শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মতো উক্ত সুলতানকেও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী করা যায় কি? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: হ্যাঁ, উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মতো উক্ত সুলতানকেও। অর্থাৎ সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলককেও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী করা যায়। উদ্দীপকের শ্যামল রায় জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি প্রজাদের বকেয়া মাফ করেন এবং আবার ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান খয়রাতের ফলে রাজকোষে ব্যাপক অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়, যা জমিদারকে দুরাবস্থায় ফেলে দেয়। শ্যামল রায়ের মতো দিল্লির সুলতান ফিরোজশাহ তুঘলকও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিলেন। ফিরোজ শাহ তুঘলকের মানবীয় সংস্কার ও উদারনীতির মধ্যে তুঘলক বংশের পতনের বীজ নিহত ছিল। তার কোনো কোনো নীতি ও কার্যাবলি শুধু তুঘলক বংশের নয়, দিল্লি সালতানাতের পতনের জন্যও দায়ী ছিল বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। সমাজের বিদ্রোহ বিশৃঙ্খলা দমনে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তার আরেকটি বড় ভুল ছিল জায়গিরদারি প্রথার পুনঃ প্রবর্তন। এর ফলে অভিজাতবর্গ ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এবং কেন্দ্রীয় শাসনের ক্ষমতা শিথিল হয়ে পড়ে। তিনি সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক চাকরির অধিকার প্রদান করে সাম্রাজ্যের স্থায়িত্বের মূলে কুঠারাঘাত করেন। তার সৃষ্ট ক্রীতদাস বাহিনীর ভরণপোষণে রাজকোষের প্রচুর অর্থ অপচয় হয়। ফলে রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়ে। সুলতান যুদ্ধনীতি পরিহার করায় সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি শাসনকাজে উলামাদের প্রাধান্য দেওয়ায় অসুন্নি মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের রোষানলে পতিত হন। তার সময়ে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান রহিত করার ফলে দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীরা সরকারি অর্থ সম্পদ লুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর এ সকল কর্মকাণ্ড তুঘলক বংশকে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। পরিশেষে বলা যায় যে, ফিরোজ শাহ তুঘলকের শাসননীতি ও কার্যাবলি তুঘলক বংশের পতন এমনকি সালতানাতের পতনের পথকে সুগম করেছিল।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মতো উক্ত সুলতানকেও তার বংশের পতনের জন…

উদ্দীপক

উচ্চাভিলাষী জমিদার প্রবাল রায়ের অত্যাচার ও কঠোর কর আদায় নীতির কারণে সাধারণ প্রজাগণ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বন্ধ করে দেয়, কৃষক কৃষিকাজ ফেলে পালিয়ে যায়। বিদ্রোহ দমন করতে যেয়ে তার মৃত্যু হয়। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে চাচাত ভাই শ্যামল রায় নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জমিদারির দায়িত্ব নেন। তিনি জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি সাধারণ প্রজার বকেয়া কর মাফ করে দেন। আবার ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান খয়রাতের ফলে রাজকোষে প্রচণ্ড অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে জমিদারির দুরবস্থার জন্য তাকে দায়ী করা হয়।

Comilla · 2017

উত্তর

মালিক কাফুর ছিলেন দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খলজির দাক্ষিণাত্য অভিযানের সেনাপতি।

উত্তর

দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল বিত্তশালী কৃষকদের বিদ্রোহ দমন করা। সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কর্তৃক দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধির অন্যতম কারণ ছিল হিন্দু বিদ্রোহ দমন এবং জমিদারদের দর্পচূর্ণ করা। আবার অনেকেই মনে করেন রাজধানী স্থানান্তর, খোরাসান ও কারাচিল অভিযানের ব্যর্থতা এবং প্রতীকী মুদ্রার বিফলতার কারণেই সুলতান দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধি করেন। কর বৃদ্ধির মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে ঐতিহাসিক বারানী বলেন যে, সুলতান দোয়াবে দশ হতে বিশগুণ কর বৃদ্ধি করেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জমিদার শ্যামল রায়ের সাথে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের সাদৃশ্য রয়েছে। দিল্লি সালতানাতের তুঘলক বংশের অন্যতম খ্যাতিমান শাসক ছিলেন ফিরোজ শাহ তুঘলক। অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি সালতানাতের ক্ষমতা গ্রহণে বাধ্য হয়েছিলেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মধ্যে এ শাসকেরই প্রতিফলন ঘটেছে। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, বিদ্রোহ দমন করতে যেয়ে জমিদার প্রবাল রায়ের মৃত্যু হয়। এরপর তার চাচাতো ভাই শ্যামল রায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জমিদারির দায়িত্ব নেন। তিনি জমিদার হওয়ার পর অনেক জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। অনুরূপভাবে তাকির বিদ্রোহ দমন করত গিয়ে সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক মৃত্যুবরণ করেন। মুহাম্মদ বিন তুঘলকের মৃত্যুর পর তার চাচাতো ভাই ফিরোজ শাহ অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমির ও অভিজাতগণের উপর্যুপরি অনুরোধ এবং সাম্রাজ্যের বাস্তব সংকটজনক অবস্থা বিবেচনা করে সালতানাতের ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ক্ষমতা গ্রহণ করেই তিনি প্রজা কল্যাণে মনোনিবেশ করেন। প্রজাকল্যাণমূলক কার্যাবলির জন্য তিনি ইতিহাসে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার সময়ে দরিদ্র, অনাথ ও বিধবাদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হতো, তিনি পূর্ববর্তী সুলতানের দেওয়া ঋণ মওকুফ করে দেন। কৃষি ও বাণিজ্যের উন্নতির জন্য তিনি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের সাথে দিল্লির সুলতান ফিরোজশাহ তুঘলকের মিল রয়েছে।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মতো উক্ত সুলতানকেও। অর্থাৎ সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলককেও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী করা যায়। উদ্দীপকের শ্যামল রায় জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি প্রজাদের বকেয়া মাফ করেন এবং আবার ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান খয়রাতের ফলে রাজকোষে ব্যাপক অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়, যা জমিদারকে দুরাবস্থায় ফেলে দেয়। শ্যামল রায়ের মতো দিল্লির সুলতান ফিরোজশাহ তুঘলকও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিলেন। ফিরোজ শাহ তুঘলকের মানবীয় সংস্কার ও উদারনীতির মধ্যে তুঘলক বংশের পতনের বীজ নিহত ছিল। তার কোনো কোনো নীতি ও কার্যাবলি শুধু তুঘলক বংশের নয়, দিল্লি সালতানাতের পতনের জন্যও দায়ী ছিল বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। সমাজের বিদ্রোহ বিশৃঙ্খলা দমনে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তার আরেকটি বড় ভুল ছিল জায়গিরদারি প্রথার পুনঃ প্রবর্তন। এর ফলে অভিজাতবর্গ ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এবং কেন্দ্রীয় শাসনের ক্ষমতা শিথিল হয়ে পড়ে। তিনি সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক চাকরির অধিকার প্রদান করে সাম্রাজ্যের স্থায়িত্বের মূলে কুঠারাঘাত করেন। তার সৃষ্ট ক্রীতদাস বাহিনীর ভরণপোষণে রাজকোষের প্রচুর অর্থ অপচয় হয়। ফলে রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়ে। সুলতান যুদ্ধনীতি পরিহার করায় সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি শাসনকাজে উলামাদের প্রাধান্য দেওয়ায় অসুন্নি মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের রোষানলে পতিত হন। তার সময়ে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান রহিত করার ফলে দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীরা সরকারি অর্থ সম্পদ লুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর এ সকল কর্মকাণ্ড তুঘলক বংশকে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। পরিশেষে বলা যায় যে, ফিরোজ শাহ তুঘলকের শাসননীতি ও কার্যাবলি তুঘলক বংশের পতন এমনকি সালতানাতের পতনের পথকে সুগম করেছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতাউদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিলদাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তারমুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।