শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত কর্মসূচির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত কর্মসূচির তথা ছয় দফা কর্মসূচি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একটি অঞ্চল যখন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়, তখন সেই জনগণ মুক্তির উপায় খোঁজে। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা কর্মসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের শোষিত মানুষের জন্য এমনই একটি মুক্তির সনদ, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। তৎকালীন পাকিস্তানে বাঙালিরা শাসন, অর্থনীতি, প্রশাসন, প্রতিরক্ষা-সবখানেই অবহেলিত ও বঞ্চিত ছিল। শেখ মুজিবুর রহমান এই বৈষম্যের অবসান এবং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের লক্ষ্যে ছয় দফা পেশ করেন। এতে বাঙালিরা তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের বাস্তব ভিত্তি পায়। ছয় দফা ছিল পূর্ব বাংলার মানুষের প্রাণের দাবি, যা সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাভ করে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এই দাবিকে দেশবিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে দমননীতি গ্রহণ করে, যার ফলে গণআন্দোলন তীব্র হয়। এই ধারাবাহিকতায় ঘটে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন এবং শেষ পর্যন্ত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। তাই ছয় দফাকে শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং বাঙালির জাতিসত্তার জাগরণ ও স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইলফলক বলা যায়। সার্বিকভাবে বলা যায়, ছয় দফা ছিল বাঙালির আত্মনির্ভরতার ঘোষণাপত্র, যা পাকিস্তানি শাসনের শৃঙ্খল ভাঙার মূল প্রেরণা জুগিয়েছিল।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত কর্মসূচির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

নবদ্বীপ রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন থেকেই রাষ্ট্রটির সরকার একটি অঞ্চলের জনগণের ওপর শোষণ-নির্যাতন চালায়। এরকম পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এই অঞ্চলের একজন জনপ্রিয় নেতা দাবি সংবলিত একটি প্রস্তাব পেশ করেন।

Jessore · 2025

উত্তর

সামরিক বাহিনী যখন আমলাদের সহায়তায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে পশ্চাতে ফেলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তগত করে তখন তাকে সামরিক শাসন বলে।

উত্তর

ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ২১ ফেব্রুয়ারির বিশ্বব্যাপী রূপই হলো' আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির জীবনে একটি অনন্যসাধারণ ঘটনা। মায়ের মুখের ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয় ইতিহাস। ভাষার জন্য এত বড় ত্যাগ বিশ্বে আর কোনো জাতি করেনি। বাংলা ভাষার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে এত লোকের জীবন দেওয়ার ঘটনা আর কোথাও নেই। তাই আমাদের ভাষা দিবসকে জাতিসংঘ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে আমার পঠিত বইয়ের ৬ দফা কর্মসূচির মিল আছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নবদ্বীপ রাষ্ট্রের সরকার একটি অঞ্চলের জনগণের ওপর শোষণ চালায় এবং এ থেকে মুক্তির জন্য একজন জনপ্রিয় নেতা একটি দাবি পেশ করেন। এই ঘটনার সঙ্গে ১৯৬৬ সালের ৬ দফার মিল রয়েছে। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ছিল বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের এক সুস্পষ্ট দাবি, যা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিপীড়নের প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পেশকৃত এই দাবিগুলো পূর্ব বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত প্রতিবাদ এবং স্বাধীনতার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। কারণ পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিদের দ্বারা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ রাজনৈতিকভাবে নিপীড়িত ও অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছিল। উন্নয়ন ব্যয়, প্রতিরক্ষা বরাদ্দ, বৈদেশিক ঋণ-সবক্ষেত্রেই বৈষম্য প্রকট ছিল। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক অসহায়ত্ব ও নিরাপত্তাহীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এমনি প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিব ৬ দফা পেশ করেন, যা ছিল পূর্ব বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মনির্ভরশীলতার পথে প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। সুতরাং উদ্দীপকের প্রস্তাবিত কর্মসূচির সঙ্গে ৬ দফার। বিষয়বস্তুর গভীর মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত কর্মসূচির তথা ছয় দফা কর্মসূচি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একটি অঞ্চল যখন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়, তখন সেই জনগণ মুক্তির উপায় খোঁজে। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা কর্মসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের শোষিত মানুষের জন্য এমনই একটি মুক্তির সনদ, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। তৎকালীন পাকিস্তানে বাঙালিরা শাসন, অর্থনীতি, প্রশাসন, প্রতিরক্ষা-সবখানেই অবহেলিত ও বঞ্চিত ছিল। শেখ মুজিবুর রহমান এই বৈষম্যের অবসান এবং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের লক্ষ্যে ছয় দফা পেশ করেন। এতে বাঙালিরা তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের বাস্তব ভিত্তি পায়। ছয় দফা ছিল পূর্ব বাংলার মানুষের প্রাণের দাবি, যা সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাভ করে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এই দাবিকে দেশবিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে দমননীতি গ্রহণ করে, যার ফলে গণআন্দোলন তীব্র হয়। এই ধারাবাহিকতায় ঘটে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন এবং শেষ পর্যন্ত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। তাই ছয় দফাকে শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং বাঙালির জাতিসত্তার জাগরণ ও স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইলফলক বলা যায়। সার্বিকভাবে বলা যায়, ছয় দফা ছিল বাঙালির আত্মনির্ভরতার ঘোষণাপত্র, যা পাকিস্তানি শাসনের শৃঙ্খল ভাঙার মূল প্রেরণা জুগিয়েছিল।
HSCCivics 2nd PaperChapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?দ্বৈতশাসন কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করনির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।