শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতে ঐতিহাসিক বক্তাভঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড কার্জনের শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ করা হয়। এ ঘটনার পেছনে যে কারণগুলো নিহিত ছিল উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলটি ভাগের ক্ষেত্রেও সেগুলো লক্ষণীয়। 'ক' অঞ্চলটি মূলত প্রশাসনিক সুবিধার্থে ভাগ করা হয়। তবে এর পেছনে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণও বিদ্যমান ছিল, যা বঙ্গভঙ্গের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। ১৯০৫ সালের পূর্বে ব্রিটিশ ভারতে অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশই ছিল সবচেয়ে বড় প্রদেশ। এর আয়তন ছিল প্রায় ১ লক্ষ ৮৯ হাজার বর্গমাইল। একজন গভর্নরের পক্ষে এত বড় প্রদেশের শাসনকার্য পরিচালনা করা ছিল কষ্টকর। তাই প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য বঙ্গভঙ্গ করা হয়। এছাড়া বাংলা প্রদেশের পুরো অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড রাজধানী কলকাতাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হতো। এতে পূর্ববঙ্গের জনগণ বঞ্চিত হয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়ে। তাই মুসলমানদের বঙ্গভঙ্গের দাবি পূরণ এবং কলকাতাকেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য লর্ড কার্জন বক্তাভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেন। তাছাড়া ব্রিটিশ আমলে মুসলমান সম্প্রদায় চরমভাবে শোষিত ও বঞ্চিত হয়। এসব কারণে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করা হয়েছিল। এ আলোচনায় যে বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হলো প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণেই ১৯০৫ সালে বাংলাকে বিভক্ত করা হয়েছিল, যা 'ক' অঞ্চল বিভক্তিকরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যা…

উদ্দীপক

প্রশাসনিক সুবিধার্থে 'ক' অঞ্চলটিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। অবশ্য এর পিছনে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণও বিদ্যমান ছিল।

Dinajpur · 2017

উত্তর

১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠিত হয়।

উত্তর

বাংলার হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সম্পাদিত একটি চুক্তি হলো বেঙ্গল প্যাক্ট। ব্রিটিশ শাসনের অধীনে বাংলার ৬০ ভাগ জনগণ মুসলমান হলেও তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে অসাম্প্রদায়িক ও উদার মানসিকতার অধিকারী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ বেঙ্গাল প্যাক্ট এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী, স্যার আব্দুল করিমসহ অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে ১৯২৩ সালে বেজাল প্যাক্ট সম্পাদিত হয়। অচিরেই এ চুক্তি সি আর দাশ ফর্মুলা নামে খ্যাতি লাভ করে। রাজনীতি, ধর্ম, কর্ম ইত্যাদি ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমান উভয়ের স্বার্থ রক্ষা ও অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল বেঙ্গল প্যাক্টের মূলকথা।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতে ঐতিহাসিক বক্তাভঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড কার্জনের শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ করা হয়। এ ঘটনার পেছনে যে কারণগুলো নিহিত ছিল উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলটি ভাগের ক্ষেত্রেও সেগুলো লক্ষণীয়। 'ক' অঞ্চলটি মূলত প্রশাসনিক সুবিধার্থে ভাগ করা হয়। তবে এর পেছনে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণও বিদ্যমান ছিল, যা বঙ্গভঙ্গের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। ১৯০৫ সালের পূর্বে ব্রিটিশ ভারতে অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশই ছিল সবচেয়ে বড় প্রদেশ। এর আয়তন ছিল প্রায় ১ লক্ষ ৮৯ হাজার বর্গমাইল। একজন গভর্নরের পক্ষে এত বড় প্রদেশের শাসনকার্য পরিচালনা করা ছিল কষ্টকর। তাই প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য বঙ্গভঙ্গ করা হয়। এছাড়া বাংলা প্রদেশের পুরো অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড রাজধানী কলকাতাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হতো। এতে পূর্ববঙ্গের জনগণ বঞ্চিত হয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়ে। তাই মুসলমানদের বঙ্গভঙ্গের দাবি পূরণ এবং কলকাতাকেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য লর্ড কার্জন বক্তাভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেন। তাছাড়া ব্রিটিশ আমলে মুসলমান সম্প্রদায় চরমভাবে শোষিত ও বঞ্চিত হয়। এসব কারণে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করা হয়েছিল। এ আলোচনায় যে বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হলো প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণেই ১৯০৫ সালে বাংলাকে বিভক্ত করা হয়েছিল, যা 'ক' অঞ্চল বিভক্তিকরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্কা সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে। বঙ্গভঙ্গের ফলে উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। হিন্দু সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে বাঙালি জাতির বিকাশমান সংহতি ও চেতনার ওপর আঘাত বলে বর্ণনা করে। আর মুসলমানরা মনে করে বঙ্গভঙ্গের ফলে তাদের স্বার্থরক্ষা হবে। বক্তাভঙ্গের ফলে বাংলার মুসলমানরা তাদের সকল অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায় উজ্জীবিত হয়। পূর্ব বাংলা নামক নতুন প্রদেশ হওয়ায় ঢাকাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। তবে হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের অর্থনৈতিক জীবনব্যবস্থা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। দুই সম্প্রদায়ের ওপর বঙ্গভঙ্গের এই বিপরীতধর্মী প্রভাবের ফলে সাম্প্রদায়িক চেতনার বিষবৃক্ষ রোপিত হয়। হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গ রদের জন্য তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। তাদের বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনকে মোকাবিলা করা জন্য মুসলমানরা 'মুসলিম লীগ' নামক রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলে। আপাতদৃষ্টিতে, বঙ্গভঙ্গ মুসলিম স্বার্থের অনুকূলে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এর দ্বারা ব্রিটিশদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হয়। কারণ এতে তাদের 'ভাগ কর শাসন কর' নীতির বিজয় হয়। বঙ্গভঙ্গের ফলে ব্রিটিশ সরকার কৌশলে কলকাতাকেন্দ্রিক সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নস্যাৎ করার সুযোগ লাভ করে। এছাড়া বঙ্গভঙ্গের কারণে ভারতীয় রাজনীতিতে উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিস্তার ঘটে। পরিশেষে বলা যায়, বক্তাভঙ্গের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু আধিপত্যের অবসান ঘটে এবং মুসলমানদের উন্নয়নের পথ প্রসারিত হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।