শেয়ারFacebookWhatsApp

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকার অর্থাৎ মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা প্রশংসনীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ। এ সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ছাড়াও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলার স্বাধীনতাকামী জনতা মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর আশার আলো দেখতে পায়। তারা প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সংগ্রহের আশায় ভারতে ভিড় জমায়। মুজিবনগর সরকার এসব তরুণদের যাচাই-বাছাই করে ভারতীয় ও বাংলাদেশি সেনাবাহিনী দ্বারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। তাদের অস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের যুদ্ধ ময়দানে পাঠায়। মুক্তিযুদ্ধকে সুসংহতভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মুজিবনগর সরকার যুদ্ধক্ষেত্রকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য এবং সংগ্রামী জনগণের মনোবল ঠিক রাখার জন্য 'মুজিবনগর সরকার' স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে ও পত্রপত্রিকার মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালায়। মুজিবনগর সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা হচ্ছে কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোমসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন এবং ঐসব স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা। মুজিবনগর সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বহির্বিশ্বে বিশেষ দূত নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বনেতাদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। এছাড়াও বাংলাদেশের নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেন, জাপানসহ শক্তিশালী দেশের সমর্থন লাভে মুজিবনগর সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা চালায়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

উত্তর

২৫ মার্চ রাতে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা সংঘটিত হয় বলে এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। ২৫ মার্চ বাঙালির ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে দেশব্যাপী শুরু হয় পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা। ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালাতে থাকে পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ। তারা ঢাকাসহ অন্যান্য শহরেও হাজার হাজার নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ কারণে ২৫ মার্চকে ইতিহাসে কালরাত্রি হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যটি আমার পাঠ্যবইয়ের মুজিবনগর সরকারকে নির্দেশ করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (পরবর্তীতে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয় এবং ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান, পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধ ও বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম সরকার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামে আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের দ্বারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা আদেশ জারি করা হয়। এ ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। বাংলাদেশের এ প্রথম অস্থায়ী সরকার মুজিবনগর সরকার বা প্রবাসী সরকার নামেও অভিহিত হয়। ১৭ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

উত্তর

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকার অর্থাৎ মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা প্রশংসনীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ। এ সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ছাড়াও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলার স্বাধীনতাকামী জনতা মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর আশার আলো দেখতে পায়। তারা প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সংগ্রহের আশায় ভারতে ভিড় জমায়। মুজিবনগর সরকার এসব তরুণদের যাচাই-বাছাই করে ভারতীয় ও বাংলাদেশি সেনাবাহিনী দ্বারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। তাদের অস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের যুদ্ধ ময়দানে পাঠায়। মুক্তিযুদ্ধকে সুসংহতভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মুজিবনগর সরকার যুদ্ধক্ষেত্রকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য এবং সংগ্রামী জনগণের মনোবল ঠিক রাখার জন্য 'মুজিবনগর সরকার' স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে ও পত্রপত্রিকার মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালায়। মুজিবনগর সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা হচ্ছে কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোমসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন এবং ঐসব স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা। মুজিবনগর সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বহির্বিশ্বে বিশেষ দূত নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বনেতাদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। এছাড়াও বাংলাদেশের নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেন, জাপানসহ শক্তিশালী দেশের সমর্থন লাভে মুজিবনগর সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা চালায়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।