শেয়ারFacebookWhatsApp

তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বিকাশের সহায়ক ছিল? তোমার মতের সপেক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: হ্যাঁ, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বিকাশের সহায়ক ছিল বলে আমি মনে করি। উদ্দীপকে ব্রিটিশ ভারতের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত। উক্ত আইনটি ভারতবর্ষের তৎকালীন বা পূর্বতন যেকোনো আইনের তুলনায় অধিক জনসম্পৃক্ততা ও গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ সৃষ্টি করেছিল।এ আইনে ভারতের সব প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বন্টন করা হয়। ফলে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকগণ শাসন সংক্রান্ত কার্যক্রমে সস্পৃক্ততার সুযোগ লাভ করে। আবার, এই আইনের মুসলমানদের পশ্চাৎপদতা দূরীকরণ ও শাসনকার্যে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনসভায় মুসলমানদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ শাসন বরাদ্দ রাখা হয়। ফলে মুসলমান জনগণের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ও সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এই আইনে প্রাদেশিক গর্ভনরকে সহায়তার জন্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছিল। ফলে ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশসমূহ সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারার সূত্রপাত হয় এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারি কাজে অংশ নেবার সুযোগ সৃষ্টি হয়। ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ সালের শাসন বিভাগের প্রাধান্য রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ফলে জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এসব বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ১৯৩৫ সালের আইন ব্রিটিশ ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে উন্নয়ন পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। তবে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন পূর্ণ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা না দিলেও গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার উন্নত সংযোজন একে অতুচ্ছ চরিত্র দিয়েছিল। আর এর সাংবিধানিক মূল্য ও প্রভাবও ছিল অপরিসীম। এসব কারণেই আমি মনে করি যে, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বিকাশে খুব সহায়ক ছিল।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বি…

উদ্দীপক

question image

উত্তর

১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উত্তর

প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে প্রদেশগুলোর নিজস্ব স্বাধীন শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন করা হয়েছিল। এতে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন তিনটি নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। প্রথমত, সংবিধান অনুযায়ী প্রাদেশিক সরকারের ওপর ন্যস্ত বিষয়গুলোতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। দ্বিতীয়ত, প্রদেশগুলোতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রদেশ আত্মনির্ভরশীল হবে। মোটকথা, প্রদেশগুলোর সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা প্রাপ্তি এবং প্রাদেশিক সরকারের দায়িত্বশীল হওয়াই হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত আমার পাঠ্যপুস্তকের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করেছে। কেননা, বর্ণিত বৈশিষ্ট্যাবলি অর্থাৎ গর্ভনর জেনারেল পথ সৃষ্টি, যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত, বার্মার পৃথকীকরণ, কেন্দ্রের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার সৃষ্টি ও কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন কেবল ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এর অর্থ প্রদেশে স্বশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবমুক্ত থেকে প্রদেশের তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর ওপর প্রাদেশিক সরকারের স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাদেশিক শাসনের ওপর কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করবে না। প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য যৌথভাবে প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়ী থাকবে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হলেও বাস্তবে তার কার্যকারিতা লক্ষ্য করা যায়নি। কারণ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বগতই ছিল,বাস্তবে নয়। এ আইনের অধীনে গর্ভনর জেনারেল ছিলেন প্রভূত্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং মহাপরাক্রমশালী শাসক প্রধান। মূলত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ছিল অকার্যকর ও অর্থহীন । পরিশেষে বলা যায়, কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও গর্ভনর জেনারেল, গর্ভনর এবং ভারতীয় সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপের ফলে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বিকাশের সহায়ক ছিল বলে আমি মনে করি। উদ্দীপকে ব্রিটিশ ভারতের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত। উক্ত আইনটি ভারতবর্ষের তৎকালীন বা পূর্বতন যেকোনো আইনের তুলনায় অধিক জনসম্পৃক্ততা ও গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ সৃষ্টি করেছিল।এ আইনে ভারতের সব প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বন্টন করা হয়। ফলে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকগণ শাসন সংক্রান্ত কার্যক্রমে সস্পৃক্ততার সুযোগ লাভ করে। আবার, এই আইনের মুসলমানদের পশ্চাৎপদতা দূরীকরণ ও শাসনকার্যে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনসভায় মুসলমানদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ শাসন বরাদ্দ রাখা হয়। ফলে মুসলমান জনগণের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ও সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এই আইনে প্রাদেশিক গর্ভনরকে সহায়তার জন্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছিল। ফলে ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশসমূহ সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারার সূত্রপাত হয় এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারি কাজে অংশ নেবার সুযোগ সৃষ্টি হয়। ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ সালের শাসন বিভাগের প্রাধান্য রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ফলে জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এসব বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ১৯৩৫ সালের আইন ব্রিটিশ ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে উন্নয়ন পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। তবে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন পূর্ণ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা না দিলেও গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার উন্নত সংযোজন একে অতুচ্ছ চরিত্র দিয়েছিল। আর এর সাংবিধানিক মূল্য ও প্রভাবও ছিল অপরিসীম। এসব কারণেই আমি মনে করি যে, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ব্রিটিশ ভারতের গণতন্ত্র বিকাশে খুব সহায়ক ছিল।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।