শেয়ারFacebookWhatsApp

ব্রিটিশ শাসনের অবসানে উক্ত প্রস্তাবের গুরুত্ব পর্যালোচনা কর।

উত্তর: ব্রিটিশ শাসনের অবসানে লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ইতিহাসে 'লাহোর প্রস্তাব' নামে খ্যাত। এ প্রস্তাবে উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়, যা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। উদ্দীপকের আবহে লাহোর প্রস্তাবের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে। লাহোর প্রস্তাব উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। এ প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগ তাদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, তারা কোনো একক ভারতীয় জাতির অংশ নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। এটি বৃটিশ সরকার ও কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মুসলমানদের দাবি মানার জন্য। প্রস্তাবটির ফলে দ্বিজাতিতত্ত্ব আরও গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্রের ধারণা বেগবান হয়। রাজনৈতিকভাবে এটি মুসলিম লীগের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করে এবং পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তি সুদৃঢ় করে। দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রস্তাব একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটায়। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, লাহোর প্রস্তাব ছিল বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের একটি কৌশলগত সাফল্য। এটি মুসলমানদের জাতীয়তাবাদকে একটি বাস্তব রূপ দেয় এবং বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পতনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

ব্রিটিশ শাসনের অবসানে উক্ত প্রস্তাবের গুরুত্ব পর্যালোচনা কর।

উদ্দীপক

ব্রিটিশ ভারতের একজন রাজনীতিবিদ তার দলের বার্ষিক অধিবেশনে নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি সংবলিত একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

মুসলিম লীগ একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেস অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা সাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয় এবং কেবল হিন্দুদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়ে। যার ফলে ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে মুসলমানদের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তারা একটি স্বতন্ত্র সংগঠনের মাধ্যমে স্বতন্ত্র আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন অনুভব করে। যার কারণে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠন করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপক বর্ণিত প্রস্তাবের সাথে আমি যে ঐতিহাসিক ঘটনার সাদৃশ্য খুঁজে পাই তা হলো ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব। ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কংগ্রেসের একচেটিয়া শাসনের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় বিকল্প রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তখন প্রবলভাবে অনুভূত হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ ভারতের একজন রাজনীতিবিদ তার দলের বার্ষিক অধিবেশনে নিজ সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি সংবলিত একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সরাসরি সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল এমন একটি ঘোষণা, যার মাধ্যমে মুসলিম লীগ ভারতবর্ষে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের ভিত্তিতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের যে প্রস্তাব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, তা ছিল মুসলিম জাতিসত্তার স্বীকৃতি আদায়ের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। লাহোর প্রস্তাবে শুধু পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ধারণাই নয়, বরং ওই রাষ্ট্রসমূহের স্বায়ত্তশাসন, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা এবং শাসনতান্ত্রিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের মাধ্যমেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশ বিভাজনের ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তর

ব্রিটিশ শাসনের অবসানে লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ইতিহাসে 'লাহোর প্রস্তাব' নামে খ্যাত। এ প্রস্তাবে উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়, যা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। উদ্দীপকের আবহে লাহোর প্রস্তাবের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে। লাহোর প্রস্তাব উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। এ প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগ তাদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, তারা কোনো একক ভারতীয় জাতির অংশ নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। এটি বৃটিশ সরকার ও কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মুসলমানদের দাবি মানার জন্য। প্রস্তাবটির ফলে দ্বিজাতিতত্ত্ব আরও গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্রের ধারণা বেগবান হয়। রাজনৈতিকভাবে এটি মুসলিম লীগের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করে এবং পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তি সুদৃঢ় করে। দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রস্তাব একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটায়। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, লাহোর প্রস্তাব ছিল বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের একটি কৌশলগত সাফল্য। এটি মুসলমানদের জাতীয়তাবাদকে একটি বাস্তব রূপ দেয় এবং বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পতনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।