শেয়ারFacebookWhatsApp

ঐ আইনের তাৎপর্য মূল্যায়ন কর।

উত্তর: ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন উপমহাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি ছিল দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন দুটি রাষ্ট্র-ভারত ও পাকিস্তানের অভ্যুদয়ের মূল ভিত্তি। উপমহাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিতে এই আইনের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। উদ্দীপকে উল্লিখিত ৩ জুনের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট যে আইনটি পাস করে, তা ছিল ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন। এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের প্রায় ১৯০ বছরের অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং জন্ম নেয় স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান। এ আইন শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশের সমাপ্তি ঘটায়নি, বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত্তিও গড়ে দেয়। গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বিলুপ্ত করে সংসদীয় ও দায়িত্বশীল সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হয়। এ আইন রক্তপাতহীনভাবে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়, যার ফলে জনগণের মধ্যে এক নবীন আশাবাদ ও আত্মপরিচয়ের চেতনার বিকাশ ঘটে। পাশ্চাত্য ঘরানার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূত্রপাত হয় উভয় রাষ্ট্রে। এই আইনের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়, যা পরবর্তীকালে এই অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতার ভিত্তি হয়ে ওঠে। সার্বিকভাবে বলা যায়, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন শুধু দুটি রাষ্ট্রের জন্মই দেয়নি, এটি ছিল উপমহাদেশের জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার বাস্তব পরিণতি ও একটি নতুন যুগের সূচনা।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

ঐ আইনের তাৎপর্য মূল্যায়ন কর।

উদ্দীপক

'৩ জুন মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনাকে' বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনটি ছিল উপমহাদেশের দৃশ্যপট পরিবর্তনকারী একটি আইন।

Dhaka · 2025

উত্তর

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয় ১৬০০ সালে।

উত্তর

১৯১৯ সালের আইনসভাকে সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন বলা হয় কারণ, এটি ব্রিটিশ শাসকদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হতো এবং এর হাতে প্রকৃত আইন প্রণয়নের পূর্ণ স্বাধীনতা ছিল না। এ আইন অনুযায়ী আইনসভার সদস্যদের একটি বড় অংশ ছিল গভর্নর জেনারেলের মনোনীত, যার ফলে প্রস্তাবিত আইনগুলো ব্রিটিশ সরকারের ইচ্ছার বাইরে যেতে পারত না। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বাজেট, সামরিক ও বৈদেশিক নীতির মতো বিষয়গুলো আইনসভার হাতে না দিয়ে ব্রিটিশ প্রশাসনের কর্তৃত্বে রাখা হয়। এমনকি নির্বাচিত সদস্যরাও বাস্তবে কোনো কার্যকর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারতেন না। এসব সীমাবদ্ধতার ফলে এটি প্রকৃতপক্ষে একটি পরামর্শমূলক এবং সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন আইনসভা হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি হলো ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন। উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং' ভারত ও পাকিস্তানের জন্ম একটি ঐতিহাসিক মোড়। ৩ জুন মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত ১৯৪৭ সালে প্রনীত ভারত স্বাধীনতা আইন এই পরিবর্তনের পথ সুগম করে। আইনটি শুধু দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি নয়, বরং ক্ষমতার রূপান্তর ও নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে। উদ্দীপকের উল্লিখিত ৩ জুন পরিকল্পনার আলোকে প্রণীত আইনটি ছিল ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন, যা ভারত বিভাজন ও স্বাধীনতা অর্জনের প্রক্রিয়াকে বাস্তব রূপ দেয়। এই আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। উভয় রাষ্ট্রের জন্য পৃথক গণপরিষদ গঠিত হয়, যাদের ওপর ভবিষ্যৎ সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিজেদের ইচ্ছামতো ভারত বা পাকিস্তানে যোগদান বা স্বাধীন থাকার সুযোগ দেওয়া হয়। ডোমিনিয়ন শাসনের অধীনে গভর্নর জেনারেল নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুসারে কাজ করবেন। এ আইনে ভারত সচিব পদ বিলুপ্ত হয় এবং কমনওয়েলথ সেক্রেটারিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের সংশোধিত রূপ সাময়িকভাবে কার্যকর থাকে। সব মিলিয়ে, এই আইন উপমহাদেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক ব্যবস্থায় একটি মৌলিক পরিবর্তন আনে।

উত্তর

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন উপমহাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি ছিল দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন দুটি রাষ্ট্র-ভারত ও পাকিস্তানের অভ্যুদয়ের মূল ভিত্তি। উপমহাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিতে এই আইনের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। উদ্দীপকে উল্লিখিত ৩ জুনের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট যে আইনটি পাস করে, তা ছিল ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন। এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের প্রায় ১৯০ বছরের অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং জন্ম নেয় স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান। এ আইন শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশের সমাপ্তি ঘটায়নি, বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত্তিও গড়ে দেয়। গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বিলুপ্ত করে সংসদীয় ও দায়িত্বশীল সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হয়। এ আইন রক্তপাতহীনভাবে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়, যার ফলে জনগণের মধ্যে এক নবীন আশাবাদ ও আত্মপরিচয়ের চেতনার বিকাশ ঘটে। পাশ্চাত্য ঘরানার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূত্রপাত হয় উভয় রাষ্ট্রে। এই আইনের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়, যা পরবর্তীকালে এই অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতার ভিত্তি হয়ে ওঠে। সার্বিকভাবে বলা যায়, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন শুধু দুটি রাষ্ট্রের জন্মই দেয়নি, এটি ছিল উপমহাদেশের জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার বাস্তব পরিণতি ও একটি নতুন যুগের সূচনা।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।