শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত উক্তিটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের উল্লেখিত উক্তিটি হলো- "জনগণের সকল ক্ষমতার উৎস" বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য আলোকে বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করা হলো। বাংলাদেশ সংবিধানের ১ম ভাগের ৭ নং অনুচ্ছেদের(১) দফায় বলা হয়েছে সংবিধানের প্রাধান্যর কথা। এখানে উল্লেখ আছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ হবে বাংলাদেশ সংবিধানের আইন ও কর্তৃত্বে। এখানে বাংলাদেশের সংবিধান জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে স্বীকার করে। সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরোক্ষভাবে জনগণের দ্বারাই পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। কেননা, জনগণ প্রত্যক্ষভাবে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের দ্বারা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় তো ক্ষমতা পরিচালনা করে থাকে। ফলে সংবিধানিকভাবেই জনগণ কার্যকরী ক্ষমতার উৎস হয়ে ওঠে। যখন ইচ্ছা করলে সরকারকে হটিয়ে দিতে বা নির্বাচিত করতে পারে। প্রশাসনের সকল স্তরেই রয়েছে জনপ্রতিনিধি বা জনগণেরই স্ব-শাসনের নামান্তর। ফলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ ও পরিবর্তনে জনগণের ভূমিকা মুখ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়, যার সংবিধানিক ভিত্তি রয়েছে। এভাবেই বাংলাদেশ সংবিধান জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে স্বীকার করে। সুতরাং উপরেক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের উক্তিটি "জনগণের সকল ক্ষমতার উৎস" যথার্থ। কেননা, পরোক্ষভাবে জনগণের দ্বারা সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালিত হচ্ছে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত উক্তিটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের আলোকে বি…

উদ্দীপক

রক্তাক্ত সংগ্রামের পর 'ক' রাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের ১ বছরের মধ্যে তারা পৃথিবীর একটি অন্যতম সেরা সংবিধান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়। এই সংবিধানে উল্লেখ আছে যে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।

উত্তর

মৌলিক অধিকার হলো সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রদত্ত সেসব সুযোগ-সুবিধা, যা নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য।

উত্তর

সংসদীয় সরকারব্যবস্থা বলতে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারকে বোঝায়। এ সরকারব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার হাতে শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ তার কাজের জন্য আইনসভার নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকে। এখানে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদসহ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রকৃত শাসক এবং সরকারপ্রধান।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লেখিত সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের মিল রয়েছে। সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য লিখিত ও অলিখিত বিধি-বিধানের সমষ্টি। একটি রাষ্ট্রের সংবিধানে শাসকের ক্ষমতা, শাসিতের অধিকার ও কর্তব্য এবং উভয়ের সম্পর্কের প্রকৃতি সুষ্পষ্টরূপে লেখা থাকে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধান প্রণয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। স্বাধীনতা লাভের পর অত্যন্ত স্বল্প সময়ে (দশ মাস) ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর একটি সংবিধান বাংলাদেশ সরকার প্রণয়ন করে। এ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সমূহ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৮ হতে ২৫ নম্বর ধারার মধ্যে এর মূলনীতিগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। এ সম্পর্কে সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়, "যেসব মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তির জন্য যুদ্ধে আত্মনিয়োগ ও প্রানোৎসর্গ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল যেমন - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা সেসব আদর্শ এ সংবিধানের মূলনীতি হবে। উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' নামক রাষ্ট্রটি দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে এবং স্বাধীনতা লাভের এক বছরের মধ্যেই পৃথিবীর অন্যতম সেরা একটি সংবিধান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়। এই সংবিধানের উল্লেখ রয়েছে সে, "জনগণের সকল ক্ষমতার উৎস" যা বাংলাদেশেরসংবিধানের সাথে মিল রয়েছে। কেননা, বাংলাদেশেও তার স্বাধীনতা লাভের এক বছরের মধ্যেই একটি বিশ্ব নন্দিত সংবিধান তৈরি করতে পেরেছিল। যেখানে বলা হয়েছিল প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সুতরাং উপরির তো আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে বাংলাদেশের রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লেখিত উক্তিটি হলো- "জনগণের সকল ক্ষমতার উৎস" বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য আলোকে বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করা হলো। বাংলাদেশ সংবিধানের ১ম ভাগের ৭ নং অনুচ্ছেদের(১) দফায় বলা হয়েছে সংবিধানের প্রাধান্যর কথা। এখানে উল্লেখ আছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ হবে বাংলাদেশ সংবিধানের আইন ও কর্তৃত্বে। এখানে বাংলাদেশের সংবিধান জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে স্বীকার করে। সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরোক্ষভাবে জনগণের দ্বারাই পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। কেননা, জনগণ প্রত্যক্ষভাবে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের দ্বারা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় তো ক্ষমতা পরিচালনা করে থাকে। ফলে সংবিধানিকভাবেই জনগণ কার্যকরী ক্ষমতার উৎস হয়ে ওঠে। যখন ইচ্ছা করলে সরকারকে হটিয়ে দিতে বা নির্বাচিত করতে পারে। প্রশাসনের সকল স্তরেই রয়েছে জনপ্রতিনিধি বা জনগণেরই স্ব-শাসনের নামান্তর। ফলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ ও পরিবর্তনে জনগণের ভূমিকা মুখ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়, যার সংবিধানিক ভিত্তি রয়েছে। এভাবেই বাংলাদেশ সংবিধান জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে স্বীকার করে। সুতরাং উপরেক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের উক্তিটি "জনগণের সকল ক্ষমতার উৎস" যথার্থ। কেননা, পরোক্ষভাবে জনগণের দ্বারা সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালিত হচ্ছে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।