শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের শেষাংশে সংবিধানের কোন সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে? উক্ত সংশোধনীর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের শেষাংশে বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে। এ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা। ১৯৯১ সালের ২ জুলাই তৎকালীন আইনমন্ত্রী মীর্জা গোলাম হাফিজ সংবিধান সংশোধন বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন। ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে উক্ত বিল সংসদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি এ বিলের ওপর গণভোট আয়োজন করলে ৮৪.৩৮% ভোট বিলের পক্ষে পড়ে। ফলে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি বিলটি অনুমোদন করেন। সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে বেশকিছু বিষয় গৃহীত হয়। জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর অংশগ্রহণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংক্ষিপ্তকরণ, রাষ্ট্রপতির অবর্তমানে স্পিকারের দায়িত্ব পালন, উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ- প্রধানমন্ত্রী পদ বিলোপ ইত্যাদি ছিল দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু। এ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভাকে প্রভূত ক্ষমতা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ফলে প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন। আইন বিভাগের নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং উপরের আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায়, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকের শেষাংশে সংবিধানের কোন সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে? উক্ত সংশোধ…

উদ্দীপক

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জনাব রাইসুল ইসলাম শ্রেণিকক্ষে আমাদের সংবিধানের সংশোধনীসমূহ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন যে, সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীতে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু ১৯৯১ সালে আবার আরেকটি সংশোধনীর মাধ্যমে উক্ত সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে বর্তমান সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। প্রকৃতপক্ষে, এ সংশোধনী ছিল জনগণের প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

Comilla · 2019

উত্তর

ন্যায়পাল হচ্ছেন সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা। তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতির সমান ক্ষমতার অধিকারী হবেন। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালের বিধান রাখা হয়েছে।

উত্তর

বিচারবিভাগের স্বাধীনতা হলো সরকারের আইন বা নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করে বিচার বিভাগকে কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতা প্রদান করা। জনগণের মৌলিক অধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান ও আইন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অত্যন্ত জরুরি। কেননা পৃথিবীতে মানুষের অধিকার আদায়ের শেষ আশ্রয়স্থল হলো আদালত। কোনো দেশের শাসন ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা বিচারের মাপকাঠি হলো সে দেশের বিচার বিভাগ কার্যসম্পাদনে কতটুকু স্বাধীন। বাংলাদেশ সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষাংশে বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে। এ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা। ১৯৯১ সালের ২ জুলাই তৎকালীন আইনমন্ত্রী মীর্জা গোলাম হাফিজ সংবিধান সংশোধন বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন। ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে উক্ত বিল সংসদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি এ বিলের ওপর গণভোট আয়োজন করলে ৮৪.৩৮% ভোট বিলের পক্ষে পড়ে। ফলে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি বিলটি অনুমোদন করেন। সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে বেশকিছু বিষয় গৃহীত হয়। জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর অংশগ্রহণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংক্ষিপ্তকরণ, রাষ্ট্রপতির অবর্তমানে স্পিকারের দায়িত্ব পালন, উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ- প্রধানমন্ত্রী পদ বিলোপ ইত্যাদি ছিল দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু। এ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভাকে প্রভূত ক্ষমতা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ফলে প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন। আইন বিভাগের নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং উপরের আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায়, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা।

উত্তর

“বর্তমান সরকার ব্যবস্থা জনগণের প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ”- উক্তিটি যথার্থ। বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ ব্যবস্থাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থাও বলা হয়। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার ব্যবস্থা এটি। এ সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে। শাসন ব্যবস্থায় সংসদের কর্তৃত্ব থাকার ফলে একে সবচেয়ে বেশি জনমুখী সরকারও বলা যায়। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় কোনো একক ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা না থাকার কারণে এ ব্যবস্থায় গণতন্ত্রের চর্চা বেশি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই দেশ পরিচালনা করেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিপরিষদ তাদের সকল কর্মকাণ্ডের জন্য সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। ফলে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকারের একনায়কতান্ত্রিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা হলো গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। সংসদ সদস্যরা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। এ সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট অর্থাৎ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন বিধায় তারা জনগণের মতামতের ওপর সবসময় শ্রদ্ধাশীল থাকেন। উপরের আলোচনায় এ কথা প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ব্যবস্থা অর্থাৎ সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা জনগণের প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।