উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন শাসকের কর্মকাণ্ডের চিত্র ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে আমার পঠিত সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের শাসন ব্যবস্থার কঠোর নীতির সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে। দিল্লি সালতানাতের সুদৃঢ়করণে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন ভারতবর্ষ তথা ইসলামের ইতিহাসে এক নব দিগন্তের সূচনা করেন। সামান্য কৃতদাস হিসেবে জীবন শুরু করে যারা স্বীয় মেধা ও দক্ষতাবলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছেন বলবন তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি দিল্লি সালতানাতকে সুদৃঢ় করার নিমিত্তে রক্তপাত ও কঠোর নীতি গ্রহণ করেন। উদ্দীপকেও এ নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আধুনিক জার্মানির প্রতিষ্ঠাতা স্যার অটোভন বিসমার্ক প্রবর্তন করেছিলেন- লৌহ ও রক্তপাত নীতি। মূলত জার্মানিকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করা, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত দূর করে শাসনব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যই তিনি এ নীতির প্রবর্তন করেছিলেন। অনুরূপভাবে গিয়াসউদ্দিন বলবন দিল্লি সালতানাতকে সুদৃঢ়করণ ও স্বীয় ক্ষমতার ভিতকে মজবুত করতে যাবতীয় কঠোর নীতি গ্রহণ করেন। তার এ নীতি 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron Policy) নামে খ্যাত। তিনি সুলতানকে আল্লাহর প্রতিনিধির মর্যাদায় ভূষিত করেন। ফলে তিনি পারসিক আদব-কায়দায় সিজদাহ ও পায়বুচ রীতি প্রবর্তন করেন এবং রাজদরবারের গাম্ভীর্য রক্ষার জন্য সুলতান লঘু চপলতা, হাসিঠাট্টা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করেন। এছাড়া বলবন চল্লিশচক্রের সকল সুযোগ-সুবিধা নিষিদ্ধ করে এবং তাদেরকে কঠোর শাস্তি প্রদানের নীতি গ্রহণ করেন। যদিও বলবন নিজেই চল্লিশ চক্রের একজন সদস্য ছিলেন। এভাবে বলবন দিল্লি সালতানাতকে শক্তিশালীকরণ ও স্বীয় ক্ষমতাকে সুদৃঢ় করার জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে গিয়াসউদ্দিন বলবনের কঠোর নীতিরই প্রতিচ্ছবি বিদ্যমান।
HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল
উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন শাসকের কর্মকাণ্ডের চিত্র ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর