শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে সংবিধানের কততম সংশোধনীকে বোঝানো হয়েছে? তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে। এ সংশোধনীর মূল বৈশিষ্ট্য ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় চালু করা। ১৯৯১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৬ বছর পর রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এই সংশোধনীর ফলে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হন এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক। উদ্দীপকে জনাব আলী ১৯৯১ সালে ১৬ বছর পর সংসদীয় ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন, যা দ্বাদশ সংশোধনীর সাথে হুবহু মিলে যায়। এই সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয় এবং রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত করার বিধান করা হয়। মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, এই সংশোধনীটি ছিল স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। অর্থাৎ ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে সংবিধানের কততম সংশোধনীকে বোঝানো হয়েছে? তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ…

উদ্দীপক

জনাব আলী একটি রাজনৈতিক আলোচনায় বাংলাদেশ সংবিধানের একটি সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর পর ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হয়। এ সংশোধনী ছিলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রধান পদক্ষেপ।

উত্তর

SAARC- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে 'South Asian Association for Regional Co-operation′.operation^{\prime}.

উত্তর

বাংলা অঞ্চলে সমাজ সংস্কার ও শিক্ষা বিস্তারে স্যার সৈয়দ আহমদের মতো অবদান রাখার কারণে নওয়াব আবদুল লতিফকে 'বাংলার সৈয়দ আহমদ' বলা হয়। স্যার সৈয়দ আহমদ মুসলমানদের উন্নতির জন্য ইংরেজদের সাথে সহযোগিতার নীতি ও পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণের ওপর জোর দেন। তাঁর মতো নওয়াব আবদুল লতিফও বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক শিক্ষা ব্যতীত বাংলার মুসলমানদের উন্নতি সম্ভব নয়। এ জন্য তিনি বাংলায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করেন এবং মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণে সচেষ্ট হন। তাঁর এরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে 'বাংলার সৈয়দ আহমদ' বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে। এ সংশোধনীর মূল বৈশিষ্ট্য ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় চালু করা। ১৯৯১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৬ বছর পর রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এই সংশোধনীর ফলে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হন এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক। উদ্দীপকে জনাব আলী ১৯৯১ সালে ১৬ বছর পর সংসদীয় ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন, যা দ্বাদশ সংশোধনীর সাথে হুবহু মিলে যায়। এই সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয় এবং রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত করার বিধান করা হয়। মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, এই সংশোধনীটি ছিল স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। অর্থাৎ ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সংশোধনী অর্থাৎ দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা হলো একটি দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকার তার প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। ১৯৯১ সালের এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়, যা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন ও রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থার একচ্ছত্র ক্ষমতার অবসান ঘটায়। এ ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইন বিভাগের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হয়। ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে যে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, তা জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সংকুচিত করেছিল। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্ব ও সংসদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ছিল তৎকালীন ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মূল দাবি ও প্রত্যাশা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই দেশ পরিচালনা করেন এবং তারা পরোক্ষভাবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। পরিশেষে বলা যায়, সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনার সুযোগ থাকে এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটে। এটি একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করে, যা যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণের প্রধান প্রত্যাশা। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকারের একনায়কতান্ত্রিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, ফলে জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে। তাই ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনী কেবল একটি আইনি পরিবর্তন ছিল না, বরং এটি ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি সফল প্রতিফলন।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে সংবিধানের কততম সংশোধনীকে বোঝানো হয়েছে? তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ… | Prosthuti