শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে আমার দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের পুরোপুরি মিল রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানও অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। যেমন -বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্য একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়। সেই গণপরিষদ অল্প সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধান সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত রয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের সংবিধানে রয়েছে। কিন্তু এর বাইরেও বাংলাদেশের সংবিধানে আরো কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো হল -সুন্দর ও আকর্ষণীয় প্রস্তাবনা, দেশের চূড়ান্ত আইন হিসেবে সংবিধানের প্রাধান্য, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা, ন্যায়পালের পদের অবতারণা, সর্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, জনগণের সার্বভৌম নিশ্চিত করেন এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন। উদ্দীপকে উল্লিখিত এসব বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে বাংলাদেশ সংবিধান গড়ে ওঠে। সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকের সংবিধান ও বাংলাদেশের সংবিধান পুরোপুরি মিলে যায়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের তুলনামূ…

উদ্দীপক

'ক' একটি সদ্যস্বাধীন রাষ্ট্র। স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তীতে দেশটি একটি গণপরিষদ গঠন করে। গণপরিষদ অল্প সময়ের মধ্যে জাতিকে একটি সংবিধান উপহার দেয়। সংবিধানটিতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা সহ আরো দুটি মূলনীতির কথা বলা হয়েছে। উক্ত সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার প্রধান সহ মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান দেওয়া হয়েছে।

Barisal · 2021

উত্তর

১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়।

উত্তর

খাদ্য ভেজাল বলতে সাধারণত বিশুদ্ধ বা খাঁটি নয়, এমন খাদ্যদ্রব্য কে বোঝায়। কিংবা উৎকৃষ্ট দ্রব্যের সাথে নিকৃষ্ট দ্রব্যের মিশ্রণকে খাদ্য ভেজাল বলা হয়। অর্থাৎ খাদ্য ভেজাল বলতে বোঝায়, যেসব খাদ্যদ্রব্য প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক উপায়ে প্রস্তুত না করে ক্ষতিকর, নিম্নমানের, অকেজো ও অস্বাস্থ্যকর জিনিস দিয়ে তৈরি করা হয়। খাদ্যের ভেজাল মেশানো যেমন এটি সামাজিক অপরাধ তেমনি একটি মানবতাবিরোধী অপরাধও বটে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মূলনীতি অর্থাৎ সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ছাড়াও বাংলাদেশের সংবিধানে আরো দুটি মূলনীতি রয়েছে। যথা- জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র। নিচে এ দুটি মূলনীতির ব্যাখ্যা করা হলো - জাতীয়তাবাদ : ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলস্তম্ভের মধ্যে অন্যতম হলো জাতীয়তাবাদ। অভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও মানসিকতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রাণধারা। এ প্রসঙ্গে সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে, ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা বিশিষ্ট যে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম অর্জন করেছে ;বাঙালির জাতির সেই ঐক্য ও সংহতিই হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে স্বতন্ত্র। আর জাতি হিসেবে নিজের দেশের জনগণের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। এই জাতীয়তাবাদ এটাই প্রমাণ করে আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। আর আমরা একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র জাতি। গণতন্ত্র: সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিগণিত হবে। এ প্রসঙ্গে সংবিধানে ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়, "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। " গণতন্ত্রের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বাংলাদেশের সকল পর্যায়ে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। ধর্ম, বর্ণ, নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সকলের কার্যকর অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা বিধানের ব্যবস্থা রাখা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে আমার দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের পুরোপুরি মিল রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানও অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। যেমন -বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্য একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়। সেই গণপরিষদ অল্প সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধান সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত রয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের সংবিধানে রয়েছে। কিন্তু এর বাইরেও বাংলাদেশের সংবিধানে আরো কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো হল -সুন্দর ও আকর্ষণীয় প্রস্তাবনা, দেশের চূড়ান্ত আইন হিসেবে সংবিধানের প্রাধান্য, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা, ন্যায়পালের পদের অবতারণা, সর্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, জনগণের সার্বভৌম নিশ্চিত করেন এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন। উদ্দীপকে উল্লিখিত এসব বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে বাংলাদেশ সংবিধান গড়ে ওঠে। সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকের সংবিধান ও বাংলাদেশের সংবিধান পুরোপুরি মিলে যায়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের তুলনামূ… | Prosthuti