শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক সংস্থাটি "দেশ ও জাতিকে মেধাবী ও সৎ প্রশাসন উপহার দিতে পারে"- মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকের উল্লেখিত সাংবিধানিক সংস্থাটি অর্থাৎ কর্মকমিশন "দেশ ও জাতিকে মেধাবী ও সৎ প্রশাসন উপহার দিতে পারে"-বক্তব্যটি যথার্থ। কর্মকমিশন কতগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । এটি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে গণ্য হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজস্ব ধারায় ও নির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি অনুযায়ী কাজ করে থাকে। কমিশনের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। মূলত কর্ম কমিশন তার মর্যাদা ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বতন্ত্র্য ভোগ করে। কর্মকমিশন যেহেতু স্বতন্ত্র মর্যাদাসম্পন্ন একটি সাংবিধানিক সংস্থা সেহেতু কমিশনের নিরপেক্ষতা বাঞ্ছনীয়। কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ না হলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের যাচাই -বাছাই করা সম্ভব হয় না। কমিশন এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা হারালে দুর্বল প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে, যা জাতির জন্য অকল্যাণকর। তাই বাংলাদেশ সরকার কর্মকমিশনের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল নিরপেক্ষতা। গোপনীয়তা বজায় রাখা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের অন্যতম দায়িত্ব। কমিশনের সদস্যদের সততা ও দক্ষতার অভাব ঘটলে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগপ্রাপ্ত হবে। ফলের যোগ্য ব্যক্তিরা তাদের ন্যায্য অধিকার হতে বঞ্চিত হয়। তাই দক্ষ, সৎ ও মেধাবী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য সরকারি কর্মকমিশন গুরুত্ব অপরিসীম। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক সংস্থাটি "দেশ ও জাতিকে মেধাবী ও সৎ প্র…

উদ্দীপক

তাওসিফ খান প্রথিতযশা আইনজীবী। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাকে একটি সাংবিধানিক সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি সেখানে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীরর চাকরির ব্যবস্থা করে থাকেন। প্রতিবছর এরূপ নিয়োগের মাধ্যমে তিনি দেশকে মেধাবী ও সৎ প্রশাসন উপহার দিয়ে থাকেন।

Dhaka · 2023

উত্তর

ব্যক্তিস্বার্থে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করার নামই দুর্নীতি।

উত্তর

ন্যায়পাল পদের প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সংবিধানে ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ঘোষণা করা হয় যে, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। সরকারি কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য ন্যায়পাল পদের প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপেল বিভাগের একজন বিচার সমান মর্যাদা ও সুযোগ সুবিধা লাভ করবেন। তবে তিনি তার কাজের জন্য সংশোধন নিকট দায়ী থাকবেন।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তথা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের কথা বলা হয়েছে। প্রত্যেক রাষ্ট্রের সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পাদনের জন্য একটি সরকারি কর্মকমিশন বা অনুরূপ সংস্থা থাকে। বাংলাদেশেও এরূপ একটি সংস্থা রয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন নামে পরিচিত। ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কর্ম কমিশন আদেশ জারি করে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি দুটি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে এ দুটি কমিশনের পরিবর্তে একটি কমিশনের গঠিত হয়। বাংলাদেশের কর্ম কমিশন একজন সভাপতি ও কয়েকজন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত। কর্ম কমিশনের সভাপতি ও সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন । তারা নিয়োগ সংক্রান্ত বহুবিধ কার্য সম্পাদন করে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কর্মকর্তা -কর্মচারীদের নিয়োগ দান ছাড়াও বদলি, পদোন্নতি ও অন্যান্য কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট। উদ্দীপকে দেখা যায়, তাওসিফ খানকে রাষ্ট্রপতি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি সেখানে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, সব ও যোগ্য প্রার্থীর চাকরির ব্যবস্থা করেন। অতএব, নিশ্চিত ভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তথা বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লেখিত সাংবিধানিক সংস্থাটি অর্থাৎ কর্মকমিশন "দেশ ও জাতিকে মেধাবী ও সৎ প্রশাসন উপহার দিতে পারে"-বক্তব্যটি যথার্থ। কর্মকমিশন কতগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । এটি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে গণ্য হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজস্ব ধারায় ও নির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি অনুযায়ী কাজ করে থাকে। কমিশনের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। মূলত কর্ম কমিশন তার মর্যাদা ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বতন্ত্র্য ভোগ করে। কর্মকমিশন যেহেতু স্বতন্ত্র মর্যাদাসম্পন্ন একটি সাংবিধানিক সংস্থা সেহেতু কমিশনের নিরপেক্ষতা বাঞ্ছনীয়। কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ না হলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের যাচাই -বাছাই করা সম্ভব হয় না। কমিশন এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা হারালে দুর্বল প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে, যা জাতির জন্য অকল্যাণকর। তাই বাংলাদেশ সরকার কর্মকমিশনের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল নিরপেক্ষতা। গোপনীয়তা বজায় রাখা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের অন্যতম দায়িত্ব। কমিশনের সদস্যদের সততা ও দক্ষতার অভাব ঘটলে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগপ্রাপ্ত হবে। ফলের যোগ্য ব্যক্তিরা তাদের ন্যায্য অধিকার হতে বঞ্চিত হয়। তাই দক্ষ, সৎ ও মেধাবী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য সরকারি কর্মকমিশন গুরুত্ব অপরিসীম। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।