শেয়ারFacebookWhatsApp

এ ধরনের একজন শাসক অর্থনৈতিক সংস্কার সাধন করে। জনস্বার্থরক্ষায় বেশ ভূমিকা পালন করেছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের শাসক হলেন ভারতবর্ষের আলাউদ্দিন খলজি। তিনি অর্থনৈতিক সংস্কার সাধন করে জনস্বার্থরক্ষায় বেশ ভূমিকা পালন করেছিলেন- উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। আলাউদ্দিন খলজি তার উদ্ভাবনীশক্তি দিয়ে জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। তন্মধ্যে দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অন্যতম। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানীর বিবরণ মতে, আলাউদ্দিন খলজির অশ্বারোহী সৈন্যের সংখ্যা ৪,৭৫,০০০। এছাড়া পদাতিক ও অন্যান্য বাহিনী তো ছিলই। একজন সাধারণ অশ্বারোহীর সৈন্যকে বার্ষিক ২৩৪ টক্কা বেতন দিতে হতো। ঐতিহাসিক ফিরিশতার মতে, তার প্রায় ৫৪ হাজার কর্মচারীর ভরণ-পোষণের খরচ ছিল বর্ধিত। রাজস্ব ও দেবগিরি অভিযান থেকে প্রাপ্ত অর্থ গণনায় ধরে দেখা যায় যে, তার প্রশাসনের ৫/৬ বছরের খরচ মেটাতে প্রায় 'সকল অর্থ শেষ হয়ে যাবে। আলাউদ্দিন খলজি উত্তর ও দক্ষিণ ভারত বিজয়ের ফলে দিল্লিতে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। এ মুদ্রাস্থীতি কমানোর বোধ থেকে সুলতান অর্থনৈতিক সংস্কার তথা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রজাদের কল্যাণ করাই রাজার বা সুলতানের একান্ত কর্তব্য ছিল। তার এ কর্তব্যবোধ থেকে তিনি বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আলাউদ্দিন খলজি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন, তা কিসের ভিত্তিতে করেছিলেন এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা দেখা যায় না। তবে গিয়াসউদ্দিন বারানী তার 'তারিখ-ই-ফিরোজ শাহী' ও 'ফতোয়া-ই- জাহাঙ্গীর'-তে কিছুটা আলোকপাত করেছেন। তার বর্ণনা মতে, দ্রব্যসামগ্রীর উৎপাদনের ব্যয়ের ভিত্তিতে দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কৃষক বা ব্যবসায়ীদের স্বার্থে সুলতান ঋণের ব্যবস্থা করেন। দ্রব্যমূল্য ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখাই ছিল সুলতানের প্রধান উদ্দেশ্য।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

এ ধরনের একজন শাসক অর্থনৈতিক সংস্কার সাধন করে। জনস্বার্থরক্ষায় বেশ ভ…

উদ্দীপক

বিএসটিআইতে চাকরি করেন জনাব কফিল মোল্লা। তিনি মনে করেন সরকার আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। ভারতবর্ষে একজন শাসক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে সফল হয়েছিলেন। তিনি দিল্লির বদায়ুনের ফটকের সামনে সের-ই-আদল নামে একটি বাজার বসান। এ বাজারে ওষুধপত্র, কাপড়, শুকনো ফল, মাখন, চিনি, বাতি, তেল, সুই, ঘোড়ার গদি সুলভ মূল্যে পাওয়া যেত। তিনি ব্যবসায়ীদের রেজিস্টার পরিচালনা ও দ্রব্যমূল্য এবং দোকানদারদের নিয়ন্ত্রণের নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

উত্তর

দিল্লির মুসলিম রাজ্যে রাজপুত শক্তির চাপ সবসময়ই ছিল।

উত্তর

আলাউদ্দিন খলজি কর্তৃক রাজস্বনীতি সংস্কারের একাধিক কারণ উল্লেখ করা যায়। ঐতিহাসিক ওয়াসফ ও ফিরিশতার মতে, সুলতানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ৪৭৫০০ অশ্বারোহী সৈন্য ছিল। সেনাবাহিনীর এ ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি রাজস্ব ব্যবস্থার পূর্ণ বিন্যাস করেন। খুৎ, মকোদ্দম ও চৌধুরী নামে হিন্দু প্রতিনিধিগণ কৃষকদের নিকট হতে বাড়তি অর্থ আদায় করত। তাদের দুর্নীতিরোধের জন্য সুলতান রাজস্বনীতির সংস্কার করেন

উত্তর

জনাব কফিল মোল্লার, দেওয়া তথ্যে যে শাসকের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের তথ্য ফুটে উঠেছে তিনি হলেন আলাউদ্দিন খলজি। আলাউদ্দিন খলজি সামরিক সংস্কারের লক্ষ্যে আরজ-ই-মামালিক বা সমরমন্ত্রী নামে একটি পদ সৃষ্টি করেন। তার নিয়ন্ত্রণে সুদক্ষ সেনাবাহিনী গড়ে তোলা হয়। তিনি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ সংস্কার এবং নতুন সৈন্য নিয়োগের ব্যবস্থা ফরেন। সেনাবাহিনীকে কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়- ক. জান্দার বাহিনী ছিল সুলতানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী বাহিনী, খ. বিশেষ প্রয়োজনের জন্য গঠিত সেনাবাহিনী ও গ. অশ্বারোহী পদাতিক ও হস্তিবাহিনী। এছাড়া তীরন্দাজ বাহিনী, রসদ সরবরাহকারী ইত্যাদি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাহিনী ছিল। পূর্বে সেনাদের বেতনের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট এলাকা (জায়গির) চাষাবাদের বা কর আদায়ের জন্য দেওয়া হতো। সুলতান জায়গির প্রথা বাতিল করে সেনাদের নগদ অর্থে টক্কায় বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সেনাবাহিনীতে দুর্নীতি বন্ধের জন্য ভুলিয়া ও দাগ প্রথার প্রচলন করা হয়। বেতনভুক্ত সৈন্য বা যুদ্ধের সময় হাজিরা না দিয়ে অশিক্ষিত লোকদের বদলি হিসেবে পাঠাত এবং যুদ্ধের ভালো ঘোড়ার বদলে জমি চাষের ঘোড়া পাঠাত। অনেক সময় তারা একই ঘোড়া একাধিক কর দেখাত। এসব দুর্নীতি বন্ধের জন্য তিনি ঘোড়ার গায়ে দাগ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সেনাদের পদসোপান ছিল এরূপ ১ জন সরখলীর অধীনে ১০ জন অশ্বারোহী সৈন্য। ১ জন সিপাহসালার অধীনে ১০ জন সরখলী। ১ জন আমিরের অধীনে ১০ জন সিপাহসালার। ১ জন মালিকের অধীনে ১০ জন আমির। ১ জন খান উপাধিকারীর অধীনে ১০ জন মালিক ছিল। পদাতিক সৈন্যের সংখ্যা ও পদসোপানের উল্লেখ দেখা যায় না।

উত্তর

উদ্দীপকের শাসক হলেন ভারতবর্ষের আলাউদ্দিন খলজি। তিনি অর্থনৈতিক সংস্কার সাধন করে জনস্বার্থরক্ষায় বেশ ভূমিকা পালন করেছিলেন- উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। আলাউদ্দিন খলজি তার উদ্ভাবনীশক্তি দিয়ে জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। তন্মধ্যে দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অন্যতম। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানীর বিবরণ মতে, আলাউদ্দিন খলজির অশ্বারোহী সৈন্যের সংখ্যা ৪,৭৫,০০০। এছাড়া পদাতিক ও অন্যান্য বাহিনী তো ছিলই। একজন সাধারণ অশ্বারোহীর সৈন্যকে বার্ষিক ২৩৪ টক্কা বেতন দিতে হতো। ঐতিহাসিক ফিরিশতার মতে, তার প্রায় ৫৪ হাজার কর্মচারীর ভরণ-পোষণের খরচ ছিল বর্ধিত। রাজস্ব ও দেবগিরি অভিযান থেকে প্রাপ্ত অর্থ গণনায় ধরে দেখা যায় যে, তার প্রশাসনের ৫/৬ বছরের খরচ মেটাতে প্রায় 'সকল অর্থ শেষ হয়ে যাবে। আলাউদ্দিন খলজি উত্তর ও দক্ষিণ ভারত বিজয়ের ফলে দিল্লিতে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। এ মুদ্রাস্থীতি কমানোর বোধ থেকে সুলতান অর্থনৈতিক সংস্কার তথা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রজাদের কল্যাণ করাই রাজার বা সুলতানের একান্ত কর্তব্য ছিল। তার এ কর্তব্যবোধ থেকে তিনি বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আলাউদ্দিন খলজি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন, তা কিসের ভিত্তিতে করেছিলেন এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা দেখা যায় না। তবে গিয়াসউদ্দিন বারানী তার 'তারিখ-ই-ফিরোজ শাহী' ও 'ফতোয়া-ই- জাহাঙ্গীর'-তে কিছুটা আলোকপাত করেছেন। তার বর্ণনা মতে, দ্রব্যসামগ্রীর উৎপাদনের ব্যয়ের ভিত্তিতে দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কৃষক বা ব্যবসায়ীদের স্বার্থে সুলতান ঋণের ব্যবস্থা করেন। দ্রব্যমূল্য ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখাই ছিল সুলতানের প্রধান উদ্দেশ্য।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতাউদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিলদাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তারমুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।