শেয়ারFacebookWhatsApp

জনগণের সার্বভৌম প্রতিষ্ঠা এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার বিষয়টির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় সংবিধানের গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সংবিধানের চারটি মূলনীতি গ্রহণ করা হয়েছে। চারটি মূলনীতির মধ্যে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র রয়েছে যার মাধ্যমে সংবিধানটি জনগণমুখী কীনা তা নির্ধারিত হয়। গণতন্ত্র মাত্রই জনগণের শাসন। আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক প্রভৃতির স্বরূপ বিধান করা হয়ে থাকে। এ গণতন্ত্র দেশে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। তানুসারে শ্রেণী শাসন মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সকলের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত বিধান করতে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র অবলম্বন করা হয়। সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণের সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস। ফলের সংবিধানিকভাবেই জনগণ কার্যকরী ক্ষমতার উৎস হয়ে ওঠে। সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য একটি অধ্যায় রাখা হয়েছে। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বাক স্বাধীনতা, সাম্প্রতিক ক্রয়ের স্বাধীনতা, সাম্যের স্বাধীনতা, সরকারি চাকরি লাভের অধিকার, ধর্মীয় অধিকার প্রভৃতি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষিত হয়। মৌলিক অধিকারগুলো কোন কারনে লঙ্ঘিত হলে ভিকটিম বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত মৌলিক অধিকারের রক্ষক হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আশ্রয় নিয়ে সুবিচার লাভ করতে পারে। এ আইন কোন অর্থে পরিবর্তনযোগ্য নয়। তাই বলা যায়, নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য যেসব অপরিহার্য শর্তাবলী সেসবই সার্বভৌম সংবিধানে পাওয়া যায়। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং মৌলিক অধিকার রক্ষায় সংবিধানের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

জনগণের সার্বভৌম প্রতিষ্ঠা এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার বিষয়টির গুরুত্ব …

উদ্দীপক

question image

উত্তর

ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালে সংঘটিত হয়।

উত্তর

ছয় দফা পূর্ব বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকস সহ সকল অধিকারের কথা তুলে ধরে। এ কর্মসূচি বাঙালির জাতীয় চেতনামূলক বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা না হলেও এ ছয় দফা কর্মসূচি বাংলাদেশে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে। সমগ্র বাঙালি জাতি এ যুগসন্ধিক্ষণে আপোশের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এগিয়ে আসেন তার ছয় দফা কর্মসূচি নিয়ে বাঙালি জাতিকে বাঁচাতে। তাই ছয় দফা কে বাঙালির মুক্তি সনদ বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত '?' চিহ্নিত স্থানটি পাঠ্যবইয়ের সংবিধান- বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছে। বাংলাদেশ সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জীবনধারণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, বাক স্বাধীনতার অধিকার, ধর্মচর্চার অধিকার, চিন্তা ও বিবেক স্বাধীনতা ইত্যাদি মৌলিক অধিকার সংবিধানে স্বীকৃত আছে। আবার বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারণ রয়েছে।এতে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। সংবিধানের সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদীয় সদস্যকে সার্বভৌম ক্ষমতার প্রদান করা হয় এবং মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। বাংলাদেশ সংবিধান লিখিত এবং এটি দুষ্পরিবর্তনীয়। সংবিধানের কোন ধারা বা অংশবিশেষ প্রবর্তন করতে হলে মোট সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের ভোট প্রয়োজন হয়। এই সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের ২- এ বলা হয়েছে যে, এটি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানটির আরো কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো - এতে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃতি আছে।। ন্যায়পাল পথ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বীকৃত আছে।

উত্তর

জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় সংবিধানের গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সংবিধানের চারটি মূলনীতি গ্রহণ করা হয়েছে। চারটি মূলনীতির মধ্যে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র রয়েছে যার মাধ্যমে সংবিধানটি জনগণমুখী কীনা তা নির্ধারিত হয়। গণতন্ত্র মাত্রই জনগণের শাসন। আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক প্রভৃতির স্বরূপ বিধান করা হয়ে থাকে। এ গণতন্ত্র দেশে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। তানুসারে শ্রেণী শাসন মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সকলের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত বিধান করতে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র অবলম্বন করা হয়। সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণের সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস। ফলের সংবিধানিকভাবেই জনগণ কার্যকরী ক্ষমতার উৎস হয়ে ওঠে। সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য একটি অধ্যায় রাখা হয়েছে। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বাক স্বাধীনতা, সাম্প্রতিক ক্রয়ের স্বাধীনতা, সাম্যের স্বাধীনতা, সরকারি চাকরি লাভের অধিকার, ধর্মীয় অধিকার প্রভৃতি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষিত হয়। মৌলিক অধিকারগুলো কোন কারনে লঙ্ঘিত হলে ভিকটিম বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত মৌলিক অধিকারের রক্ষক হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আশ্রয় নিয়ে সুবিচার লাভ করতে পারে। এ আইন কোন অর্থে পরিবর্তনযোগ্য নয়। তাই বলা যায়, নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য যেসব অপরিহার্য শর্তাবলী সেসবই সার্বভৌম সংবিধানে পাওয়া যায়। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং মৌলিক অধিকার রক্ষায় সংবিধানের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।