শেয়ারFacebookWhatsApp

ভারতবর্ষের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে উক্ত ঘটনার পরিণতি। বিশ্লেষণ করো

উত্তর: ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পরিণতি ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সাধারণত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যগুলো পাকিস্তানের এবং হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যগুলো ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে করে দুটি রাষ্ট্র নানান সমস্যার সম্মুদীন হয়। পাকিস্তান দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে একটি পূর্ব পাকিস্তান, অন্যটি পশ্চিম পাকিস্তান নামে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের দ্বারা নানাভাবে বিশেষ করে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নিগৃহীত ও শোষিত হতে থাকে। ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের লাহোর প্রস্তাবের ভিভিতে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এর মূল প্রস্তাবই ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই মুসলিম লীগ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এড়িয়ে যায় এবং ব্যাপক সামরিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি করে। এভাবে লাহোর প্রস্তাবকে এড়িয়ে যাওয়া এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলের। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার জন্য স্বতন্ত্র ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ব্যবস্থা না করায় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা বস্তুত সমস্যা সৃষ্টি করেছে, সমাধান দিতে পারেনি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস তার উজ্জ্বল প্রমাণ। ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষের স্বাধীনতা বিনা রক্তপাতে সম্ভব হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় এক সাগর রক্তের বিনিময়ে। যদিও পাকিস্তান সৃষ্টির সময়ই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন স্বীকৃতি ছিল, তথাপি অনেকেই মনে করেন, ভারতবর্ষের স্বাধীনতা তথা পাকিস্তানের অভ্যুদয়ের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত। পরিশেষে বলা যায় যে, ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পরিণতিই হলো আজকের বাংলাদেশ। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি তাদের স্বাধীনতা লাভ করে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

ভারতবর্ষের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে উক্ত ঘটনার পরিণতি। বিশ্লেষণ করো

উদ্দীপক

দক্ষিণ আফ্রিকা এমন একটি দেশ যেখানে বিদেশি শাসক দীর্ঘদিন শাসন করেছে। নেলসন ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে সেখানকার কৃষ্ণাল জনগণ স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘকাল সংগ্রাম করে। অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাধীনতা লাভ করেছে।

Jessore · 2017

উত্তর

১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ গঠন করা হয়েছিল।

উত্তর

১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনে ভারতের প্রদেশগুলোতে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়। এতে বলা হয়, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে প্রদেশগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তারা তাদের কাজের জন্য প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়ী থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং এর অনুগত প্রাদেশিক গভর্নর প্রদেশে কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। তা সত্ত্বেও প্রাদেশিক গভর্নর প্রাদেশিক সরকারের কাজের ওপর নানাভাবে হস্তক্ষেপ করতে থাকেন। এর ফলে প্রাদেশিক শাসন অনেকটা প্রহসনে পরিণত হয়। তাই বলা যায় যে, ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারতীয় প্রাদেশিক শাসন ছিল অনেকটা নামমাত্র ও অর্থহীন।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে আমার পঠিত ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাদৃশ্য রয়েছে। ভারতবর্ষ দীর্ঘদিন বিদেশি শাসন অর্থাৎ ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল। কিন্তু ভারতবর্ষের জনগণ নিরবে এ পরাধীনতাকে মেনে নেয়নি। দীর্ঘদিন সংগ্রাম চালিয়ে একসময় তারা স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে ভারতবর্ষের মানুষ তাদের স্বাধীনতা হারায়। ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি নানা কূটকৌশল ও বল প্রয়োগের মাধ্যমে এ উপমহাদেশে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তারা কালক্রমে পুরো ভারতবর্ষের শাসনব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ভারতবর্ষের জনগণ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যায়। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম মাইলফলক। ব্রিটিশ শাসকেরা 'ভাগ কর এবং শাসন কর' এ কৌশল অবলম্বন করে প্রায় দু'শ বছর ভারতবর্ষ শাসন করে। ধীরে ধীরে ভারতবর্ষে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ ঘটে এবং তারা স্বাধীনতার দাবিতে সংগঠিত হতে থাকে। উপমহাদেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহের, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক প্রমুখ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ভূমিকা পালন করেন। তাদের আন্দোলনের মুখে ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৭ সালে ভারতীয়দের স্বাধীনতা প্রদান করে। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, দক্ষিণ আফ্রিকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বিদেশি শাসক শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যায় একাধিক নেতৃবৃন্দ না থাকলেও নেলসন ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে সেখানকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণ দীর্ঘকাল সংগ্রাম করে তাদের স্বাধীনতা লাভ করেছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের এ ঘটনাটি অনেকটা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পরিণতি ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সাধারণত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যগুলো পাকিস্তানের এবং হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যগুলো ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে করে দুটি রাষ্ট্র নানান সমস্যার সম্মুদীন হয়। পাকিস্তান দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে একটি পূর্ব পাকিস্তান, অন্যটি পশ্চিম পাকিস্তান নামে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের দ্বারা নানাভাবে বিশেষ করে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নিগৃহীত ও শোষিত হতে থাকে। ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের লাহোর প্রস্তাবের ভিভিতে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এর মূল প্রস্তাবই ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই মুসলিম লীগ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এড়িয়ে যায় এবং ব্যাপক সামরিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি করে। এভাবে লাহোর প্রস্তাবকে এড়িয়ে যাওয়া এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলের। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার জন্য স্বতন্ত্র ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ব্যবস্থা না করায় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা বস্তুত সমস্যা সৃষ্টি করেছে, সমাধান দিতে পারেনি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস তার উজ্জ্বল প্রমাণ। ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষের স্বাধীনতা বিনা রক্তপাতে সম্ভব হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় এক সাগর রক্তের বিনিময়ে। যদিও পাকিস্তান সৃষ্টির সময়ই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন স্বীকৃতি ছিল, তথাপি অনেকেই মনে করেন, ভারতবর্ষের স্বাধীনতা তথা পাকিস্তানের অভ্যুদয়ের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত। পরিশেষে বলা যায় যে, ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পরিণতিই হলো আজকের বাংলাদেশ। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি তাদের স্বাধীনতা লাভ করে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।