উক্ত অধিকারগুলো কীভাবে বলবৎ করা যায়- আলোচনা কর।
উত্তর: সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারগুলো বলবৎ করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ও রক্ষাকবচ বাংলাদেশের সংবিধানেই নির্দেশিত রয়েছে। সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন প্রণয়ন করা যাবে না এবং তেমন কোনো আইন করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। যদি কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, তবে ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি তা বলবৎ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করতে পারেন। ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে অধিকার পুনরুদ্ধারে যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে। বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সংসদীয় যেকোনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল করতে পারে। বিচার বিভাগের এই স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই নাগরিকের মৌলিক অধিকারের কার্যকর সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব হয়। 'পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের সংবিধানে কেবল অধিকার ঘোষণা করা হয়নি, বরং সেগুলো ভঙ্গের প্রতিকার এবং আদালতের মাধ্যমে তা বলবৎ করার আইনি নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক সুশাসন ও নাগরিক স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে।
HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল
উক্ত অধিকারগুলো কীভাবে বলবৎ করা যায়- আলোচনা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
