শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে ২নং চিহ্নিত উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ২নং চিহ্নিত অংশে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি প্রদর্শিত হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহের সন্নিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- সংবিধানে এই মূলনীতিসমূহ সংযোজনের আইনগত তাৎপর্য অপরিসীম। সংবিধানের ৮(২) নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এই নীতিসমূহ বাংলাদেশ পরিচালনার মূলমন্ত্র হবে, আইন প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তা প্রয়োগ করবে, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তা নির্দেশক হবে এবং তা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কাজের ভিত্তি হবে। মূল সংবিধানে নাগরিকদের জন্য কতগুলো মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে বলা হয়েছে জাতীয় সংসদ মৌলিক অধিকার পরিপন্থি কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারবে না। এ ধরনের কোনো আইন প্রণীত হলে আদালত কর্তৃক তা বাতিল বলে ঘোষিত হবে। কিন্তু সংবিধানের ৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কোনো একটিকে কার্যকর করার জন্য জাতীয় সংসদ যদি কোনো সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ, সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে 'কোনো সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আইন তৈরি করে তবে উক্ত আইন মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি হিসেবে তা বাতিল বা বেআইনি বলে গণ্য করা যাবে না। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মূলনীতিগুলো হবে আমাদের রাষ্ট্রীয় আদর্শ। জনগণ ও সরকার উভয়ের কাছেই এ নীতিগুলো হবে আলোর দিশারি, পথপ্রদর্শক এবং সার্বিক উন্নয়নের উচ্চ শিখরে আরোহণের চাবিকাঠি।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে ২নং চিহ্নিত উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে মজলুম জননেতা বলা হয়।

উত্তর

খেলাফত আন্দোলনের ব্যর্থতার ফলে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি বিনষ্ট হবার উপক্রম হলে এ. কে. ফজলুল হক, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মোঃ আঃ করিম, মাওলানা আকরম খাঁ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী প্রমুখ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যাদি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেন এবং হিন্দু-মুসলমানদের দাবি-দাওয়ার প্রশ্নে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন। এ চুক্তিই ঐতিহাসিক 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে খ্যাত। চিত্তরঞ্জন দাসের স্বরাজ পার্টি ১৯২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বরের কাউন্সিল সভায় এ চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়।

উত্তর

'?' চিহ্নিত স্থানে বসবে বাংলাদেশের সংবিধান। নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ সংবিধান রচিত হয়। ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি লিখিত। এ সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং যাতে ১টি প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি ও ৭টি তফসিল রয়েছে। উদ্দীপকে প্রদর্শিত ছকচিত্রে বাংলাদেশ সংবিধানের রূপ প্রকাশ পেয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জীবনধারণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, বাকস্বাধীনতার অধিকার, ধর্ম চর্চার অধিকার, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ইত্যাদি মৌলিক অধিকার সংবিধানে স্বীকৃত আছে। আবার বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারিত রয়েছে। এতে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। সংবিধানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদকে সার্বভৌম ক্ষমতা প্রদান করা হয় এবং মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত এবং এটি দুষ্পরিবর্তনীয়। সংবিধানের কোনো ধারা বা অংশবিশেষ পরিবর্তন করতে হলে মোট সংসদ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটের প্রয়োজন হয়। এই সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের ২-এ বলা হয়েছে যে, এটি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানটির আরও কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এককেন্দ্রিক সরকারব্যবস্থা এতে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত আছে। ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বীকৃত আছে।

উত্তর

উদ্দীপকের ২নং চিহ্নিত অংশে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি প্রদর্শিত হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহের সন্নিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- সংবিধানে এই মূলনীতিসমূহ সংযোজনের আইনগত তাৎপর্য অপরিসীম। সংবিধানের ৮(২) নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এই নীতিসমূহ বাংলাদেশ পরিচালনার মূলমন্ত্র হবে, আইন প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তা প্রয়োগ করবে, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তা নির্দেশক হবে এবং তা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কাজের ভিত্তি হবে। মূল সংবিধানে নাগরিকদের জন্য কতগুলো মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে বলা হয়েছে জাতীয় সংসদ মৌলিক অধিকার পরিপন্থি কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারবে না। এ ধরনের কোনো আইন প্রণীত হলে আদালত কর্তৃক তা বাতিল বলে ঘোষিত হবে। কিন্তু সংবিধানের ৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কোনো একটিকে কার্যকর করার জন্য জাতীয় সংসদ যদি কোনো সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ, সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে 'কোনো সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আইন তৈরি করে তবে উক্ত আইন মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি হিসেবে তা বাতিল বা বেআইনি বলে গণ্য করা যাবে না। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মূলনীতিগুলো হবে আমাদের রাষ্ট্রীয় আদর্শ। জনগণ ও সরকার উভয়ের কাছেই এ নীতিগুলো হবে আলোর দিশারি, পথপ্রদর্শক এবং সার্বিক উন্নয়নের উচ্চ শিখরে আরোহণের চাবিকাঠি।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।