শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যসূচির যে ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে তার বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যসূচির ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের এক নেতা ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে বিভক্ত করে নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তবে পরবর্তীতে একমাত্র রাষ্ট্রই প্রতিষ্ঠিত হয়। এরূপ বর্ণনায় লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে মুসলিম লীগের অধিবেশনে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়, যা 'লাহোর প্রস্তাব' নামে পরিচিত। এ প্রস্তাবটি ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের জন্য স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। লাহোর প্রস্তাবের অনেক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল। যেমন- এ প্রস্তাব অনুযায়ী ভারতবর্ষকে এমনভাবে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল যেখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোকে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করা হতো। এসব রাষ্ট্রের অধীনে প্রতিটি প্রদেশ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো, তবে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর ন্যস্ত থাকত। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার জন্য সংবিধানে পর্যাপ্ত ক্ষমতা রাখার বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল। প্রস্তাবটি মূলত মুসলিমদের রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যসূচির যে ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছ…

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের একজন নেতা ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্রটিকে বিভক্ত করে নতুন একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ঐতিহাসিক একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে একটিমাত্র নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

Mymensingh · 2025

উত্তর

'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে কোনো বৃহত্তর দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের দুর্বল করে দেওয়া হয়, যেন তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে।

উত্তর

মুসলিম লীগ একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেস অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা সাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয় এবং কেবল হিন্দুদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়ে। যার ফলে ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে মুসলমানদের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তারা একটি স্বতন্ত্র সংগঠনের মাধ্যমে স্বতন্ত্র আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন অনুভব করে। 'যার কারণে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠন করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যসূচির ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের এক নেতা ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে বিভক্ত করে নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তবে পরবর্তীতে একমাত্র রাষ্ট্রই প্রতিষ্ঠিত হয়। এরূপ বর্ণনায় লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে মুসলিম লীগের অধিবেশনে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়, যা 'লাহোর প্রস্তাব' নামে পরিচিত। এ প্রস্তাবটি ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের জন্য স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। লাহোর প্রস্তাবের অনেক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল। যেমন- এ প্রস্তাব অনুযায়ী ভারতবর্ষকে এমনভাবে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল যেখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোকে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করা হতো। এসব রাষ্ট্রের অধীনে প্রতিটি প্রদেশ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো, তবে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর ন্যস্ত থাকত। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার জন্য সংবিধানে পর্যাপ্ত ক্ষমতা রাখার বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল। প্রস্তাবটি মূলত মুসলিমদের রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ প্রস্তাব অর্থাৎ লাহোর প্রস্তাবের মধ্যে বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল- মন্তব্যটি যৌক্তিক। ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং স্বতন্ত্র জাতিসত্তা রক্ষার প্রয়োজনে কিছু প্রস্তাব উত্থাপিত হয়, যার মধ্যে একটি বিশেষ প্রস্তাব ছিল ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। এই প্রস্তাব পরবর্তীতে শুধু একটি রাষ্ট্রের জন্মই নয়, বরং নতুন রাষ্ট্রের অংশবিশেষে স্বাধীনতার চেতনা গঠনের বীজ রোপণ করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি হলো ১৯৪০ সালের ওই লাহোর প্রস্তাব, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়। এ প্রস্তাব মুসলমানদের মাঝে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সত্তার অনুভব জাগিয়ে তোলে এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী ভারত বিভক্তি হলে পূর্বাঞ্চলে (বর্তমান বাংলাদেশ) ওই সময়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলার জনগণ, যখন বৈষম্যের শিকার হয়, তখন লাহোর প্রস্তাবেই তারা অনুপ্রেরণা খুঁজে পায়। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান-সবই লাহোর প্রস্তাবের সেই প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ধারারই ধারাবাহিক রূপ। এভাবেই পূর্ব বাংলার জনগণের স্বাধিকার চেতনা একসময় স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং, লাহোর প্রস্তাব বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম উৎস ও প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। আলোচনার শেষে বলা যায়, লাহোর প্রস্তাব শুধু পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভিত্তিই ছিল না, বরং আরও ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের পথরেখাও। এ প্রস্তাবেই নিহিত ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার শিকড়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।