শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের মাতামহীসুলভ ব্যবস্থা আলোচনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের মাতামহী সুলভব্যবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কোনো এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অপরিহার্য। দিল্লি সালতানাতের সুলতানগণ এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। ফিরোজ শাহ তুঘলক এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ছিলেন। উদ্দীপকের আহমহ মীর্জা ফিরোজ শাহ তুঘলককেই অনুসরণ করেছেন। আহমদ মীর্জা প্রজাদের উপর সকল প্রকার অবৈধ কর (প্রায় ২৩-রকম) বিলোপ করেন এবং জায়গির প্রথার পুনঃপ্রবর্তন করেন। ক্রীতদাসদের মানসম্মত জীবনযাপনের জন্য আলাদা ক্রীতদাস বিভাগ গঠন করেন। দরিদ্র বিবাহযোগ্য কন্যাদের বিবাহ এবং বেকার যুবকদের জন্য ভাত অথবা চাকরির ব্যবস্থা করেন। সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকও অনুরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনদরদি শাসক হিসেবে খ্যাত হয়েছিলেন। প্রজাদের জন্য- তিনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তিনি দুস্থ, দরিদ্র ও অনাথদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে 'দারুস সিফা' নামক একটি বিখ্যাত দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেন। এ হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান ছাড়াও ওষুধ সরবরাহ করা হতো। এছাড়া প্রজাদের কল্যাণের জন্য তিনি বেশ কিছু জনকল্যাণকর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। তিনি দরিদ্র প্রজাদের সাহায্যে ও তাদের কন্যাদের বিবাহদান এবং অনাথ ও বিধবাদের ভরণপোষণের জন্য দেওয়ান-ই-খয়রাত বিভাগ স্থাপন করেন। তিনি বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য চাকরি দপ্তর স্থাপন করেন। তাছাড়াও তিনি প্রজাদের কল্যাণে সরাইখানা এবং নলকূপ স্থাপন করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন। তার এসব জনদরদি কর্মকাণ্ড ইতিহাসে 'মাতামহী সুলভব্যবস্থা' নামে পরিচিত। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিতকরণে ফিরোজ শাহ তুঘলক এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করেছেন।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের মাতামহীসুলভ ব্যবস্থা আলোচনা করো।

উদ্দীপক

একজন প্রজাহিতৈষী শাসক হিসেবে আহমদ মীর্জার সুনাম সর্বজনবিদিত। তিনি প্রজাদের উপর সকল প্রকার অবৈধ কর (প্রায় ২৩-রকম) বিলোপ করেন এবং জায়গীর প্রথার পুনঃপ্রবর্তন করেন। ক্রীতদাসদের মানসম্মত জীবন যাপনের জন্য আলাদা ক্রীতদাস বিভাগ গঠন করেন। দরিদ্র বিবাহযোগ্য কন্যাদের বিবাহ এবং বেকার যুবকদের জন্য ভাতা অথবা চাকুরির ব্যবস্থা করেন।

উত্তর

সোমনাথ মন্দির গুজরাটের কাথিওয়াড়ে অবস্থিত।

উত্তর

মালিক কাফুর ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন খলজির দাক্ষিণাত্য অভিযানের সেনাপতি। সুলতান আলাউদ্দিন খলজি তাকে এক হাজার দিনারের বিনিময়ে ক্রয় করেন বলে তাকে 'আলফি' বা 'হাজার দিনারি' বলা হয়। তিনি ১৩০৬ খ্রিষ্টাব্দে দেবগিরির রাজা রামচন্দ্রকে পরাজয়ের মাধ্যমে দাক্ষিণাত্যে অভিযান শুরু করেন। পরে তিনি বরঙ্গল, দ্বারসমুদ্র, হোয়াসল, পান্ডরাজ্য প্রভৃতি বিজয় করে দাক্ষিণাত্যে সুলতান আলাউদ্দিন খলজির শাসনব্যবস্থা কায়েম করেন।

উত্তর

উদ্দীপকে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের মাতামহী সুলভব্যবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কোনো এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অপরিহার্য। দিল্লি সালতানাতের সুলতানগণ এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। ফিরোজ শাহ তুঘলক এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ছিলেন। উদ্দীপকের আহমহ মীর্জা ফিরোজ শাহ তুঘলককেই অনুসরণ করেছেন। আহমদ মীর্জা প্রজাদের উপর সকল প্রকার অবৈধ কর (প্রায় ২৩-রকম) বিলোপ করেন এবং জায়গির প্রথার পুনঃপ্রবর্তন করেন। ক্রীতদাসদের মানসম্মত জীবনযাপনের জন্য আলাদা ক্রীতদাস বিভাগ গঠন করেন। দরিদ্র বিবাহযোগ্য কন্যাদের বিবাহ এবং বেকার যুবকদের জন্য ভাত অথবা চাকরির ব্যবস্থা করেন। সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকও অনুরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনদরদি শাসক হিসেবে খ্যাত হয়েছিলেন। প্রজাদের জন্য- তিনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তিনি দুস্থ, দরিদ্র ও অনাথদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে 'দারুস সিফা' নামক একটি বিখ্যাত দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেন। এ হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান ছাড়াও ওষুধ সরবরাহ করা হতো। এছাড়া প্রজাদের কল্যাণের জন্য তিনি বেশ কিছু জনকল্যাণকর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। তিনি দরিদ্র প্রজাদের সাহায্যে ও তাদের কন্যাদের বিবাহদান এবং অনাথ ও বিধবাদের ভরণপোষণের জন্য দেওয়ান-ই-খয়রাত বিভাগ স্থাপন করেন। তিনি বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য চাকরি দপ্তর স্থাপন করেন। তাছাড়াও তিনি প্রজাদের কল্যাণে সরাইখানা এবং নলকূপ স্থাপন করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন। তার এসব জনদরদি কর্মকাণ্ড ইতিহাসে 'মাতামহী সুলভব্যবস্থা' নামে পরিচিত। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিতকরণে ফিরোজ শাহ তুঘলক এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করেছেন।

উত্তর

প্রজাকল্যাণকামী হওয়া সত্ত্বেও ফিরোজ শাহ তুঘলকের কর্মকাণ্ড তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিল। ফিরোজ শাহ তুঘলক তার ভাই মুহাম্মদ বিন তুঘলকের মৃত্যুর পর শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও জনকল্যাণকামী শাসক। ক্ষমতায় আরোহণের পর বহুবিধ সংস্কারসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তবে তার কর্মকাণ্ডসমূহ জনকল্যাণের পাশাপাশি তার বংশের পতনকে ত্বরান্বিত করে। তার দাস বিভাগ গঠন, জায়গির প্রথার পুনঃপ্রবর্তন, সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক নিয়োগের ব্যবস্থা এবং রক্তপাত বন্ধের জন্য সমরাভিযান বন্ধ করা প্রভৃতি কর্মকাণ্ড তার বংশের পতনকে তরান্বিত করে। ফিরোজ শাহ তুঘলক রক্তপাত বন্ধের জন্য যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ ঘোষণা করেন। শুধু বিদ্রোহ দমনে সৈন্যবাহিনী পরিচালিত করতে থাকেন এবং সৈন্যবাহিনীতে বংশানুক্রমিক 'নিয়োগ রীতি প্রবর্তন করেন। ফলে সেনাবাহিনীর কর্মদক্ষতা ও শক্তিসামর্থ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে থাকে। এছাড়া জায়গির প্রথার পুনঃপ্রবর্তনের ফলে জায়গির প্রাপ্ত অভিজাতবর্গ নিজ নিজ এলাকায় প্রভাবশালী হয়ে ওঠে এবং তাদের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ে। এ সমস্ত কারণে দিল্লি সালতানাত পতনের দিকে ধাবিত হয়। উপরের আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের কর্মকাণ্ডও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ২: দিল্লি সালতানাত যুগ (১২০৬-১৫২৬ খ্রি.) (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রশীদ স্যার একদিন প্রথম বর্ষের ক্লাসে পাঠদান করার সময় দিল্লি সালতানাতের। তুঘলক বংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সালতানাতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কতকগুলো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। এ মহাপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজধানী স্থানান্তর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মহাপরিকল্পনাগুলো সময় উপযোগী না হওয়ায় জনসাধারণ সেগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে তিনি এমন কতকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হন। যেগুলোর ওপর তিনি আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি। রশিদ স্যার আরও বলেন, সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মহাপরিকল্পনাগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় সামঞ্জস্যের অভাবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
ক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
খ
মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আলী আযম সাহেব সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মগ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে তিনি মানব পাচারের চক্রে পতিত হয়ে ইরানের শাসনকর্তার নিকট বিক্রি হন। পরবর্তীতে তিনি নিজ মেধা, দক্ষতা এবং যোগ্যতা বলে ইরানের শাসনকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করে তার কন্যাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে তার শ্বশুর ইরানের শাসনকর্তা ইন্তেকাল করলে আলী আযম কৌশলে ইরানের শাসক হন। ইরানের শাসক হয়েই তিনি বিদ্রোহীদের কঠোর হস্তে দমন করেন এবং রাজ্যের অরাজকতা দূর করে শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
ক
ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?
খ
দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিল রয়েছে তা বর্ণনা কর।
ঘ
আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতানি আমলের কোন সুলতানের পদক্ষেপগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

দাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সকল যুগেই কৃষি ছিল মানুষের প্রাণ। কৃষির বিকল্প হিসেবে কখনো কিছু সৃষ্টি হয়নি। তাই সুলতান জামাল অনুধাবন করেছিলেন যে কৃষিই মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তার রাজত্বকালে সেচব্যবস্থার অসুবিধা ছিল প্রকট। এজন্য তিনি পূর্ত বিভাগের অধীনে সেচ খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেন। এ শাসককে তার দেশের সেচ ব্যবস্থার জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
ক
তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
খ
মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তার শাসন সংস্কারের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ
ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

মুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি রশীদ স্যারের সর্বশেষ বক্তব্যের সাথে একমত? 8 উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।উদ্দীপকে বর্ণিত তোমার পঠিত কোন শাসকের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর।মুহাম্মদ শাহ সৈয়দ বংশের শাসকদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন কেন? ২সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?আলী আজম তার শাসনামলে রাজ্যের হৃতগৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপগুলোর সাথে সুলতাউদ্দীপকে বর্ণিত আলী আজমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সুলতানি আমলের কোন শাসকের মিলদাসবংশের শাসনামলে চল্লিশচক্রের ভূমিকা কী ছিল?ভারতের তোতা পাখি (Parrot of India) কাকে বলা হয়?ভারতবর্ষে এ ধরনের একজন শাসকের রাজস্ব সংস্কার খুবই প্রশংসনীয়- মতামত দাও।উদ্দীপকের সুলতান জামালের মাঝে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের প্রভাব লক্ষণীয়? তারমুহাম্মদ বিন তুঘলকের প্রতীক তাম্রমুদ্রা প্রচলনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।তুঘ্রিল খান কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।