উদ্দীপকে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আইনটির সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত কোন আইনের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আইনটির সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের সামঞ্জস্য রয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, শাসকগোষ্ঠী প্রায় ২০০ বছর 'ক' রাষ্ট্র শাসন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে শাসনতান্ত্রিক আইন প্রণয়ন করে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন দ্বারা ঐ রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান ও কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তিত হয়। এ তথ্যগুলো ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ভারতবাসীর রাজনৈতিক চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। সবকিছু মিলে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এরূপ অবস্থায় ১৯৩৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ব্রিটেনের কমন্সসভায় তদানীন্তন ভারত-সচিব স্যার স্যামুয়েল হোর একটি বিল উত্থাপন করেন। শ্রমিক দলের প্রচণ্ড বাধা সত্ত্বেও বিলটি ৪ জুন কমন্সসভায় এবং ২৪ জুলাই লর্ডসভায় গৃহীত হয়। ২ আগস্ট ব্রিটিশ রাজের সম্মতি লাভের পর বিলটি আইনে রূপান্তরিত হয়। এ আইনটি হলো '১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন'। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বপ্রথম একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এ আইনে ব্রিটিশ ভারতীয় প্রদেশ এবং দেশীয় মিত্র রাজ্যগুলো নিয়ে একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এ আইনে প্রদেশে দ্বৈতশাসন রহিত করে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়। এ আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষ থেকে বার্মাকে (বর্তমান মিয়ানমার) পৃথক এবং সিন্ধু ও উড়িষ্যা নামে দুটি নতুন প্রদেশ গঠন করা হয়।
HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আইনটির সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর