শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অর্থাৎ ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন কার্যকারিতার দিক দিয়ে ব্যর্থ হলেও ভারতের সাংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ধাপে ধাপে ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। কেননা, এ আইনে গভর্নর জেনারেল ও প্রাদেশিক গভর্নরদের ক্ষমতা ছিল অপ্রতিহত। প্রাদেশিক সরকারের প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে দুটি সংস্থায় বা দুভাগে বিভক্ত করায় সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে প্রহসনে পরিণত হয়। যেকোনো দেশে দলব্যবস্থা সংসদীয় ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশর্ত। কিন্তু প্রদেশে দ্বৈত শাসন কার্যকর করার সময় এরূপ দলব্যবস্থা ছিল না। মন্ত্রীগণ যৌথভাবে নিযুক্ত না হয়ে ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত হন এবং সরকারি সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল থাকতেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বণ্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার স্বন্দ্ব, সাম্প্রদায়িক। বিদ্বেষ প্রভৃতি কারণে ১৯১৯ সালের আইনটি কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। আইনটি দ্বারা কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হয়নি। তাই এ আইন ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ভারতের রাজনৈতিক দলসমূহ এ আইনকে অসম্পূর্ণ, অসন্তোষজনক ও নৈরাশ্যজনক বলে ঘোষণা করে এবং প্রত্যাখ্যান করে। স্বায়ত্তশাসন ও দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হওয়ায় এবং কংগ্রেসের আন্দোলনের ফলে জনগণ শীঘ্রই ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বিরোধিতা শুরু করে। তবে সাংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে এ আইনকে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলা যায়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

ক' রাষ্ট্রের প্রদেশগুলোতে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দু'ভাগ করে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয় নামে নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। সংরক্ষিত বিষয়গুলো গভর্নর তার হাতে রাখেন।

Rajshahi · 2017

উত্তর

ব্রিটিশ ভারতের সাংবিধানিক সংস্কার সাধনের লক্ষ্যে ভারত সচিব জন মর্লে ও গভর্নর জেনারেল লর্ড মিন্টোর উদ্যোগে ১৯০৯ সালে যে সংস্কার আইন পাস করা হয়, তাই মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন নামে পরিচিত।

উত্তর

ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের দাবি জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবনাই হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সম্মেলনে শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। বস্তুতপক্ষে, ভারতের মুসলিম লীগ এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আদর্শগত পার্থক্যের ফল ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব। এ প্রস্তাবকে কখনও কখনও 'পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

উত্তর

'ক' রাষ্ট্রের প্রদেশে প্রবর্তিত ব্যবস্থার সাথে আমার পঠিত ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য প্রদেশে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাদৃশ্য রয়েছে। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা ব্রিটিশ ভারতীয় প্রদেশসমূহে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়। এটি ভারতের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। সাধারণত দ্বৈতশাসন বলতে কোনো প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিকে বোঝায়। এরূপ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিষয়সমূহকে দু'ভাগে বিভক্ত করা হয় এবং তা পরিচালনার জন্য দুই ধরনের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা প্রদেশগুলোতে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়েছিল। প্রাদেশিক সরকারের প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে 'সংরক্ষিত' ও 'হস্তান্তরিত' এই দু'ভাগে বিভক্ত করা হয়। বিচার বিভাগ ভূমিরাজস্ব, পুলিশ, জেল, ভূমির উন্নয়ন ও কৃষিঋণ, ত্রাণ, সেচ, সংবাদপত্র ও প্রকাশনা নিয়ন্ত্রণ, বনজশিল্প, বিমাশিল্প, গৃহ নির্মাণ, ঋণদান, শ্রমিক সমস্যার সমাধান, খাল খনন, বাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি সংরক্ষিত বিষয় পরিচালনার দায়িত্ব গভর্নর ও তার কার্যনির্বাহী পরিষদের ওপর ন্যস্ত হয়। অপরদিকে কৃষি, শিক্ষা, সমবায়, মৎস্য, স্থানীয় সরকার, জনস্বাস্থ্য, জনকল্যাণমূলক কাজ প্রভৃতি হস্তান্তরিত বিষয় পরিচালনার ভার গভর্নর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত হয়। প্রাদেশিক গভর্নর হস্তান্তরিত বিষয় পরিচালনার ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার উপদেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হতেন। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের প্রদেশগুলোতে আমরা দেখতে পাই, প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দু'ভাগে ভাগ করে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয় নামে নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে এবং সংরক্ষিত বিষয়সমূহ গভর্নর তার হাতে রাখেন। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের রাষ্ট্রের আইন আমার পঠিত ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অর্থাৎ ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন কার্যকারিতার দিক দিয়ে ব্যর্থ হলেও ভারতের সাংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ধাপে ধাপে ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। কেননা, এ আইনে গভর্নর জেনারেল ও প্রাদেশিক গভর্নরদের ক্ষমতা ছিল অপ্রতিহত। প্রাদেশিক সরকারের প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে দুটি সংস্থায় বা দুভাগে বিভক্ত করায় সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে প্রহসনে পরিণত হয়। যেকোনো দেশে দলব্যবস্থা সংসদীয় ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশর্ত। কিন্তু প্রদেশে দ্বৈত শাসন কার্যকর করার সময় এরূপ দলব্যবস্থা ছিল না। মন্ত্রীগণ যৌথভাবে নিযুক্ত না হয়ে ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত হন এবং সরকারি সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল থাকতেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বণ্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার স্বন্দ্ব, সাম্প্রদায়িক। বিদ্বেষ প্রভৃতি কারণে ১৯১৯ সালের আইনটি কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। আইনটি দ্বারা কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হয়নি। তাই এ আইন ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ভারতের রাজনৈতিক দলসমূহ এ আইনকে অসম্পূর্ণ, অসন্তোষজনক ও নৈরাশ্যজনক বলে ঘোষণা করে এবং প্রত্যাখ্যান করে। স্বায়ত্তশাসন ও দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হওয়ায় এবং কংগ্রেসের আন্দোলনের ফলে জনগণ শীঘ্রই ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বিরোধিতা শুরু করে। তবে সাংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে এ আইনকে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলা যায়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।