করেন। যুদ্ধে হিমু নিহত হন এবং আকবর বিজয়ী হলেন।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত বিজয়ী শাসকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের শেরশাহের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তার উত্থান ছিল খুবই চমকপ্রদ ও রোমাঞ্চকর। শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল ফরিদ। শেরশাহ ছিল উপাধি। এর অর্থ বাঘের রাজা। তার বাবার নাম হাসান এবং পিতামহের (দাদার) নাম ছিল ইব্রাহিম। ধারণা করা হয় ১৪৭২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন। শেরশাহের গোত্রের নাম ছিল শূর। এজন্য শেরশাহ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশকে শূরবংশ বলে অভিহিত করা হয়। বিমাতা ও পিতার অনাদর ও লাঞ্ছনার কারণে ১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ২২ বছর বয়সে পিতৃগৃহ ত্যাগ করে জৌনপুরে যান। শেরশাহের পিতা হাসান তাকে সাসারাম ও খাওয়াসপুর পরগনার 'দায়িত্বভার অর্পণ করেন। কিন্তু কিছুদিন পর ১৫২২ খ্রিষ্টাব্দে বিহারে গিয়ে বাহার খান লোহানীর অধীনে চাকরি গ্রহণ করেন এবং তার সুনজরে আসেন। এ থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের উত্থান শুরু হয়। ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জুন চৌসায় অনুষ্ঠিত যুদ্ধে হুমায়ূন পরাজিত হন এবং একজন মাঝির সহায়তায় প্রাণে বেঁচে আগ্রায় পৌঁছান। চৌসার যুদ্ধে জয়লাভ করে শেরখান 'শেরশাহ' উপাধি ধারণ করে রাজকীয় মর্যাদায় নিজেকে ভূষিত করেন। তার নিজ নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রাঙ্কনের নির্দেশ জারি করা হয়। ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মে কনৌজের অদূরে বিলগ্রামে উভয়ের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধে হুমায়ুনের ভাগ্য ফেরাবার শেষ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তিনি শোচনীয় ও চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। শেরশাহ কনৌজ, দিল্লি ও আগ্রা অধিকার করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন। এভাবে ভারতে মুঘল শাসনের সাময়িক সমাপ্তি ঘটে এবং ভারতবর্ষের সার্বভৌমত্ব আবারও আফগানদের হাতে চলে যায়।

উত্তর

তার শাসনকাল তথা শেরশাহের শাসনকাল ভারতের অন্যান্য শাসকদের জন্য জনকল্যাণ ও সুশাসনের আদর্শ স্থাপন করে করেছিল। শেরশাহ একজন প্রজাহিতৈষী শাসক ছিলেন। তিনি মাত্র ৫ বছর শাসন করলেও ইতিহাসে তার শাসনকাল স্মরণীয় হয়ে আছে। শেরশাহ রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে সাম্রাজ্যের ভূমিকে আবাদি ও অনাবাদি এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। আবাদি ভূমিকে আবার উত্তম, মধ্যম ও নিম্ন এ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ তিন শ্রেণির ভূমির উৎপাদনের তারতম্য থাকায় তিন ধরনের রাজস্ব ধার্য করা হয়। যাতে কৃষকেরা ফসল দিয়ে অথবা নগদ অর্থ দিয়ে ধার্যকৃত রাজস্ব দিতে পারে। শেরশাহ রাজস্বব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কবুলিয়ত ও পাট্টা ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। কৃষকদের মধ্যে ধার্যকৃত আবাদি জমিতে অধিকার স্বীকার করে সরকার কৃষকদের পাট্টা দিত। আবার সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তগুলো মনে চলার জন্য কৃষকেরা সরকারকে কবুলিয়ত দিত। শেরশাহ একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকও ছিলেন। তার বিচারালয়ে আইনের চোখে সকলেই সমান ছিল। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জনহিতকর কার্যাবলির জন্য শেরশাহ বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি অসংখ্য মসজিদ, মাদরাসা, স্থাপন করেছিলেন। ছাত্রদের শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছিলেন। যাতায়াতের সুবিধার জন্য তিনি সোনারগাঁও থেকে সিন্ধু নদ পর্যন্ত গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড নির্মাণ করেন। শরশাহ কেন্দ্রীয় প্রশাসনের উৎস হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। প্রশাসনকে সুষ্ঠুরূপে বিন্যস্ত করার জন্য এবং তা সম্পূর্ণরূপে স্বীয় নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ৪টি দপ্তর চালু করেন। মন্ত্রী পর্যায়ের একজন উচ্চ রাজকর্মচারী এসব দপ্তর তদারক করতেন। তিনি তার রাজ্যকে ৪৭টি সরকারে বিভক্ত করেন। প্রত্যেকটি সরকারকে আবার কয়েকটি 'পরগনায়' ভাগ করেন। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শেরশাহের শাসনব্যবস্থা ও জনহিতকর শাসন ভারতের অন্যান্য শাসকদের আদর্শ তৈরি করে।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরেউদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকাউদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘলরাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাআইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

তার শাসনকাল ভারতের অন্যান্য শাসকদের জন্য কী ধরনের আদর্শ তৈরি করেছিল? | Prosthuti