শেয়ারFacebookWhatsApp

"দক্ষিণ সুদানের চাইতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পটভূমি ব্যাপক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: দক্ষিণ সুদানের চাইতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পটভূমি ব্যাপক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পটভূমি দক্ষিণ সুদানের চাইতে অনেক বিস্তৃত। পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশ যখন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বৈষম্যমূলক আচরণের ফলে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে তখন তারা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথ ছিল দক্ষিণ সুদানের চেয়ে কঠিন ও সংকটপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে সাবেক ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, সাবেক ইপিআর, পুলিশ, আনসার, ছাত্র, যুবক বিভিন্ন সম্প্রদায় থেকে যুদ্ধে যেতে ইচ্ছুক লোকদের দিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে মূলত দুইটি পদ্ধতি অবলম্বন করে মোকাবিলা করে। এগুলো হলো নিম্নরূপ: ১. অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ও যুদ্ধ: ইয়াহিয়ার বর্বর হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের দখলকৃত অঞ্চলসমূহে নির্বিচারে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ প্রভৃতি জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত হয়। বাঙালি যুবক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গ্রামে-গঞ্জে, শহরে গোপনে সংগঠিত হয়ে গেরিলা পদ্ধতিতে পাকবাহিনীকে পর্যুদস্ত করতে থাকে। যৌথ বাহিনীর আক্রমণ ও চূড়ান্ত বিজয়: বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, ২. মুক্তিবাহিনী ও ভারতের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি যৌথ বাহিনী গঠিত হয় এবং তাদের আক্রমণে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। অন্যদিকে দক্ষিণ সুদানের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সুদানের উভয় অংশের মধ্যে বৈষম্যের ফলে জনগণের মধ্যে হিংসা ও অবিশ্বাসের জন্ম হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক শক্তির প্রচেষ্টায় সুদানের উভয় অংশের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয় এবং পরে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে দক্ষিণ সুদানের জনগণ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে রায় দেয়। অবশেষে পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় দক্ষিণ সুদান নামে স্বাধীন একটি রাষ্ট্র। পরিশেষে বলা যায়, দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা অর্জন বাংলাদেশেরও স্বাধীনতা অর্জনের পটভূমি এক নয়। দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে ত্রিশ লক্ষ শহিদের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) · সৃজনশীল

"দক্ষিণ সুদানের চাইতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পটভূমি ব্যাপক"-…

উদ্দীপক

এক সময় সুদান একটি অখণ্ড রাষ্ট্র ছিল। তখন সেখানকার দক্ষিণাঞ্চল থেকে অর্জিত অর্থ উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। ফলে সুদানের উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে হিংসা ও অবিশ্বাসের জন্ম হয়। এই প্রেক্ষিতে দুই অঞ্চলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। অবশেষে দক্ষিণ সুদান নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Jessore · 2017

উত্তর

পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ১৯৫৬ সালে কার্যকর হয়।

উত্তর

যুক্তফ্রন্ট হলো একটি রাজনৈতিক জোট। এটি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়। মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। যথা- i. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, ii. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি, iii. মাওলানা আতাহার আলীর নেজাম-ই-ইসলামি পার্টি এবং iv. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল। তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের অন্যায়, অত্যাচার ও বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণের অবসান ঘটানোই ছিল যুক্তফ্রন্ট গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য।

উত্তর

দক্ষিণ সুদানের সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্যের দিকটির সাদৃশ্য আমি খুঁজে পাই। ১৯৪৭ সালে দুটি অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একটির নাম হয় পশ্চিম পাকিস্তান এবং অন্যটি পূর্ব পাকিস্তান। সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, সামরিক, সাংস্কৃতিকসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকার প্রথম থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক বৈষম্য ছিল সবচেয়ে প্রকট। সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকের হেড অফিস ও স্টেট ব্যাংক পশ্চিম পাকিস্তানে থাকায় অর্থ পাচার হতো অবাধে। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের কোনো মূলধন গড়ে উঠতে পারে নি। পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার দ্বারা পশ্চিম পাকিস্তানে শিল্প- কারখানা স্থাপিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের পাট থেকে মোট বৈদেশিক মুদ্রার তিন ভাগের দুই ভাগ অর্জিত হতো। অথচ পূর্ব পাকিস্তানের এ উৎপাদিত পাটের আয় পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় করা হতো। পশ্চিম পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় পূর্ব পাকিস্তানের দ্বিগুণ ছিল। এভাবে জীবনযাত্রার মান, শিল্পায়ন, আমদানি খাতে ব্যয়, রাজস্ব আয় ও ব্যয়, বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ বণ্টন প্রভৃতি ক্ষেত্রে পাকিস্তানের উভয় অংশের মধ্যে বড় ধরনের আর্থিক বৈষম্য ছিল। উদ্দীপকে সুদানের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, দেশটি একসময় অখন্ড রাষ্ট্র ছিল। সেখানকার দক্ষিণাঞ্চল থেকে অর্জিত অর্থ উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে হিংসা ও অবিশ্বাসের জন্ম নেয়, দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এতে করে দক্ষিণ সুদান নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। উদ্দীপকের এ দক্ষিণ সুদান অভ্যুদয়ের সাথে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির মিল লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশকেও তার স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে অনেক স্বন্দ্বের সম্মুখীন হতে হয়। অবশেষে লাখো শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা অর্জন করে।

উত্তর

দক্ষিণ সুদানের চাইতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পটভূমি ব্যাপক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পটভূমি দক্ষিণ সুদানের চাইতে অনেক বিস্তৃত। পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশ যখন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বৈষম্যমূলক আচরণের ফলে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে তখন তারা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথ ছিল দক্ষিণ সুদানের চেয়ে কঠিন ও সংকটপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে সাবেক ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, সাবেক ইপিআর, পুলিশ, আনসার, ছাত্র, যুবক বিভিন্ন সম্প্রদায় থেকে যুদ্ধে যেতে ইচ্ছুক লোকদের দিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে মূলত দুইটি পদ্ধতি অবলম্বন করে মোকাবিলা করে। এগুলো হলো নিম্নরূপ: ১. অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ও যুদ্ধ: ইয়াহিয়ার বর্বর হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের দখলকৃত অঞ্চলসমূহে নির্বিচারে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ প্রভৃতি জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত হয়। বাঙালি যুবক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গ্রামে-গঞ্জে, শহরে গোপনে সংগঠিত হয়ে গেরিলা পদ্ধতিতে পাকবাহিনীকে পর্যুদস্ত করতে থাকে। যৌথ বাহিনীর আক্রমণ ও চূড়ান্ত বিজয়: বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, ২. মুক্তিবাহিনী ও ভারতের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি যৌথ বাহিনী গঠিত হয় এবং তাদের আক্রমণে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। অন্যদিকে দক্ষিণ সুদানের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সুদানের উভয় অংশের মধ্যে বৈষম্যের ফলে জনগণের মধ্যে হিংসা ও অবিশ্বাসের জন্ম হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক শক্তির প্রচেষ্টায় সুদানের উভয় অংশের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয় এবং পরে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে দক্ষিণ সুদানের জনগণ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে রায় দেয়। অবশেষে পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় দক্ষিণ সুদান নামে স্বাধীন একটি রাষ্ট্র। পরিশেষে বলা যায়, দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা অর্জন বাংলাদেশেরও স্বাধীনতা অর্জনের পটভূমি এক নয়। দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে ত্রিশ লক্ষ শহিদের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?দ্বৈতশাসন কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করনির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।