শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে তোমার পঠিত কোন সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে। সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার দর্পণস্বরূপ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা লাভের মাত্র এক বছরের মধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মূল দলিল হিসেবে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত এ সংবিধানটি রচনার ক্ষেত্রে বাঙালিকে অনেক মেধা, পরিশ্রম এবং সময় দিতে হয়েছে। তাই এর সংবিধানটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সংবিধান হিসেবে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য মহিমান্বিত। উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি রাষ্ট্র স্বাধীন হওয়ার পর লিপিবদ্ধ দলিলে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার, এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সমূহ উল্লেখ রয়েছে। দলিলটি সংশোধন করতে হলে সংসদ সদস্যের দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় । এসব তথ্যগুলো ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । কেননা বাংলাদেশ সংবিধানটিও একটি লিখিত দলিল। এ সংবিধানে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ, ১১ টি ভাগ,, ১ টি প্রস্তাবনা ও ৪ টি তফসিল রয়েছে । এ সংবিধানটি দুষ্পরিবর্তনীয়। সংবিধানের কোনো বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়। এ সংবিধানেও সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। উদ্দীপকের রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ করা হয়েছে। এ মূলনীতিগুলো হল জাতীয়তাবাদ , সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। এসব মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সুতরাং উপরীউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লেখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে আমার প্রতি তো বাংলাদেশ সংবিধানের মিল রয়েছে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে তোমার পঠিত কোন সংবিধানে…

উদ্দীপক

একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজন কিছু নিয়মকানুন, যা একটি মৌলিক দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে। একটি রাষ্ট্র স্বাধীন হওয়ার পর লিপিবদ্ধ দলিলটিতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার এককক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ রয়েছে । দলিলটি সংশোধন করতে হলে সংসদ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটের প্রয়োজন হয়।

Sylhet · 2023

উত্তর

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫৩ টি।

উত্তর

মৌলিক অধিকার বলতে রাষ্ট্রপ্রদত্ত সেই সকল সুযোগ সুবিধা বোঝায়, যা নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য, যা সংবিধানে সন্নিবেশিত থাকে এবং যা সরকার লঙ্ঘন করতে পারে না। মৌলিক অধিকার ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষাকবচ এবং নাগরিকের প্রতিভা বিকাশের অন্যতম পূর্ব শর্ত।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে। সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার দর্পণস্বরূপ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা লাভের মাত্র এক বছরের মধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মূল দলিল হিসেবে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত এ সংবিধানটি রচনার ক্ষেত্রে বাঙালিকে অনেক মেধা, পরিশ্রম এবং সময় দিতে হয়েছে। তাই এর সংবিধানটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সংবিধান হিসেবে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য মহিমান্বিত। উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি রাষ্ট্র স্বাধীন হওয়ার পর লিপিবদ্ধ দলিলে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার, এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সমূহ উল্লেখ রয়েছে। দলিলটি সংশোধন করতে হলে সংসদ সদস্যের দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় । এসব তথ্যগুলো ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । কেননা বাংলাদেশ সংবিধানটিও একটি লিখিত দলিল। এ সংবিধানে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ, ১১ টি ভাগ,, ১ টি প্রস্তাবনা ও ৪ টি তফসিল রয়েছে । এ সংবিধানটি দুষ্পরিবর্তনীয়। সংবিধানের কোনো বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়। এ সংবিধানেও সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। উদ্দীপকের রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ করা হয়েছে। এ মূলনীতিগুলো হল জাতীয়তাবাদ , সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। এসব মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সুতরাং উপরীউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লেখিত রাষ্ট্রটির সংবিধানের সাথে আমার প্রতি তো বাংলাদেশ সংবিধানের মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটি তথা বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালনা মূলনীত সমূহের তাৎপর্য অপরিসীম। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো যে কোন দেশের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধানবলীর মধ্যে অন্যতম। এসব মূলনীতির ভিত্তিতেই সকল কিছু পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে। ১৯৭২ সালে রচিত বাংলাদেশ সংবিধানের চারটি মূলনীতি সংযোজিত হয়। এ চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতি থেকে বাঙালি জাতিসত্ত্বা সম্পূর্ণ পৃথক। এদেশের অভ্যন্তরে সকল উপজাতি সমূহের স্বীকৃতির সারাংশ হচ্ছে জাতীয়তাবাদ। শোষণমুক্ত অর্থব্যবস্থার প্রতিনিধিত্বশীল অংশ সমাজতন্ত্র। একইভাবে গণতন্ত্রের বিভিন্ন পর্যায়ে, নির্বাচন, রাজনৈতিক অধিকার মানবাধিকার প্রভৃতি অনুচ্ছেদের শিরোনাম হিসেবে মৌলিক নীতিতে আছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। আবার ধর্মের ক্ষেত্রেও অসাম্প্রদায়িক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতি। রাষ্ট্রীয় জীবনে এসব মূলনীতির গুরুত্ব অপরিসীম। এই মূলনীতি গুলোই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলসূত্র হিসেবে কাজ করে। যেকোনো আইন প্রণয়নের সময় রাষ্ট্র এগুলো প্রয়োগ করে থাকে। সুতরাং উপরিয়ক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত রাষ্ট্রটি অর্থাৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সমূহের তাৎপর্য অপরিসীম।
HSCCivics 2nd PaperChapter 4 : বাংলাদেশের সংবিধান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?
খ
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

Barisal · 2017

ক
মৌলিক অধিকার কী?
খ
দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৌলিক অধিকার কী?

মৌলিক অধিকার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব রশিদ একটি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব নেবার পর তিনি সংগঠনটি পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেন। সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও অন্যান্য সংগঠনের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। নীতিমালায় সদস্যদের অধিকার ও কর্তব্য, সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে নীতিমালাটি বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

Sylhet · 2017

ক
স্থানীয় শাসন কাকে বলে?
খ
মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মনিরপেক্ষতার তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত '?' চিহ্নিত স্থানে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েস্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন?প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ করোউদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।দুম্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?মৌলিক অধিকার কী?"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত নীতিমালার সাথে বাংলাদেশ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিগত মিল কোথায়?মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?স্থানীয় শাসন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।