শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল রাজবংশের পতনের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উক্ত সম্রাট তথা আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল বংশের পতনের অন্যতম কারণ। মন্তব্যটি যথার্থ। দাক্ষিণাত্য সম্রাট আওরঙ্গজেবের দেহের ও সাম্রাজ্যের সমাধিভূমি ছিল।' পাশাপাশি মুঘল সম্রাজ্যের পতনের কারণ; ছিল। আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য জয় সম্পর্কে স্যার যদুনাথ সরকার বলেন, আপাতদৃষ্টিতে সকল কিছু লাভ করলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই হারালেন। এ সময় হতেই তার পতনের সূচনা হয়। তার জীবনের মর্মান্তিক এবং অত্যন্ত নৈরাশ্যজনক অধ্যায়ের সূত্রপাত ঘটে। দাক্ষিণাত্য বিজয়ের মাধ্যমে ১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট কাবুল হতে চট্টগ্রাম এবং কাশ্মীর হতে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত বিশাল ও বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নরপতির মর্যাদা লাভ করেন। এতদসত্ত্বেও আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল সাম্রাজ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দাক্ষিণাত্য জয়ের ফলে সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে কেন্দ্রীয় শাসন্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হওয়ার ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনীতিতেও সংকট দেখা দেয়। উত্তর ভারতে সম্রাটের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে সেখানে সম্রাটের প্রভাব হ্রাস পায়। ফলে আফগান, শিখ, জাঠ, মেওয়াটি ও রাজপুতরা চারদিকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। এভাবে সম্রাটের জীবীতাবস্থায় মুঘল সাম্রাজ্যের বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয় এবং এ অবস্থার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ক্ষমতা সম্রাটের ছিল না। দাক্ষিণাত্য নীতির ব্যর্থতার ফলে দুশ্চিন্তায় সম্রাটের মন ও শরীর ভেঙে পড়ে এবং ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মার্চ আওরঙ্গজেব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অতএব, দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল শাসনামলের পতনের অন্যতম কারণ।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবে…

উদ্দীপক

সিকান্দর সাহেব শাসনক্ষমতা লাভের পর তার সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে চরম বিদ্রোহ দেখা দেয়। এ বিদ্রোহ দমনে তিনি কতিপয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রথমেই তিনি বিদ্রোহ দমনে উল্লিখিত অঞ্চলের জন্য একটি 'বিশেষ নীতি' প্রবর্তন করেন। অধিক অর্থ বরাদ্দ, সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনী মোতায়েন, যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ ও স্বয়ং যুদ্ধে নেতৃত্বে প্রদান প্রভৃতি পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি উক্ত বিদ্রোহ দমনে আংশিক সাফল্য লাভ করেন।

উত্তর

১৮৫৮ সালে মুঘল শাসনামলের অবসান ঘটে।

উত্তর

শিবাজী ছিলেন মারাঠা নেতা ও মারাঠা সাম্রাজের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি শিবাজী ভোসলে বা ছত্রপতি শিবাজী নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি আদিল শাহি সালতানাতের সাথে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং মুসলদের, বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে হেরে যান। তার প্রতিষ্ঠিত মারাঠা রাজ্যের রাজধানী ছিল রায়গড়। তার পিতার নাম ছিল শাহাজী ও মাতার নাম ছিল জিজাবাই। শিবাজী ১৬৮০ সালে মারা যান।

উত্তর

সাম্রাট আওরঙ্গজেব ক্ষমতা গ্রহণ করে দাক্ষিণাত্য বিজয়ের জন্য বিশেষ নীতি গ্রহণ করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, সিকান্দর সাহেব শাসনক্ষমতা লাভের পর তার সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে চরম বিদ্রোহ দেখা দেয়। এ বিদ্রোহ দমনে তিনি কতিপয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রথমেই তিনি বিদ্রোহ দমনে উল্লিখিত অঞ্চলের জন্য একটি 'বিশেষ নীতি' প্রবর্তন করেন। অধিক অর্থ বরাদ্দ, সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনী মোতায়েন, যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ ও স্বয়ং যুদ্ধে নেতৃত্বে প্রদান প্রভৃতি পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি উক্ত বিদ্রোহ দমনে আংশিক সাফল্য লাভ করেন। যা সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। দক্ষিণাত্য নীতি সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বের একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। উত্তর ভারতের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করে আওরঙ্গজেব দক্ষিণ ভারতের দিকে নজর দেন। ১৬৮১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তার জীবনের শেষ পর্যন্ত দাক্ষিণাত্যের মারাঠা দমনের প্রচেষ্টা এবং বিজাপুর ও গোলকুন্ডা অধিকার করেই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান। তার সময় ভারতীয় মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি এত বেশি হয়েছিল যে, এ বিশাল সাম্রাজ্যকে সুষ্ঠুভাবে শাসন করা সম্ভব ছিল না। আর দাক্ষিণাত্য বিজয়ের মধ্য দিয়ে যে বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রতিষ্ঠিত হয় তা পরিচালনা ও সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। উপরন্তু এর ফলে কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। অতএব, উদ্দীপকের সাথে আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতির মিল পাওয়া যায়।

উত্তর

উক্ত সম্রাট তথা আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল বংশের পতনের অন্যতম কারণ। মন্তব্যটি যথার্থ। দাক্ষিণাত্য সম্রাট আওরঙ্গজেবের দেহের ও সাম্রাজ্যের সমাধিভূমি ছিল।' পাশাপাশি মুঘল সম্রাজ্যের পতনের কারণ; ছিল। আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য জয় সম্পর্কে স্যার যদুনাথ সরকার বলেন, আপাতদৃষ্টিতে সকল কিছু লাভ করলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই হারালেন। এ সময় হতেই তার পতনের সূচনা হয়। তার জীবনের মর্মান্তিক এবং অত্যন্ত নৈরাশ্যজনক অধ্যায়ের সূত্রপাত ঘটে। দাক্ষিণাত্য বিজয়ের মাধ্যমে ১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট কাবুল হতে চট্টগ্রাম এবং কাশ্মীর হতে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত বিশাল ও বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নরপতির মর্যাদা লাভ করেন। এতদসত্ত্বেও আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল সাম্রাজ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দাক্ষিণাত্য জয়ের ফলে সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে কেন্দ্রীয় শাসন্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হওয়ার ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনীতিতেও সংকট দেখা দেয়। উত্তর ভারতে সম্রাটের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে সেখানে সম্রাটের প্রভাব হ্রাস পায়। ফলে আফগান, শিখ, জাঠ, মেওয়াটি ও রাজপুতরা চারদিকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। এভাবে সম্রাটের জীবীতাবস্থায় মুঘল সাম্রাজ্যের বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয় এবং এ অবস্থার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ক্ষমতা সম্রাটের ছিল না। দাক্ষিণাত্য নীতির ব্যর্থতার ফলে দুশ্চিন্তায় সম্রাটের মন ও শরীর ভেঙে পড়ে এবং ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মার্চ আওরঙ্গজেব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অতএব, দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল শাসনামলের পতনের অন্যতম কারণ।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরেউদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকাউদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘলরাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাআইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।