শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'X [গণিত] -এর দেশের সংবিধানটি তোমার পঠিত কোন দেশের সংবিধানের সাথে মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত 'Z [গণিত] রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের সাথে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত 'Z [গণিত] রাষ্ট্র সদ্য স্বাধীনতা অর্জনের পর গণপরিষদের মাধ্যমে একটি লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান প্রণয়ন করে, যাতে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। সাধারণভাবে, একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র গঠনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়ন করা। এটি দেশের শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় আদর্শ নির্ধারণ করে। স্বাধীনতা-উত্তর বাস্তবতায়, গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য দ্রুত ও কার্যকরভাবে সংবিধান প্রণয়ন একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। এধরনের প্রক্রিয়ায় সাধারণত গণপরিষদ বা প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করে এবং ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়। আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় এবং ১২ অক্টোবর খসড়া উত্থাপন করে ৪ নভেম্বর তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল, যা 'X [গণিত] রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'X -এর দেশের সংবিধানটি তোমার পঠিত কোন দেশের…

উদ্দীপক

জনাব 'X′−X^{\prime}-এর দেশটি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতার পর অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল প্রণয়ন করে, যা গণপরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এ দলিলটি মূলনীতি ও মৌলিক অধিকার সংবলিত এবং দুষ্পরিবর্তনীয়।

Sylhet · 2025

উত্তর

গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের পক্ষ থেকে সংবিধান রচনার গুরুদায়িত্ব যে সাংবিধানিক কমিটির মাধ্যমে সম্পাদিত হয় তাকে গণপরিষদ বলে।

উত্তর

খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছিল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে। স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশে একটি কার্যকর, গণতান্ত্রিক ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত একটি সংবিধান প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়ে। সে লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সদস্যদের নিয়ে 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, গণমানস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনুযায়ী একটি সংবিধানের কাঠামো তৈরি করা।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত 'Z′Z^{\prime} রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের সাথে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত 'Z′Z^{\prime} রাষ্ট্র সদ্য স্বাধীনতা অর্জনের পর গণপরিষদের মাধ্যমে একটি লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান প্রণয়ন করে, যাতে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। সাধারণভাবে, একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র গঠনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়ন করা। এটি দেশের শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় আদর্শ নির্ধারণ করে। স্বাধীনতা-উত্তর বাস্তবতায়, গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য দ্রুত ও কার্যকরভাবে সংবিধান প্রণয়ন একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। এধরনের প্রক্রিয়ায় সাধারণত গণপরিষদ বা প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করে এবং ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়। আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় এবং ১২ অক্টোবর খসড়া উত্থাপন করে ৪ নভেম্বর তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল, যা 'X′X^{\prime} রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'X′−X^{\prime}-এর দেশের সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবিধানের তথা বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতিসমূহের তাৎপর্য অপরিসীম। বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। এসব নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের লক্ষ্য, দিকনির্দেশনা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ধারা নির্ধারিত হয়। উদ্দীপকে জনাব 'X!-এর দেশ স্বাধীনতার পর যে দলিল প্রণয়ন করেছে, তা বাংলাদেশের সংবিধানের মতোই মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংবলিত এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত।বাংলাদেশ সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহকে রাষ্ট্রের কর্মকান্ডের মূলমন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব নীতিকে আইন প্রণয়ন, সংবিধান ব্যাখ্যা এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। যদিও এগুলো মৌলিক অধিকারের মতো বলবৎযোগ্য নয়, তবুও এগুলোর প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। উদাহরণস্বরূপ, সংবিধানের ৪৭অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র যদি কোনো মূলনীতি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি রাষ্ট্রায়ত্ত করে, তবে তা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি হলেও অবৈধ গণ্য হবে না। এটি দেখায় যে, মূলনীতিসমূহের আইনগত মর্যাদা এবং কার্যকারিতা কতটা গভীর। এই নীতিগুলোর মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের আদর্শিক রূপরেখা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। সুতরাং বলা যায়, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ দেশের আদর্শিক ভিত্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং সেগুলো জনগণ ও সরকারের জন্য পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।