শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপক সভা, প্রদেশে দ্বৈতশাসন, ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি প্রভৃতি। এ তথ্যগুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মন্টেগু-চেমসফোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী আইনটি প্রণীত হয়েছিল বলে একে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইনও বলা হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য ছিল হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি ব্রিটেনে ভারতীয় ছাত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করতেন। তিনি ৫ বছরের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক নিয়োগ লাভ করতেন। আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় রূপান্তরিত করা হয়। উচ্চকক্ষের নামকরণ করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষের নামকরণ করা হয় 'ব্যবস্থাপক সভা'। এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এ ব্যবস্থা অনুসারে, প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়ে ভাগ করা হয় । আইন-শৃঙ্খলা, অর্থ, রাজস্ব প্রভৃতি বিষয়সমূহ সংরক্ষিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অপরদিকে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্বায়ত্তশাসন প্রভৃতি বিষয়গুলো ছিল হস্তান্তরিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? …

উদ্দীপক

question image

উত্তর

১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়।

উত্তর

ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণয়নের লক্ষ্যে লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের জনগণের সামনে যে পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন তা-ই '৩ জুন পরিকল্পনা' নামে পরিচিত। মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার পর ভারতে 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকার' গঠন করা নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে চরম অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ১৯৪৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা প্রদান করেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে বাস্তবরূপ দেওয়ার জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের নতুন ভাইসরয় নিয়োগ করেন। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতাদের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টির জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালান। ১৯৪৭ সালের ২ জুন নেহেরু, জিন্নাহ ও শিখ নেতা বলদেব সিং এর সাথে ঘরোয়া বৈঠকে মিলিত হয়ে মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তা তিনি ১৯৪৭ সালের ৩ জুন জনগণের সামনে তুলে ধরেন। এটিই '৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা' নামে খ্যাত।

উত্তর

উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপক সভা, প্রদেশে দ্বৈতশাসন, ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি প্রভৃতি। এ তথ্যগুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মন্টেগু-চেমসফোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী আইনটি প্রণীত হয়েছিল বলে একে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইনও বলা হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য ছিল হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি ব্রিটেনে ভারতীয় ছাত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করতেন। তিনি ৫ বছরের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক নিয়োগ লাভ করতেন। আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় রূপান্তরিত করা হয়। উচ্চকক্ষের নামকরণ করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষের নামকরণ করা হয় 'ব্যবস্থাপক সভা'। এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এ ব্যবস্থা অনুসারে, প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়ে ভাগ করা হয় । আইন-শৃঙ্খলা, অর্থ, রাজস্ব প্রভৃতি বিষয়সমূহ সংরক্ষিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অপরদিকে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্বায়ত্তশাসন প্রভৃতি বিষয়গুলো ছিল হস্তান্তরিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনটি ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলে ভারতবাসী উক্ত আইনটি প্রত্যাখ্যান করেছিল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ধাপে ধাপে ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। কেননা এ আইনে গভর্নর জেনারেল ও প্রাদেশিক গভর্নরদের ক্ষমতা ছিল অপ্রতিহত। প্রাদেশিক সরকারের প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে দুটি সংস্থায় বা দুভাগে বিভক্ত করায় সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে প্রহসনে পরিণত হয়৷ যেকোনো দেশে দলব্যবস্থা সংসদীয় ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশর্ত। কিন্তু প্রদেশে দ্বৈতশাসন কার্যকর করার সময় এমন দলব্যবস্থা ছিল না। মন্ত্রীগণ যৌথভাবে নিযুক্ত না হয়ে ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত হন এবং সরকারি সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল থাকতেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বণ্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ প্রভৃতি কারণে ১৯১৯ সালের আইনটি কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। আইনটির মাধ্যমে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হয়নি । তাই এ আইন ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো এ আইনকে অসম্পূর্ণ, অসন্তোষজনক ও নৈরাশ্যজনক বলে ঘোষণা করে এবং প্রত্যাখ্যান করে। পরিশেষে বলা যায়, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনটি ভারতের সাংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলেও কার্যকারিতার দিক দিয়ে ব্যর্থ হয়। তাই ভারতবাসী এ আইনটি প্রত্যাখ্যান করেছিল।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।