শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত দেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: যজনগণের অধিকার রক্ষায় উক্ত সংবিধানের তথা ১৯৭২ সালের সংবিধানের কার্যকারিতা অপরিসীম। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবিধান শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখাই নির্ধারণ করে না, বরং জনগণের অধিকার রক্ষার মৌলিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে নাগরিকদের জীবন, স্বাধীনতা ও মর্যাদার ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এটি জনগণকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিকার পাওয়ার সাংবিধানিক সুযোগও দেয়। এটি নাগরিকদের আইনের দৃষ্টিতে সমান অধিকার, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, বিনা কারণে গ্রেফতার ও নির্যাতন থেকে সুরক্ষা, চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা, ধর্মপালনের স্বাধীনতা, চলাফেরা ও পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার এবং সম্পত্তির অধিকার প্রদান করে। প্রতিটি অধিকার রাষ্ট্রের আইন দ্বারা সংরক্ষিত এবং কোনো রকম লঙ্ঘন ঘটলে নাগরিকরা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে প্রতিকার চাইতে পারে। এতে করে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং জনগণ সচেতন ও সুরক্ষিত থাকে। সংবিধান নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষা, সভা-সমাবেশ ও সংগঠন গঠনের অধিকারও নিশ্চিত করেছে, যা একটি স্বাধীন ও মানবিক রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এসব অধিকার রক্ষার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকায় সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে পারে এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার সংগ্রামে সজাগ থাকতে পারে। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় একটি কার্যকর, সুসংগঠিত ও ন্যায়ভিত্তিক দলিল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত দেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত মৌলিক অধিকারের কার্যকারিত…

উদ্দীপক

দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশে ৩৪ জন সদস্যের সমন্বয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন।

উত্তর

১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উত্তর

মৌলিক অধিকার বলতে রাষ্ট্র প্রদত্ত সেই সকল সুযোগ-সুবিধা বোঝায়, যা নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য, যা সংবিধানে সন্নিবেশিত থাকে এবং যা সরকার লঙ্ঘন করতে পারে না। মৌলিক অধিকার ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষাকবচ এবং নাগরিকের প্রতিভা বিকাশের অন্যতম পূর্বশর্ত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৭ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির তথা বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশে ৩৪ জন সদস্যের সমন্বয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন। এরূপ বর্ণনায় বাংলাদেশের সংবিধানের কথাই প্রকাশ পেয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ হলো সংবিধিতে নথিভূত নৈতিক ও রাজনৈতিক আদর্শ যেগুলো রাষ্ট্রকে ন্যায়, সমতা ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়; এগুলো বাস্তবায়ন রাষ্ট্রের কর্তব্য, যদিও সাধারণত আদালত দ্বারা সরাসরি বলবৎযোগ্য নয়। বাংলাদেশের সংবিধানে প্রতিফলিত চারটি মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণের ভিত্তি স্থাপন করে। জাতীয়তাবাদ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে জাতীয় পরিচয় ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে; সমাজতন্ত্র শোষণমুক্ত ও সমতাভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কল্যাণনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তার গুরুত্ব দেয়; গণতন্ত্র নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে; ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মের রাজনীতি থেকে রাষ্ট্রকে আলাদা রেখে সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করে। বাংলাদেশ সংবিধানের এ মূলনীতিসমূহ রাষ্ট্রে ঐক্য, ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

উত্তর

যজনগণের অধিকার রক্ষায় উক্ত সংবিধানের তথা ১৯৭২ সালের সংবিধানের কার্যকারিতা অপরিসীম। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবিধান শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখাই নির্ধারণ করে না, বরং জনগণের অধিকার রক্ষার মৌলিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে নাগরিকদের জীবন, স্বাধীনতা ও মর্যাদার ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এটি জনগণকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিকার পাওয়ার সাংবিধানিক সুযোগও দেয়। এটি নাগরিকদের আইনের দৃষ্টিতে সমান অধিকার, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, বিনা কারণে গ্রেফতার ও নির্যাতন থেকে সুরক্ষা, চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা, ধর্মপালনের স্বাধীনতা, চলাফেরা ও পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার এবং সম্পত্তির অধিকার প্রদান করে। প্রতিটি অধিকার রাষ্ট্রের আইন দ্বারা সংরক্ষিত এবং কোনো রকম লঙ্ঘন ঘটলে নাগরিকরা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে প্রতিকার চাইতে পারে। এতে করে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং জনগণ সচেতন ও সুরক্ষিত থাকে। সংবিধান নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষা, সভা-সমাবেশ ও সংগঠন গঠনের অধিকারও নিশ্চিত করেছে, যা একটি স্বাধীন ও মানবিক রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এসব অধিকার রক্ষার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকায় সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে পারে এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার সংগ্রামে সজাগ থাকতে পারে। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় একটি কার্যকর, সুসংগঠিত ও ন্যায়ভিত্তিক দলিল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।