শেয়ারFacebookWhatsApp

ভারত বিভক্তিতে উক্ত দল দুটি ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ভারত বিভক্তিতে উক্ত দল দুটি অর্থাৎ সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাথমিক পর্যায়ে জাতীয় কংগ্রেস ছিল একটি মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের সংগঠন এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন উচ্চশিক্ষিত এবং পাশ্চত্য ভাবধারার বুদ্ধিজীবগণ।ফলে এই সময়ে কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে ব্রিটিশ সরকারের কাছে কেন্দ্র ও প্রদেশে ব্যবস্থাপক সভার প্রসার ও সম্প্রসারণ , ভারতীয় কাউন্সিলের বিলোপ, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয়দের অধিকহারে অন্তর্ভুক্তি, শাসন ও বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ ইত্যাদি দাবি জানায়। এছাড়া কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ অর্থনৈতিক সংস্কারের কথাও ব্রিটিশ সরকারের কাছে তুলে ধরেন। অধিকস্ত কংগ্রেসের কার্যক্রম শুধু শাসনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক সংস্কার দাবির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এসবের পাশাপাশি ভারতবাসীর গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকারের বিষয়েও কংগ্রেস ব্রিটিশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এভাবে ধীরে ধীরে কংগ্রেস বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখলেও এক সময় স্বরাজ প্রতিষ্ঠা ও পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। কংগ্রেসের পাশাপাশি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মুসলিম জনগোষ্ঠী মুসলিম লীগের নেতৃত্বে তাদের দাবি আদায় সোচ্চার হয়। ফলস্বরূপ ১৯০৯ সালের মর্ল্টে- মিন্টো সংস্কার আইন সর্বপ্রথম মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে কখনো কখনো মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস যৌথভাবে আন্দোলন করে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগ কয়েকটি প্রদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে সক্ষম হয়। ১৯৩৭ -৪২ সালের মধ্যে কয়েকটি উপনির্বাচনে অভাবিত জয়লাভ করে মুসলিম লীগ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আবার মুসলিম লীগের অধীনে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যে দ্বিজাতি তত্ত্ব তুলে ধরেন তার ভিত্তিতে হাজার ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারতীয় ইউনিয়ন নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

ভারত বিভক্তিতে উক্ত দল দুটি ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ভারতীয়দের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম এ উপমহাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে। এ দলটি একটি সম্প্রদায়ের দাবি-দাওয়া আদায়ের সোচ্চার ভূমিকা রাখলেও অন্য একটি সম্প্রদায়ের লোকজন বঞ্চিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বঞ্চিত সম্প্রদায় তাদের স্বার্থ এবং দাবি -দাওয়া পূরণের উদ্দেশ্যে আরো একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। পরবর্তীতে দল দুটির নেতৃত্বে ভারত বিভক্ত হয়ে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Chittagong · 2023

উত্তর

যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষিমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উত্তর

ব্রিটিশ শাসনের যাঁতাকালে পিষ্ট হয়ে কৃষকরা যখন সর্বস্বান্ত ও দিশেহারা হয়ে পড়ে তখন মীর নিশার আলী ওরফে তিতুমীর কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলেন। তিতুমীরের কৃষক আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল নীলকর ও স্থানীয় সামন্ত রাজা - জমিদারদের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে। ইংরেজ সরকারকে একাধিকবার নীলকর ও জমিদারদের স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগ করলেও তাদের উদাসীনতায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিতুমীর নিজ বাহিনীকে সংঘটিত করেন। ১৮৩১ সালে তিনি দলবলসহ চব্বিশ পরগনার কিয়দাংশ এবং নদিয়া ও ফরিদপুরের কিছু অংশের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংঘটিত প্রায় ৮৩ হাজার কৃষক - সেনাকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন, যা ইতিহাসে তিতুমীরের বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের কথা বলা হয়েছে। সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস উপমহাদেশের প্রথম রাজনৈতিক দল যা ভারতীয়দের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মূলত ব্রিটিশ সরকারের কাছে ভারতীয়দের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম। মূলত রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা থেকেই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্ম হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে ভারতীয় কংগ্রেস ধর্ম, বর্ণ, গোএ নির্বিশেষে সর্ব শ্রেণি পেশার মানুষের সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম শুরু করলেও কালক্রমে কংগ্রেস হিন্দু নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ ও দাবি দাওয়া উপেক্ষিত হয়। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের ফলে হিন্দু সমাজ বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করলেও মুসলমানরা এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানালে তা তীব্র রূপ লাভ করে। এ প্রেক্ষিতে ১৯০৬ সালে কতিপয় মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রচেষ্টায় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি-দাওয়া পেশ করার জন্য সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে মুসলিম লীগের জন্ম হয়। পরবর্তীকালে এ দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে সৃষ্টি হয় দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র ভারত এবং পাকিস্তান। উদ্দীপকেও দেখা যায়, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটির একটি সম্প্রদায়ের দাবি - দাওয়া আদায় সোচ্চার হলেও অন্য সম্প্রদায় বঞ্চিত হয় এবং তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ে বঞ্চিত সম্প্রদায়টি অন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে। পরবর্তীতে ধর্মভিত্তিক দুটি দলের নেতৃত্বে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়, যা সুস্পষ্টতই সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগকে নির্দেশ করে। অতএব বলা যায় উদ্দীপকে সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

ভারত বিভক্তিতে উক্ত দল দুটি অর্থাৎ সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাথমিক পর্যায়ে জাতীয় কংগ্রেস ছিল একটি মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের সংগঠন এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন উচ্চশিক্ষিত এবং পাশ্চত্য ভাবধারার বুদ্ধিজীবগণ।ফলে এই সময়ে কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে ব্রিটিশ সরকারের কাছে কেন্দ্র ও প্রদেশে ব্যবস্থাপক সভার প্রসার ও সম্প্রসারণ , ভারতীয় কাউন্সিলের বিলোপ, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয়দের অধিকহারে অন্তর্ভুক্তি, শাসন ও বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ ইত্যাদি দাবি জানায়। এছাড়া কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ অর্থনৈতিক সংস্কারের কথাও ব্রিটিশ সরকারের কাছে তুলে ধরেন। অধিকস্ত কংগ্রেসের কার্যক্রম শুধু শাসনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক সংস্কার দাবির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এসবের পাশাপাশি ভারতবাসীর গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকারের বিষয়েও কংগ্রেস ব্রিটিশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এভাবে ধীরে ধীরে কংগ্রেস বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখলেও এক সময় স্বরাজ প্রতিষ্ঠা ও পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। কংগ্রেসের পাশাপাশি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মুসলিম জনগোষ্ঠী মুসলিম লীগের নেতৃত্বে তাদের দাবি আদায় সোচ্চার হয়। ফলস্বরূপ ১৯০৯ সালের মর্ল্টে- মিন্টো সংস্কার আইন সর্বপ্রথম মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে কখনো কখনো মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস যৌথভাবে আন্দোলন করে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগ কয়েকটি প্রদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে সক্ষম হয়। ১৯৩৭ -৪২ সালের মধ্যে কয়েকটি উপনির্বাচনে অভাবিত জয়লাভ করে মুসলিম লীগ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আবার মুসলিম লীগের অধীনে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যে দ্বিজাতি তত্ত্ব তুলে ধরেন তার ভিত্তিতে হাজার ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারতীয় ইউনিয়ন নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।