শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে কোন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? উক্ত প্রতিষ্ঠানের গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সরকারি কর্মকমিশন কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, এটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ্য রয়েছে। এ সংস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রশাসনিক কার্যাদি নির্বাহের জন্য ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগ দান করে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রপতি কে পরামর্শ দান করে থাকে। উদ্দীপকে যে তিনটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে তা প্রশ্নচিহ্নিত (?) স্থানে সাংবিধানিক সংস্থা সরকারি কর্মকমিশনকে ইঙ্গিত করেছে। কেননা, এসব বৈশিষ্ট্য সরকারি কর্মকমিশনেরই রয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সভাপতিসহ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হবে। কমিশনের সভাপতি ও অন্য সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন। রাষ্ট্রপতি ৫৭ নং আদেশবলে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য সংখ্যা সভাপতি সহ অন্যূন ৬ জন বা অনূর্ধ্ব ১৫ জন নির্ধারিত হবে। তবে কমিশনের সদস্যদের অর্ধেক এমন ব্যক্তি হবেন যারা কমপক্ষে ২০ বছর সরকারের কর্মে নিয়োজিত ছিলন। বর্তমান বাংলাদেশ কর্ম কমিশন ১ জন সভাপতি ও ১১ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এছাড়া কমিশনকে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৩০০ জন কর্মকর্তা - কর্মচারী রয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের প্রধান অফিস ঢাকায় অবস্থিত। প্রধান অফিস ছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহীতে এর আঞ্চলিক অফিস বিদ্যমান রয়েছে। আর বাংলাদেশ সংবিধানে ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি বা অন্যকোনো সদস্য তার দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া মধ্যে যা আগে ঘটে সে সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন ।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে কোন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়ে…

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2023

উত্তর

বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।

উত্তর

সংবিধানে বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধি-বিধানের অনুসারে যে প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, তাকে সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে। এসব প্রতিষ্ঠানের গঠন, ক্ষমতা, পদের যোগ্যতা, মেয়াদ, কার্যাবলী ইত্যাদি বিষয়ের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। সরকারি কর্মকমিশন, নির্বাচন কমিশন, এটর্নি জেনারেল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় প্রভৃতি হলো বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সরকারি কর্মকমিশন কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, এটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ্য রয়েছে। এ সংস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রশাসনিক কার্যাদি নির্বাহের জন্য ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগ দান করে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রপতি কে পরামর্শ দান করে থাকে। উদ্দীপকে যে তিনটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে তা প্রশ্নচিহ্নিত (?) স্থানে সাংবিধানিক সংস্থা সরকারি কর্মকমিশনকে ইঙ্গিত করেছে। কেননা, এসব বৈশিষ্ট্য সরকারি কর্মকমিশনেরই রয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সভাপতিসহ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হবে। কমিশনের সভাপতি ও অন্য সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন। রাষ্ট্রপতি ৫৭ নং আদেশবলে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য সংখ্যা সভাপতি সহ অন্যূন ৬ জন বা অনূর্ধ্ব ১৫ জন নির্ধারিত হবে। তবে কমিশনের সদস্যদের অর্ধেক এমন ব্যক্তি হবেন যারা কমপক্ষে ২০ বছর সরকারের কর্মে নিয়োজিত ছিলন। বর্তমান বাংলাদেশ কর্ম কমিশন ১ জন সভাপতি ও ১১ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এছাড়া কমিশনকে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৩০০ জন কর্মকর্তা - কর্মচারী রয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের প্রধান অফিস ঢাকায় অবস্থিত। প্রধান অফিস ছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহীতে এর আঞ্চলিক অফিস বিদ্যমান রয়েছে। আর বাংলাদেশ সংবিধানে ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি বা অন্যকোনো সদস্য তার দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া মধ্যে যা আগে ঘটে সে সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন ।

উত্তর

উক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সামগ্রিক কার্যাবলী অত্যন্ত বিস্তৃত এবং এর উপরে রাষ্ট্রের উন্নয়ন নির্ভরশীল। সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের গঠিত। আর বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪০ ও ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলীর বর্ণনা করা হয়েছে। উদ্দীপকে যে তিনটি বিষয়কে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো প্রশ্ন চিহ্নিত '?' স্থানে সরকারি কর্মকমিশনকে নির্দেশ করছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ দানের জন্য সরকারি কর্মকমিশন উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা পরিচালনা করে। আর কর্মকমিশন এই কাজ নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির আলোকে সম্পাদিত করে। যেমন - ১. প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা, ২. লিখিত পরীক্ষা, ৩. মৌখিক পরীক্ষা, ৪. ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ৫. পুলিশ তদন্ত। এ পদ্ধতিগুলো সদযোগ্য ও মেধাবীব প্রার্থী বাছাই করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ১৯৮১ সালের সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধি অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে । সুতরাং, এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের দেশ ও জাতিকে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী প্রশাসন উপহার দিতে পারে এবং সৎ মেধাবী ও যোগ্য প্রশাসন নিয়োগে কর্ম কমিশনের ভূমিকাই মুখ্য।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।