শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত রানি ক্লিওপেট্রার সাথে ভারতবর্ষের দিল্লি সালতানাতের একমাত্র নারী শাসক সুলতানা রাজিয়ার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রানি ক্লিওপেট্রা প্রাচীন মিসরের একমাত্র নারী শাসক ছিলেন, যিনি নিজ যোগ্যতায় ক্ষমতায় আসেন কিন্তু সভাসদদের বিরোধিতার মুখে বেশিদিন টিকতে পারেননি। ইতিহাসের এই চিত্রটি হুবহু দিল্লির শাসক সুলতানা রাজিয়ার জীবনের সাথে মিলে যায়। সুলতান ইলতুৎমিশের সুযোগ্যা কন্যা রাজিয়া নিজ মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতিস্বরূপ ১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে বসা প্রথম ও শেষ মুসলিম নারী শাসক। ক্ষমতায় বসার পর উদ্দীপকের রানির মতোই রাজিয়াকেও তাঁর সভাসদ অর্থাৎ ক্ষমতালোভী তুর্কি আমির-ওমরাহদের (যাঁরা 'চল্লিশ চক্র' বা 'চেহেলগান' নামে পরিচিত) চরম বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়। রাজিয়া অত্যন্ত সাহসিকতা ও সুকৌশলে প্রাথমিক বিদ্রোহগুলো দমন করে প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু তৎকালীন সমাজব্যবস্থার পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং আমিরদের ক্রমাগত ষড়যন্ত্রের কারণে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে ক্ষমতা হারাতে হয় এবং করুণ পরিণতির শিকার হতে হয়।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

প্রাচীন মিসরীয় রাজবংশের ইতিহাসে একমাত্র নারী শাসক ছিলেন রানি ক্লিওপেট্রা। নারী হয়েও নিজ যোগ্যতা ও কৃতিত্ব বলে মিসরীয় শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন। তবে শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রানি রাজ্যের সভাসদদের ব্যাপক বিরোধিতার সম্মুখীন হন। সুকৌশলে সব বিরোধিতা ও বিদ্রোহের নিপাত ঘটালেও নিজ ভাগ্যের কাছে রানিকে হার মানতে হয়। তিনি বেশি দিন শাসনক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেননি। কিন্তু প্রাচীন মিসরীয় রাজবংশের ইতিহাসের পাতায় নিজ ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভাবলে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

উত্তর

সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের প্রকৃত নাম হলো বাহা উদ্দিন।

উত্তর

সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন নিম্নলিখিত কৌশলে অভিজাত তুর্কিদের নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন: ১. "চল্লিশ চক্র" বা "বন্দেগানি-ই-চাহালগানি" ভেঙে দেওয়া: তিনি ইলতুৎমিশের তৈরি এই শক্তিশালী তুর্কি অভিজাত গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতিপক্ষ মনে করতেন। তাই তিনি এই চক্রের সদস্যদের এক এক করে হত্যা, নির্বাসন বা পদচ্যুত করে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব সম্পূর্ণরূপে খর্ব করেন। ২. গোপচর ব্যবস্থা: তিনি একটি শক্তিশালী গুপ্তচর বিভাগ (বারি-দ) প্রতিষ্ঠা করেন। রাষ্ট্রের যেকোনো স্থানে অভিজাতদের ষড়যন্ত্র বা কার্যকলাপের খবর দ্রুত তাঁর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে তিনি অভিজাতদের গতিবিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন। ৩. স্বতন্ত্র রাজকীয় ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা: তিনি "নিয়াবত-ই-খুদাই" (অর্থাৎ, পৃথিবীতে আল্লাহর প্রতিনিধি) এবং "জিল্লে ইলাহি" (অর্থাৎ, ঈশ্বরের ছায়া) উপাধি ধারণ করে প্রমাণ করেন যে তাঁর ক্ষমতা সরাসরি সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। এর মাধ্যমে তিনি অভিজাতদের ওপর নিজের কর্তৃত্বকে প্রশ্নাতীত করে তোলেন। ৪. কঠোর শাস্তি বিধান: তিনি তুর্কি অভিজাতদের অপরাধের জন্য সামান্য দয়া না দেখিয়ে অত্যন্ত কঠোর শাস্তি দিতেন, যা অন্যদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করে এবং তাদের বিদ্রোহের সাহস কমিয়ে দেয়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রানি ক্লিওপেট্রার সাথে ভারতবর্ষের দিল্লি সালতানাতের একমাত্র নারী শাসক সুলতানা রাজিয়ার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রানি ক্লিওপেট্রা প্রাচীন মিসরের একমাত্র নারী শাসক ছিলেন, যিনি নিজ যোগ্যতায় ক্ষমতায় আসেন কিন্তু সভাসদদের বিরোধিতার মুখে বেশিদিন টিকতে পারেননি। ইতিহাসের এই চিত্রটি হুবহু দিল্লির শাসক সুলতানা রাজিয়ার জীবনের সাথে মিলে যায়। সুলতান ইলতুৎমিশের সুযোগ্যা কন্যা রাজিয়া নিজ মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতিস্বরূপ ১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে বসা প্রথম ও শেষ মুসলিম নারী শাসক। ক্ষমতায় বসার পর উদ্দীপকের রানির মতোই রাজিয়াকেও তাঁর সভাসদ অর্থাৎ ক্ষমতালোভী তুর্কি আমির-ওমরাহদের (যাঁরা 'চল্লিশ চক্র' বা 'চেহেলগান' নামে পরিচিত) চরম বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়। রাজিয়া অত্যন্ত সাহসিকতা ও সুকৌশলে প্রাথমিক বিদ্রোহগুলো দমন করে প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু তৎকালীন সমাজব্যবস্থার পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং আমিরদের ক্রমাগত ষড়যন্ত্রের কারণে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে ক্ষমতা হারাতে হয় এবং করুণ পরিণতির শিকার হতে হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মিসরীয় রানি ক্লিওপেট্রার সাথে দিল্লির মামলুক বা দাস বংশের প্রখ্যাত নারী শাসক সুলতানা রাজিয়ার শাসনতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটের সুস্পষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে। "উদ্দীপকের শাসকের মতো সুলতানা রাজিয়াও নিজ ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভাবলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইতিহাসের পাতায়"— উক্তিটি ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ যথার্থ ও যৌক্তিক। সুলতান ইলতুতমিশ তাঁর অযোগ্য পুত্রদের পরিবর্তে নিজ কন্যা রাজিয়াকে দিল্লির উত্তরাধিকারী মনোনীত করে গিয়েছিলেন। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় একজন নারীর সিংহাসনে আরোহণ সে যুগে ছিল এক অভাবনীয় ঘটনা। উদ্দীপকের ক্লিওপেট্রার মতোই রাজিয়া কেবল জন্মসূত্রে নয়, বরং নিজ যোগ্যতা, প্রজ্ঞা ও অসামান্য রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জোরে শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। সিংহাসনে বসে তিনি চিরাচরিত পর্দানশীন প্রথা বাতিল করে পুরুষের মতো পোশাক পরিধান করে দরবার পরিচালনা, বিচারকার্য সম্পাদন এবং হাতির পিঠে চড়ে সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনা করতেন। তাঁর এই স্বাধীনচেতা সাহসী ব্যক্তিত্ব ও প্রশাসনিক দক্ষতা প্রমাণ করে যে তিনি পুরুষ শাসকদের চেয়ে কোনো অংশেই কম ছিলেন না। তবে উদ্দীপকের ক্লিওপেট্রার মতো রাজিয়াকেও সিংহাসনে বসার পর থেকেই চরম বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়। তৎকালীন স্বার্থান্বেষী তুর্কি আমির-ওমরাহ এবং 'বন্দেগান-ই-চিহালগান' বা চল্লিশের চক্র একজন স্বাধীনচেতা নারীর অধীনে কাজ করাকে নিজেদের চরম অপমান বলে মনে করত। তারা পদে পদে রাজিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রচ্ছন্ন বিদ্রোহ শুরু করে। রাজিয়া অত্যন্ত সাহসিকতা ও সুকৌশলের সাথে বিদ্রোহী আমিরদের দমন করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে নিজ ভাগ্যের কাছে হার মানতে হয়। স্বার্থান্বেষী ষড়যন্ত্রকারীদের কূটচালে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি পরাজিত ও নিহত হন। ফলে তাঁর শাসনকাল মাত্র সাড়ে তিন বছরের মতো স্থায়ী হয়েছিল। এত স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতায় থাকলেও একজন নারী হিসেবে সুলতানা রাজিয়া যে অসামান্য সাহস, দৃঢ় মানসিকতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা দেখিয়েছিলেন, তা মধ্যযুগের ভারতবর্ষের ইতিহাসে সত্যিই বিরল। তাঁর শাসনকাল দীর্ঘস্থায়ী না হলেও তাঁর অদম্য সাহস ও স্বাধীন সত্তা তাঁকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাই একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, উদ্দীপকের ক্লিওপেট্রার মতোই সুলতানা রাজিয়াও কেবল তাঁর নিজস্ব ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিভার গুণেই ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতাউদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিলদাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তারমুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।