শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আহমদ শাহর মতো মুহাম্মদ ঘুরীও বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকের আহমদ শাহের মতো মুহাম্মদ ঘুরীও বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন। মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। নিচে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তা মূল্যায়ণ করা হলো- মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হয়েও নতুন উদ্যমে দ্বিতীয়বার ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে ভারত অভিযান করে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে রাজা পৃথ্বিরাজকে পরাজিত করে ভারতবর্ষে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তরাইনের যুদ্ধ ছিল ভাগ্যনির্ধারণী যুদ্ধ। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "He conquered the country and aimed at permanent settlement."১৭ অর্থাৎ, (মুহাম্মদ ঘুরী) বিজিত অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হিন্দু সামরিক নেতাদের হত্যা করেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার পর মুসলিম বাহিনী একে একে বিভিন্ন অঞ্চল দখল করেন। তারা হানসি, খুরাম, সামান, আজমির দখল করেন। কুতুবউদ্দিনের নেতৃত্বে ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দ মিরাট, দিল্লি, কোইল (বর্তমান আলীগড়) মুসলমানদের দখলে আসে। কুতুবউদ্দিন দিল্লিতে রাজধানী স্থাপন করেন। ১১৯৪ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ ঘুরী চান্দেয়ার যুদ্ধে কনৌজের রাজা জয়চন্দ্রকে পরাজিত করেন। একটি তীর জয়চন্দ্রের চোখে লাগে। এ আঘাতে তিনি মারা যান। অশনি (Asni) দুর্গে রক্ষিত জয়চন্দ্রের ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী নিজে হস্তগত করেন। এরপর তিনি বেনারস দখল করেন। ভি. ডি. মহাজনের বর্ণনামতে, ১৪,০০০ উট ভর্তি ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী অর্জন করেন। ১১৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বদাউন, গুজরাট, মালব এবং ১২০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে কালিঞ্জর মুসলমানদের দখলে আসে। এভাবে ভারতের একটি বৃহৎ অংশ মুসলমানদের দখলে আসে। মুহাম্মদ ঘুরী ভারতবর্ষ শাসন পরিচালনার জন্য কুতুবউদ্দিন আইবেকের ওপর দায়িত্ব দিয়ে গজনিতে ফিরে যান। যার ফলে ভারতের রাজনৈতিক দিগন্তে আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়। এভাবে ভারতে বিজয়ী হয়ে মুহাম্মদ ঘুরী তার সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেকের নিকট ভারতের শাসনভার অর্পণ করে স্বীয় রাজধানী গজনিতে ফিরে যান।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 1 : ভারতের মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 1 : ভারতের মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আহমদ শাহর মতো মুহাম্মদ ঘুরীও বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্য…

উদ্দীপক

আহমদ শাহ ১৭৪৮ খ্রিষ্টাব্দে সিরহিন্দ আক্রমণ করেন। কিন্তু সিরহিন্দের শাসক মইন-উল-মূলক মানপুরের প্রথম যুদ্ধে তাকে পরাজিত করেন। আহমদ শাহ ১৭৪৯ খ্রিষ্টাব্দে শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে ২য় যুদ্ধে সিরহিন্দের শাসনকর্তাকে পরাজিত করেন। আহমদ শাহ বিজয়ী অঞ্চলে তার সেনাপতিকে দায়িত্ব প্রদান করে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন।

উত্তর

মুহাম্মদ ঘুরীর প্রকৃত নাম মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-সাম।

উত্তর

ভ্রাতৃদ্বয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিতে আলাউদ্দিন গজনি দখল করে ৭ দিন ৭ রাত ধ্বংসযজ্ঞ চালান এজন্য তাকে জাহানসুজ বলা হয়। জাহানসুজ অর্থ পৃথিবী ধ্বংসকারী। ঘুর নেতা আলাউদ্দিন হোসেন ১১৫১ খ্রিষ্টাব্দে গজনি আক্রমণ করেন। কেননা গজনির শাসক তার দুই ভাইকে হত্যা করেছিল। তিনি গজনি দখল করে ভ্রাতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য ৭ দিন ৭ রাত গজনি শহর অগ্নিদগ্ধ করার মাধ্যমে ধ্বংস করেন। যার কারণে তাকে জাহানসুজ বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত মুহাম্মদ ঘুরীর ভারত আক্রমণ এবং তরাইনের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধের মিল রয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- উদ্দীপকের আহমদ শাহ যেমন সিরহিন্দ আক্রমণ করে মানপুরের প্রথম যুদ্ধে ১৭৪৮ খ্রিষ্টাব্দে পরাজিত হন এবং ১৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে মানপুরের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয় লাভ করেন। তেমনি ঘটনা মুহাম্মদ ঘুরীর ক্ষেত্রে দেখা যায় মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিষ্টাব্দে মুলতান, সিন্ধু, গুজরাট ও পাঞ্জাব অধিকার করে দিল্লি দখলের জন্য অগ্রসর হন। এ সংবাদে চৌহান বংশের রাজা পৃথ্বিরাজ উত্তর ভারতের হিন্দু রাজাদের সমন্বয়ে একটি কনফেডারেসি বা ঐক্যজোট গঠন করেন। অতঃপর পৃথ্বিরাজ থানেশ্বরের কাছাকাছি তরাইনের রণক্ষেত্রে সম্মিলিত বাহিনী নিয়ে মুহাম্মদ ঘুরীর মোকাবিলা করেন। এ যুদ্ধ তরাইনের ১ম যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী পরাজিত ও আহত হয়ে পালিয়ে যান। অতঃপর মুহাম্মদ ঘুরী প্রথম যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১ লক্ষ ২০ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে পুনরায় যুদ্ধ যাত্রা করেন। তাকে মোকাবিলা করার জন্য রাজা পৃথ্বিরাজ ১৫০ জন রাজপুত রাজার সমন্বয়ে ৩ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করেন। যার মধ্যে ৩০০ হাতি ও সুসজ্জিত অশ্বারোহী বাহিনী ছিল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও মুহাম্মদ ঘুরীর উন্নত রণকৌশলের কাছে পৃথ্বিরাজের সম্মিলিত বাহিনীর পরাজয় ঘটে। পথিরাজ পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন এবং পরে নিহত হন। এভাবে মুহাম্মদ ঘুরী তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়লাভ করে ভারতে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। যা আহমদ শাহের সিরহিন্দ আক্রমণ ও মানপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকের আহমদ শাহের মতো মুহাম্মদ ঘুরীও বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন। মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। নিচে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তা মূল্যায়ণ করা হলো- মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হয়েও নতুন উদ্যমে দ্বিতীয়বার ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে ভারত অভিযান করে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে রাজা পৃথ্বিরাজকে পরাজিত করে ভারতবর্ষে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তরাইনের যুদ্ধ ছিল ভাগ্যনির্ধারণী যুদ্ধ। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "He conquered the country and aimed at permanent settlement."১৭ অর্থাৎ, (মুহাম্মদ ঘুরী) বিজিত অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হিন্দু সামরিক নেতাদের হত্যা করেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার পর মুসলিম বাহিনী একে একে বিভিন্ন অঞ্চল দখল করেন। তারা হানসি, খুরাম, সামান, আজমির দখল করেন। কুতুবউদ্দিনের নেতৃত্বে ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দ মিরাট, দিল্লি, কোইল (বর্তমান আলীগড়) মুসলমানদের দখলে আসে। কুতুবউদ্দিন দিল্লিতে রাজধানী স্থাপন করেন। ১১৯৪ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ ঘুরী চান্দেয়ার যুদ্ধে কনৌজের রাজা জয়চন্দ্রকে পরাজিত করেন। একটি তীর জয়চন্দ্রের চোখে লাগে। এ আঘাতে তিনি মারা যান। অশনি (Asni) দুর্গে রক্ষিত জয়চন্দ্রের ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী নিজে হস্তগত করেন। এরপর তিনি বেনারস দখল করেন। ভি. ডি. মহাজনের বর্ণনামতে, ১৪,০০০ উট ভর্তি ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী অর্জন করেন। ১১৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বদাউন, গুজরাট, মালব এবং ১২০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে কালিঞ্জর মুসলমানদের দখলে আসে। এভাবে ভারতের একটি বৃহৎ অংশ মুসলমানদের দখলে আসে। মুহাম্মদ ঘুরী ভারতবর্ষ শাসন পরিচালনার জন্য কুতুবউদ্দিন আইবেকের ওপর দায়িত্ব দিয়ে গজনিতে ফিরে যান। যার ফলে ভারতের রাজনৈতিক দিগন্তে আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়। এভাবে ভারতে বিজয়ী হয়ে মুহাম্মদ ঘুরী তার সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেকের নিকট ভারতের শাসনভার অর্পণ করে স্বীয় রাজধানী গজনিতে ফিরে যান।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 1 : ভারতের মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অজয়নগর ও বিজয়নগর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি গ্রাম। শাহাদৎ সাহেব অজয়নগর গ্রামের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অন্যদিকে আমিন সাহেব বিজয়নগরের একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। দুইজনেরই শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী আছে, যারা ছোটখাট বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন আগে শাহাদৎ সাহেবের এলাকা থেকে আমিন সাহেবের লোকজন শস্য ও গবাদি পশু জোর করে নিয়ে যায়। শাহাদৎ সাহেব আমিন সাহেবের কাছে এর বিচার চান। আমিন সাহেব তাতে কর্ণপাত করেননি। এতে শাহাদৎ সাহেব রাগান্বিত হয়ে আমিন সাহেবের এলাকায় হামলা চালায়। আমিন সাহেব তা প্রতিহত করতে গিয়ে পরাজিত হন এবং তিনি নিজেও প্রাণ হারান।

Comilla · 2017

ক
দেবল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
খ
আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দাও।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শস্য ও গবাদি পশু জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সিন্ধু বিজয়ের কোন কারণটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকের ন্যায় উক্ত ঘটনাটি সিন্ধু বিজয়ের একমাত্র কারণ নয়।'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অজয়নগর ও বিজয়নগর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি গ্রাম। শাহাদৎ সাহেব অজয়নগর গ্রামের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অন্যদিকে আমিন সাহেব বিজয়নগরের একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। দুইজনেরই শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী আছে, যারা ছোটখাট বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন আগে শাহাদৎ সাহেবের এলাকা থেকে আমিন সাহেবের লোকজন শস্য ও গবাদি পশু জোর করে নিয়ে যায়। শাহাদৎ সাহেব আমিন সাহেবের কাছে এর বিচার চান। আমিন সাহেব তাতে কর্ণপাত করেননি। এতে শাহাদৎ সাহেব রাগান্বিত হয়ে আমিন সাহেবের এলাকায় হামলা চালায়। আমিন সাহেব তা প্রতিহত করতে গিয়ে পরাজিত হন এবং তিনি নিজেও প্রাণ হারান।

Comilla · 2017

ক
দেবল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
খ
আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দাও।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শস্য ও গবাদি পশু জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সিন্ধু বিজয়ের কোন কারণটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকের ন্যায় উক্ত ঘটনাটি সিন্ধু বিজয়ের একমাত্র কারণ নয়।'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দাও।

আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দেবল বন্দর কোথায় অবস্থিত?

দেবল বন্দর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলির উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2017

ক
আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রাক্কালে সিন্ধু ও মুলতানের রাজা কে ছিলেন?
খ
আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।
গ
প্রদত্ত ছকে উল্লেখিত '?' স্থানে কোন মুসলিম শাসককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
ভারতে স্থায়ীভাবে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় উক্ত শাসকের অবদান রয়েছে- পাঠ্যবইয়ের আলোকে এ কথাটির ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলির উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2017

ক
আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রাক্কালে সিন্ধু ও মুলতানের রাজা কে ছিলেন?
খ
আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।
গ
প্রদত্ত ছকে উল্লেখিত '?' স্থানে কোন মুসলিম শাসককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
ভারতে স্থায়ীভাবে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় উক্ত শাসকের অবদান রয়েছে- পাঠ্যবইয়ের আলোকে এ কথাটির ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রাক্কালে সিন্ধু ও মুলতানের রাজা কে ছিলেন?

আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রাক্কালে সিন্ধু ও মুলতানের রাজা কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান বারবার অন্য একটি দেশে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অবশেষে দেশে ফিরে আসেন। অভিযানে তিনি যে ধন-সম্পদ অর্জন করেন তা শিক্ষা বিস্তার ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাঁর রাজ্যকে একটি সমৃদ্ধিশালী রাজ্যে পরিণত করেন।

Dhaka · 2017

ক
তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
খ
সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে তোমার পঠিত কোন শাসকের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উক্ত শাসক শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন'- এ কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান বারবার অন্য একটি দেশে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অবশেষে দেশে ফিরে আসেন। অভিযানে তিনি যে ধন-সম্পদ অর্জন করেন তা শিক্ষা বিস্তার ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাঁর রাজ্যকে একটি সমৃদ্ধিশালী রাজ্যে পরিণত করেন।

Dhaka · 2017

ক
তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
খ
সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে তোমার পঠিত কোন শাসকের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উক্ত শাসক শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন'- এ কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা করো।

সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'উদ্দীপকের ন্যায় উক্ত ঘটনাটি সিন্ধু বিজয়ের একমাত্র কারণ নয়।'- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত শস্য ও গবাদি পশু জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সিন্ধু বিজয়ের কোআরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দাও।দেবল বন্দর কোথায় অবস্থিত?ভারতে স্থায়ীভাবে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় উক্ত শাসকের অবদান রয়েছে- পাঠ্যবইয়েরপ্রদত্ত ছকে উল্লেখিত '?' স্থানে কোন মুসলিম শাসককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রাক্কালে সিন্ধু ও মুলতানের রাজা কে ছিলেন?'উক্ত শাসক শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন'- এ কথাটি ব্উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে তোমার পঠিত কোন শাসকের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা করো।তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।