শেয়ারFacebookWhatsApp

প্রজারা তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। পলাশীর যুদ্ধের ফলাফলের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: প্রজারা তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। পলাশীর যুদ্ধের ফলাফলের আলোকে যথার্থ। পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭) বাংলার ইতিহাসে এক গভীর সংকটময় অধ্যায়ের সূচনা করে, যা প্রজাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার বঞ্চনার প্রতীক হয়ে ওঠে। এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার শাসনভার দখল করে এবং উপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। এর ফলে প্রজারা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। সামাজিক ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করে, যা কৃষকদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। জমিদারদের হাতে প্রজাদের শোষণ আরও বৃদ্ধি পায়, এবং কৃষকরা জমির অধিকার হারিয়ে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিকভাবে পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার স্বশাসন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়। ব্রিটিশরা প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে এবং প্রজাদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। বাংলার শাসনব্যবস্থায় প্রজাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়, এবং তারা তাদের মৌলিক অধিকারের প্রতিও বঞ্চিত হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই যুদ্ধ বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও বাণিজ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ব্রিটিশদের একচেটিয়া বাণিজ্য নীতি ও কাঁচামালের শোষণ বাংলার কুটির শিল্প ধ্বংস করে দেয়, বিশেষত মসলিনের মতো বিখ্যাত বস্ত্রশিল্প। কৃষিজীবী প্রজারা উচ্চ করের চাপ এবং দুর্ভিক্ষের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। ব্রিটিশ শাসকদের শোষণমূলক নীতি ও সম্পদ লুণ্ঠনের ফলে বাংলার অর্থনীতি ভেঙে পড়ে এবং সমাজের সর্বস্তরে দারিদ্র্যের বিস্তার ঘটে। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, পলাশীর যুদ্ধ কেবল বাংলার ক্ষমতার পরিবর্তন নয়; এটি ছিল একটি শোষণমূলক শাসনব্যবস্থার সূচনা, যা প্রজাদের অধিকারকে ছিন্নভিন্ন করে এবং বাংলার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে চিরতরে বদলে দেয়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

প্রজারা তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। …

উদ্দীপক

X নামক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে রাজত্ব লাভ করে। আমত্যবর্গ ও নিকট আত্মীয়দের ষড়যন্ত্রে তিনি এক যুদ্ধে পরাজিত হয়ে রাজত্ব হারান। ফলে প্রজারা তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

উত্তর

পলাশীর যুদ্ধ হয় ১৭৫৭ সালে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত যুদ্ধের সাথে ১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধের ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে পলাশী যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার স্বাধীনতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত। নবাবের সেনাবাহিনী সংখ্যায় অধিক হলেও মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ইংরেজরা সহজেই বিজয় অর্জন করে। এই যুদ্ধে ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন কোম্পানি বাহিনী নবাবের ক্ষমতা দখল করে, যা উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। পলাশী যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক পরাজয় নয়, এটি বাংলার রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে, যা ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে।

উত্তর

আমত্যবর্গ ও নিকট আত্মীয়দের ষড়যন্ত্র পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার আংশিক প্রতিচ্ছবি। মন্তব্যটি যথার্থ। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ ছিল অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা। নবাবের শীর্ষ সেনাপতি মীর জাফর ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে গোপন আঁতাত করেন। মীর জাফর ও তার সহযোগীদের ষড়যন্ত্রের ফলে নবাবের সেনাবাহিনীর একটি বড় অংশ যুদ্ধে নিষ্ক্রিয় থাকে, যা ইংরেজদের সহজ বিজয়ে সহায়ক হয়। তবে এসব কারণ ছিল আংশিক, এর বাইরেও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। পলাশীর যুদ্ধে নাবাবের পরাজিত হওয়ার পেছনে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ছিল মূল কারণ। এর বাইরে নবাবের নেতৃত্ব এবং কৌশলগত দুর্বলতা পরাজয়ের একটি বড় কারণ ছিল। সিরাজউদ্দৌলা স্বল্পবয়সী এবং অনভিজ্ঞ ছিলেন, যা তার সামরিক কৌশলকে দুর্বল করে তোলে। তিনি ইংরেজদের শক্তি এবং তাদের রাজনৈতিক কূটকৌশলের গভীরতা পুরোপুরি বুঝতে পারেননি। এছাড়া, তার শাসনামলে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করে, যা তার শাসনের প্রতি সমর্থন হ্রাস করে। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া । কোম্পানির কূটনৈতিক কৌশলও এই পরাজয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ । ভূমিকা পালন করে। রবার্ট ক্লাইভ এবং তার সহযোগীরা স্থানীয় ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের দুর্নীতি এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের সুযোগ নিয়ে নবাবের বিরুদ্ধে জোট গড়ে তোলে। অর্থের বিনিময়ে মীর জাফর এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পক্ষান্তরিত করা হয়। পরিশেষে ইংরেজদের উন্নত সামরিক কৌশল এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নবাবের সেনাবাহিনীর দুর্বল প্রস্তুতি ও মনোবল পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পথ সুগম করে। তাই বলা যায়, আমত্যবর্গ ও নিকটাত্মীয়ের ষড়যন্ত্র পলাশির যুদ্ধের পরাজিত হওয়ায়- উক্তিটি যথার্থ।

উত্তর

প্রজারা তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। পলাশীর যুদ্ধের ফলাফলের আলোকে যথার্থ। পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭) বাংলার ইতিহাসে এক গভীর সংকটময় অধ্যায়ের সূচনা করে, যা প্রজাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার বঞ্চনার প্রতীক হয়ে ওঠে। এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার শাসনভার দখল করে এবং উপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। এর ফলে প্রজারা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। সামাজিক ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করে, যা কৃষকদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। জমিদারদের হাতে প্রজাদের শোষণ আরও বৃদ্ধি পায়, এবং কৃষকরা জমির অধিকার হারিয়ে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিকভাবে পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার স্বশাসন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়। ব্রিটিশরা প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে এবং প্রজাদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। বাংলার শাসনব্যবস্থায় প্রজাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়, এবং তারা তাদের মৌলিক অধিকারের প্রতিও বঞ্চিত হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই যুদ্ধ বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও বাণিজ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ব্রিটিশদের একচেটিয়া বাণিজ্য নীতি ও কাঁচামালের শোষণ বাংলার কুটির শিল্প ধ্বংস করে দেয়, বিশেষত মসলিনের মতো বিখ্যাত বস্ত্রশিল্প। কৃষিজীবী প্রজারা উচ্চ করের চাপ এবং দুর্ভিক্ষের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। ব্রিটিশ শাসকদের শোষণমূলক নীতি ও সম্পদ লুণ্ঠনের ফলে বাংলার অর্থনীতি ভেঙে পড়ে এবং সমাজের সর্বস্তরে দারিদ্র্যের বিস্তার ঘটে। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, পলাশীর যুদ্ধ কেবল বাংলার ক্ষমতার পরিবর্তন নয়; এটি ছিল একটি শোষণমূলক শাসনব্যবস্থার সূচনা, যা প্রজাদের অধিকারকে ছিন্নভিন্ন করে এবং বাংলার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে চিরতরে বদলে দেয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।