শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসক ওয়ালিওল্লাহর মুদ্রা সংস্কার ও রাজধানী স্থানান্তরের পশ্চাতে কি কারণ ছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসক ওয়ালিউল্লাহর কর্মকান্ডের সাথে দিল্লীর সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর ও মুদ্রা সংস্কারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপের সাদৃশ্য রয়েছে। সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক সুবিধার্থে এবং দক্ষিণ ভারত শাসনের জন্য দেবগিরিতে (দৌলতাবাদ) রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। অন্যদিকে, তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে রূপার সংকট দেখা দেওয়ায় এবং বাণিজ্যের প্রসারে তিনি তামার প্রতীকী মুদ্রা প্রবর্তন করেন। উদ্দীপকের শাসক ওয়ালিউল্লাহর মতো মুহম্মদ বিন তুঘলকও ছিলেন একজন অত্যন্ত মেধাবী ও উচ্চাভিলাষী শাসক। তিনি মনে করেছিলেন রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করলে মোঙ্গল আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং বিশাল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল থেকে শাসনকার্য পরিচালনা সহজ হবে। মুদ্রা সংস্কারের ক্ষেত্রে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজকোষের ঘাটতি পূরণ করা এবং একটি আধুনিক বিনিময় ব্যবস্থা চালু করা। উদ্দীপকের ওয়ালিউল্লাহর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলো মূলত মুহম্মদ বিন তুঘলকের এই ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক চিন্তাচেতনারই প্রতিফলন।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসক ওয়ালিওল্লাহর মুদ্রা সংস্কার ও রাজধানী স্থানা…

উদ্দীপক

ক্ষমতায় আরোহণ করেই শাসক ওয়ালিউল্লাহ জনগণের কল্যাণে বেশ কিছু উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার ও রাজধানী স্থানান্তর তার মধ্যে অন্যতম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার এসব পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

উত্তর

'আড়াই দিনকা ঝোপড়া' মসজিদ ভারতের আজমিরে নির্মিত হয়।

উত্তর

সুলতানা রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সালতানাতের ইতিহাসে প্রথম নারী শাসক এবং সুলতান ইলতুতমিশের অত্যন্ত যোগ্য ও দূরদর্শী উত্তরাধিকারী। ১২৩৬ সালে ক্ষমতায় আরোহণ করে তিনি অসামান্য প্রশাসনিক দক্ষতা ও রণকৌশল প্রদর্শন করেন। তিনি পর্দার অন্তরাল থেকে বেরিয়ে এসে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতেন এবং রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেন। তবে তৎকালীন রক্ষণশীল তুর্কি অভিজাতদের (চল্লিশ চক্র) ষড়যন্ত্র এবং নারী নেতৃত্বের প্রতি তাদের অনীহার কারণে তার শাসনকাল দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তা সত্ত্বেও মধ্যযুগের ইতিহাসে একজন সাহসী ও স্বাধীনচেতা নারী শাসক হিসেবে তার মূল্যায়ন অনস্বীকার্য।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসক ওয়ালিউল্লাহর কর্মকান্ডের সাথে দিল্লীর সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর ও মুদ্রা সংস্কারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপের সাদৃশ্য রয়েছে। সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক সুবিধার্থে এবং দক্ষিণ ভারত শাসনের জন্য দেবগিরিতে (দৌলতাবাদ) রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। অন্যদিকে, তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে রূপার সংকট দেখা দেওয়ায় এবং বাণিজ্যের প্রসারে তিনি তামার প্রতীকী মুদ্রা প্রবর্তন করেন। উদ্দীপকের শাসক ওয়ালিউল্লাহর মতো মুহম্মদ বিন তুঘলকও ছিলেন একজন অত্যন্ত মেধাবী ও উচ্চাভিলাষী শাসক। তিনি মনে করেছিলেন রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করলে মোঙ্গল আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং বিশাল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল থেকে শাসনকার্য পরিচালনা সহজ হবে। মুদ্রা সংস্কারের ক্ষেত্রে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজকোষের ঘাটতি পূরণ করা এবং একটি আধুনিক বিনিময় ব্যবস্থা চালু করা। উদ্দীপকের ওয়ালিউল্লাহর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলো মূলত মুহম্মদ বিন তুঘলকের এই ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক চিন্তাচেতনারই প্রতিফলন।

উত্তর

উদ্দীপকের ওয়ালিউল্লাহ তথা সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের পরিকল্পনা দুটি (মুদ্রা সংস্কার ও রাজধানী স্থানান্তর) মূলত সঠিক তদারকি, বাস্তবসম্মত প্রয়োগের অভাব এবং জনগণের অসহযোগিতার কারণে ব্যর্থ হয়েছিল। রাজধানী স্থানান্তরের ফলে দিল্লীর সাধারণ মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হয় এবং উত্তর ভারত মোঙ্গল আক্রমণের মুখে অরক্ষিত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, মুদ্রা সংস্কারের ক্ষেত্রে জাল মুদ্রা রোধে কোনো কার্যকর রাজকীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় তা অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। উদ্দীপকে দেখা যায়, ওয়ালিউল্লাহর পরিকল্পনাগুলো তাত্ত্বিকভাবে উন্নত হলেও তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ছিল ত্রুটিপূর্ণ। রাজধানী স্থানান্তরের সময় দিল্লীর আপামর জনতাকে জোরপূর্বক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য করা হয়, যা জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করে। আবার তামার মুদ্রা প্রবর্তনের সময় রাজকীয় সিলমোহর বা কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় ঘরে ঘরে জাল মুদ্রা তৈরি হতে থাকে। এর ফলে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে ধস নামে, যা শেষ পর্যন্ত সুলতানকে তার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে বাধ্য করে। উদ্দীপকের মতো ঐতিহাসিক চরিত্র মুহম্মদ বিন তুঘলকের পরিকল্পনাগুলো ছিল সময়ের চেয়ে অনেক বেশি অগ্রগামী। কিন্তু তিনি বাস্তব পরিস্থিতি এবং জনগণের সক্ষমতা বিবেচনা না করেই এগুলো চাপিয়ে দিয়েছিলেন। রাজধানী স্থানান্তরের ফলে রাজকোষ শূন্য হয়ে যায় এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। অন্যদিকে, মুদ্রা সংস্কারের ব্যর্থতা সুলতানের প্রতি জনগণের আস্থা চিরতরে নষ্ট করে দেয়। পরিশেষে বলা যায়, সঠিক দূরদর্শিতা ও কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভাবেই এই উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপগুলো চরম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতাউদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিলদাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তারমুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।