শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের অপসারণ পদ্ধতি আলোচনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান সদস্যদের অপসারণ পদ্ধতি নিম্নে আলোচনা করা হলো: বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। এ কমিশন রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা করবে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সাংবিধানিকভাবে শপথের দ্বারা দায়বদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের গঠন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি 'নির্বাচন কমিশন' গঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারবৃন্দ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন এবং সংসদের বিধান সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের কর্মের শর্তাবলি নির্ধারিত হবে। একাধিক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর সভাপতিরূপে কার্যনির্বাহ করবে। বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি বিভিন্ন ধারাবাহিকভাবে নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেমন: ১. সদস্যের মন্তব্যের বিশ্লেষণ**: নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের কর্মক্ষমতা ও আইনী মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে অপসারণের পদ্ধতি নিয়ে বিচার করা হয়। যদি কোনও সদস্য আইন লঙ্ঘন করে অথবা নির্বাচন কমিশনের কার্যক্ষমতা পরিবর্তন হয়, তবে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ২. আইনি প্রক্রিয়ামূলক পদ্ধতি**: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি আইন এবং নির্দেশিকা অনুযায়ী নিয়ে প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণত, অপসারণের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ৩. আইনগত অপসারণের পদ্ধতি**: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন আইনের অধীনে সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচন কমিশন প্রস্তাবিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সদস্যের সাথে সাক্ষরিক আলোচনা করে। ৪. সার্কুলার এবং নোটিসের মাধ্যমে**: নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন মোতাবেক পাবলিক সম্মুখে বিভিন্ন সার্কুলার এবং নোটিস প্রকাশ করে, যেখানে অপসারণের বিষয়ে তথ্য ও নির্দেশনা দেওয়া হয়। ৫. আইনগত বিধিমালা*: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন আইনে অপসারণের পদ্ধতি ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এই আইন মোতাবেক অপসারণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই পদ্ধতিগুলি প্রায়ই একত্রে ব্যবহৃত হতে পারে অথবা এদের সমন্বয়ে অপসারণ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হতে পারে। যেকোনো অপসারণের পদ্ধতি কেন্দ্রীয় ও প্রভাষকীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 7 : সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 7 : সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের অপসারণ পদ্ধতি আলোচনা করো।

উদ্দীপক

জনাব হাসমত আলী বাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তাকে এবয় জারো ৪ জনকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন। জনাব হাসমত আলীর প্রতিষ্ঠান দেশের জনপ্রতিনিধি বাছাই সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উত্তর

১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।

উত্তর

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তার কাজের গতিশীলতার জন্য কতগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি করে। যার ক্ষমতা ও কার্যাবলি সংবিধান অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত। এগুলোই হলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারে। বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন, নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান সদস্যদের অপসারণ পদ্ধতি নিম্নে আলোচনা করা হলো: বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। এ কমিশন রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা করবে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সাংবিধানিকভাবে শপথের দ্বারা দায়বদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের গঠন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি 'নির্বাচন কমিশন' গঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারবৃন্দ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন এবং সংসদের বিধান সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের কর্মের শর্তাবলি নির্ধারিত হবে। একাধিক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর সভাপতিরূপে কার্যনির্বাহ করবে। বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি বিভিন্ন ধারাবাহিকভাবে নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেমন: ১. সদস্যের মন্তব্যের বিশ্লেষণ**: নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের কর্মক্ষমতা ও আইনী মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে অপসারণের পদ্ধতি নিয়ে বিচার করা হয়। যদি কোনও সদস্য আইন লঙ্ঘন করে অথবা নির্বাচন কমিশনের কার্যক্ষমতা পরিবর্তন হয়, তবে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ২. আইনি প্রক্রিয়ামূলক পদ্ধতি**: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি আইন এবং নির্দেশিকা অনুযায়ী নিয়ে প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণত, অপসারণের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ৩. আইনগত অপসারণের পদ্ধতি**: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন আইনের অধীনে সদস্যদের অপসারণের পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচন কমিশন প্রস্তাবিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সদস্যের সাথে সাক্ষরিক আলোচনা করে। ৪. সার্কুলার এবং নোটিসের মাধ্যমে**: নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন মোতাবেক পাবলিক সম্মুখে বিভিন্ন সার্কুলার এবং নোটিস প্রকাশ করে, যেখানে অপসারণের বিষয়ে তথ্য ও নির্দেশনা দেওয়া হয়। ৫. আইনগত বিধিমালা*: বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন আইনে অপসারণের পদ্ধতি ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এই আইন মোতাবেক অপসারণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই পদ্ধতিগুলি প্রায়ই একত্রে ব্যবহৃত হতে পারে অথবা এদের সমন্বয়ে অপসারণ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হতে পারে। যেকোনো অপসারণের পদ্ধতি কেন্দ্রীয় ও প্রভাষকীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।

উত্তর

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন। দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন। নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য। নিষাচন কমিশনের গঠন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের দ্বারা দায়বদ্ধ। একা নিরবিচ্চিন কমিশন' গঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার র একটি তিমিশনারবৃন্দ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন এবং সংসদের বিধান সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের কর্মের অানালজি নির্ধারিত হবে। একাধিক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর সভাপতিরূপে কার্যনির্বাহ করবেন নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ : নির্বাচন কমিশনের মেয়াদকাল ৫ বছর। তবে নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পেশ করে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন কিংবা কোনো অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ যে কারণ ও পদ্ধতিতে অপসারিত হন সে কারণে ও সে পদ্ধতিতেই শুধু নির্বাচন কমিশনারগণ অপসারিত হবেন। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনে প্রধান কমিশনার পদে অধিষ্ঠিত থাকার পর কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। তবে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদে নিযুক্ত হতে পারবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। এ কমিশন রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা করবে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সাংবিধানিকভাবে শপথের দ্বারা দায়বদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের কার্যাবলি: নির্বাচন কমিশন যে সমস্ত ল্লেখযোগ্য কাজ সম্পাদন করে তা নিম্নে বর্ণিত হলো: ১. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করা। ২. জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা। ৩. সংসদের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন, তত্ত্বাবধান ও নির্দেশ প্রদান। ৪. সংসদ নির্বাচনের জন্য এলাকার সীমা নির্ধারণ। ৫. সঠিক নিরপেক্ষ নির্বাচন কাজের জন্য রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ। ৬. রাষ্ট্রপতি ও সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য গৃহীত মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাছাই করা এবং বাছাইকৃত মনোনয়নপত্র ক্রান্ত জটিলতা নিরসন। ৭. নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা, ফলাফল একত্রীকরণ এবং সরকারি গেজেটে তা প্রকাশ করা। ৮. নির্বাচনি অভিযোগ-মোকদ্দমা মীমাংসার লক্ষ্যে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন। ৯. নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ। ১০. রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং তা' গেজেটে প্রকাশ। ১১. উল্লিখিত কার্যাদি ব্যতিরেকে সংবিধান অনুযায়ী এবং আইনের দ্বারা অর্পিত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন।
HSCCivics 2nd PaperChapter 7 : সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'X′X^{\prime} সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থেকে আইনি জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
ক
বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?
খ
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দুটি ক্ষমতা উল্লেখ করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'X′X^{\prime} এর সাথে বাংলাদেশের কোন সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, জনাব 'X′X^{\prime} এর সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'X′X^{\prime} সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থেকে আইনি জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
ক
বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?
খ
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দুটি ক্ষমতা উল্লেখ করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'X′X^{\prime} এর সাথে বাংলাদেশের কোন সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, জনাব 'X′X^{\prime} এর সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দুটি ক্ষমতা উল্লেখ করো।

মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দুটি ক্ষমতা উল্লেখ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?

বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব সবুজ রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে।
ক
BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?
খ
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটির গঠন প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।
ঘ
উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর দক্ষ প্রশাসনব্যবস্থা নির্ভর করে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব সবুজ রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে।
ক
BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?
খ
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটির গঠন প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।
ঘ
উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর দক্ষ প্রশাসনব্যবস্থা নির্ভর করে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?

BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব মিলন 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'-এর একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি পেশাগত জীবনে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে অনেক ধনসম্পদের মালিক হন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্তের ভিত্তিতে মামলা দায়ের ও পরিচালনা করে। বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে ঐ অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেন।

Chittagong · 2017

ক
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?
খ
কীভাবে সরকারি কর্মকমিশন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব মিলনের বিরুদ্ধে যে প্রতিষ্ঠানটি মামলা দায়ের করেছে তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির গৃহীত পদক্ষেপ দুর্নীতি দমনে কতটুকু সহায়ক হবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব মিলন 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'-এর একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি পেশাগত জীবনে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে অনেক ধনসম্পদের মালিক হন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্তের ভিত্তিতে মামলা দায়ের ও পরিচালনা করে। বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে ঐ অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেন।

Chittagong · 2017

ক
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?
খ
কীভাবে সরকারি কর্মকমিশন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব মিলনের বিরুদ্ধে যে প্রতিষ্ঠানটি মামলা দায়ের করেছে তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির গৃহীত পদক্ষেপ দুর্নীতি দমনে কতটুকু সহায়ক হবে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কীভাবে সরকারি কর্মকমিশন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?

কীভাবে সরকারি কর্মকমিশন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তুমি কি মনে কর, জনাব 'X [গণিত] এর সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে?উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'X [গণিত] এর সাথে বাংলাদেশের কোন সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাদমহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দুটি ক্ষমতা উল্লেখ করো।বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর দক্ষ প্রশাসনব্যবস্থউদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটির গঠন প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির গৃহীত পদক্ষেপ দুর্নীতি দমনে কতটুকু সহায়ক হবে বলেউদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব মিলনের বিরুদ্ধে যে প্রতিষ্ঠানটি মামলা দায়ের করেছে তার কারকীভাবে সরকারি কর্মকমিশন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।