শেয়ারFacebookWhatsApp

পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্ত শাসকের নতুন এ ধর্মমতের শর্তাবলি নিরূপণ কর।

উত্তর: সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি ছিল ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হয়ে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ ও পরমত সহিষ্ণুতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটি ছিল একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম। দ্বীন-ই-ইলাহির কিছু মূলনীতি ছিল। যথা- ১. দ্বীন-ই-ইলাহির কালেমা-ছিল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আকবার খালিফাতুল্লাহ। অনুসারীদেরকে এ কালেমা পাঠ করতে হতো; ২. দ্বীন-ই-ইলাহির অনুসারীদেরকে পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে একজনকে 'আল্লাহু আকবর' বলে সম্ভাষণ করতে হতো এবং অন্যজনকে 'জাল্লাজালালাহু' বলে উত্তর দিতে হতো; ৩. আগুনকে পবিত্র বলে সম্মান করা হতো; ৪. এর অনুসারীদের অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হতো; ৫. মাংস খাওয়াসহ যথাসম্ভব আমিষ গ্রহণ করতে বিরত থাকতে হতো। ঐতিহাসিক মোল্লা আবদুল কারের বাদউনী একে 'তৌহিদ-ই-ইলাহি' বা ঐশী একেশ্বরবাদ বলে আখ্যায়িত করছেন। জেসুইট লেখক বারটুলির মতে, সব ধর্মের সার নিয়ে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমত গঠিত হয়েছিল। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, 'দ্বীন-ই-ইলাহি' একটি উদার সর্বেশ্বরবাদী ধর্ম, সকল ধর্মের ভালো ও উৎকৃষ্ট নীতিগুলো এতে সমন্বিত ছিল। আকবরের প্রবর্তিত 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমতে কোনো নবি বা দেব-দেবীর অস্তিত্ব ছিল না। প্রতি রোববার সম্রাট নির্দিষ্ট আসনে বসে আগ্রহীদের দীক্ষা দিতেন। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট আকবরের ধর্মনীতির শর্তাবলি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন · সৃজনশীল

পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্ত শাসকের নতুন এ ধর্মমতের শর্তাবলি নিরূপণ কর।

উদ্দীপক

সম্রাট শাহ জালাল তার বংশের স্থায়িত্ব ও সকল মানুষের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন একটি ধর্মমতের প্রচলন করেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে উক্ত ধর্মমত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে উক্ত ধর্মমতের বিলুপ্তি ঘটে। তথাপি তাকে তার বংশের মহান শাসক বলে অভিহিত করা হয়।

উত্তর

গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড শেরশাহ নির্মাণ করেন।

উত্তর

আকবরের সামরিক সংস্কারের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল মনসবদার ব্যবস্থা প্রবর্তন। আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সময় সমস্ত সাম্রাজ্য কতকগুলো জায়গিরে বিভক্ত ছিল। জায়গিরদারগণ অকর্মণ্য, অদক্ষ এবং অপেশাদার যোদ্ধা রাখতেন। এর ফলে সৈন্যবাহিনীর অবস্থা সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছায়। আকবর এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য মনসবদারি প্রথা চালু করেন। এ প্রথার মাধ্যমে তিনি ব্যক্তির পদমর্যাদা ও বেতন নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ঐ ব্যক্তি তার পদমর্যাদা অনুযায়ী সামরিক সাহায্য প্রদানে বাধ্য থাকতেন। এ প্রথার ২৭ অথবা ৩৩টি স্তর ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মুঘল শাসক সম্রাট আকবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্দীপকের সম্রাট শাহ জালাল তার বংশের স্থায়িত্ব ও সকল মানুষের মধ্যে ঐক্য স্থাপনের যেমন একটি ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে একই, পতাকাতলে আনতে চেয়েছিলেন তদ্রুপ মুঘল সম্রাট আকবরও 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক নতুন ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে এক ধর্মের ছায়ায় আনতে চেয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবর পারিপার্শ্বিক প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। সম্রাট আকবর সর্বপ্রথম রাষ্ট্রনীতিকে ইসলাম তথা উলেমাদের প্রভাবমুক্ত করে হিন্দু-মুসলমান মিলনের ভিত্তিতে ভারতীয় জাতীয়তা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন। মুঘল সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন, সকল ধর্ম মিলে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা এবং ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতবাসীকে একটি ধর্মীয় ছাতার নিচে সমাবেশ করা। ধর্মে ধর্মে পারস্পরিক বিদ্বেষ, হানাহানি এবং বিপরীত চিন্তা আকবরকে ব্যথিত করে তোলে। তিনি এ থেকে উত্তরণের জন্য সব. ধর্মকে একসূত্রে গাঁথার উপায় খুঁজতে থাকে। এ লক্ষ্যে ধর্মক্ষেত্রে উলেমাদের একাধিপত্য খর্ব করার জন্য সম্রাট ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে একটি ডিক্রি জারি করেন। সম্রাট আকবর 'দ্বীন-ই-ইলাহি' প্রবর্তন করলেও তিনি এ ধর্মমত গ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করেননি। ঐতিহাসিক আবুল ফজলের মতে, ধর্মের অনুসারী ছিল মাত্র ১৮ জন। তাই আকবরের মৃত্যুর সাথে সাথে এ ধর্মমত বিলুপ্ত হয়। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট শাহ জালালের সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের ধর্মমৃত প্রবর্তনের মিল পাওয়া যায়।

উত্তর

সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি ছিল ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হয়ে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ ও পরমত সহিষ্ণুতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটি ছিল একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম। দ্বীন-ই-ইলাহির কিছু মূলনীতি ছিল। যথা- ১. দ্বীন-ই-ইলাহির কালেমা-ছিল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আকবার খালিফাতুল্লাহ। অনুসারীদেরকে এ কালেমা পাঠ করতে হতো; ২. দ্বীন-ই-ইলাহির অনুসারীদেরকে পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে একজনকে 'আল্লাহু আকবর' বলে সম্ভাষণ করতে হতো এবং অন্যজনকে 'জাল্লাজালালাহু' বলে উত্তর দিতে হতো; ৩. আগুনকে পবিত্র বলে সম্মান করা হতো; ৪. এর অনুসারীদের অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হতো; ৫. মাংস খাওয়াসহ যথাসম্ভব আমিষ গ্রহণ করতে বিরত থাকতে হতো। ঐতিহাসিক মোল্লা আবদুল কারের বাদউনী একে 'তৌহিদ-ই-ইলাহি' বা ঐশী একেশ্বরবাদ বলে আখ্যায়িত করছেন। জেসুইট লেখক বারটুলির মতে, সব ধর্মের সার নিয়ে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমত গঠিত হয়েছিল। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, 'দ্বীন-ই-ইলাহি' একটি উদার সর্বেশ্বরবাদী ধর্ম, সকল ধর্মের ভালো ও উৎকৃষ্ট নীতিগুলো এতে সমন্বিত ছিল। আকবরের প্রবর্তিত 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমতে কোনো নবি বা দেব-দেবীর অস্তিত্ব ছিল না। প্রতি রোববার সম্রাট নির্দিষ্ট আসনে বসে আগ্রহীদের দীক্ষা দিতেন। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট আকবরের ধর্মনীতির শর্তাবলি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরেউদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকাউদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘলরাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাআইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।