শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে যে আইনের কথা বলা হয়েছে তার অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে । কেননা, ইঙ্গিতপূর্ণ ধারাগুলো অর্থাৎ সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা ও প্রাদেশিক স্বায়ওশাসন ছিল।। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সংযোজন যা অন্যান্য আইন থেকে এই আইনকে পৃথক করে। আর তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, '?'চিহ্নিত আইনটি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন। উদ্দীপকে উল্লেখিত ভারত শাসন আইনের এই তিনটি বৈশিষ্ট্য ছাড়াও ভারত শাসন আইনের অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ - ১. শাসনসংক্রান্ত বিষয়ের বিভক্তিকরন: ১৯৩৫ সালের আইনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো শাসন সংক্রান্ত বিষয়সমূহকে তিন ভাগে বিভক্ত করা। এগুলো ছিল - ১. কেন্দ্রীয় তালিকা, ২. প্রাদেশিক তালিকা ও ৩. যুগ্ম তালিকা। ২.যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত: এ আইন দ্বারা সর্বপ্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ আদালত সংবিধানের ব্যাখ্যাদান, কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যাকর বিবাদ মীমাংসা করতে পারত। ৩. কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন: ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেন্দ্রে দৈত্যশাসন প্রবর্তিত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয় সমূহ কে সংরক্ষিত এবং হস্তান্তরিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র, ধর্মীয় ইত্যাদি বিষয় সংরক্ষিত ছিল, গর্ভনর জেনারেল তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে এসব নিয়ন্ত্রণ করতেন। অপরদিকে, হস্তান্তরিত বিষয়ের মধ্যে ছিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন শৃঙ্খলা ইত্যাদি যা গর্ভনর জেনারেল মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালনা করতেন।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে যে আইনের কথা বলা হয়েছে তার অন্য তিনটি …

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

উত্তর

১৯৫৬ সালে সংবিধানের বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়।

উত্তর

খেলাফত আন্দোলনের ব্যর্থতার ফলে হিন্দু -মুসলমান সম্প্রীতি বিনষ্ট হবার উপক্রম হলে এ. কে ফজলুল হক, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আকরাম খান, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, মৌঃমুজিবুর রহমান প্রমুখ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সাম্যবাদী নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেন এবং হিন্দু- মুসলমানদের দাবি-দাওয়ার প্রশ্নে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন। এ চুক্তি ঐতিহাসিক বেঙ্গল প্যাক্ট নামে খ্যাত।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে । কেননা, ইঙ্গিতপূর্ণ ধারাগুলো অর্থাৎ সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা ও প্রাদেশিক স্বায়ওশাসন ছিল।। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সংযোজন যা অন্যান্য আইন থেকে এই আইনকে পৃথক করে। আর তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, '?'চিহ্নিত আইনটি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন। উদ্দীপকে উল্লেখিত ভারত শাসন আইনের এই তিনটি বৈশিষ্ট্য ছাড়াও ভারত শাসন আইনের অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ - ১. শাসনসংক্রান্ত বিষয়ের বিভক্তিকরন: ১৯৩৫ সালের আইনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো শাসন সংক্রান্ত বিষয়সমূহকে তিন ভাগে বিভক্ত করা। এগুলো ছিল - ১. কেন্দ্রীয় তালিকা, ২. প্রাদেশিক তালিকা ও ৩. যুগ্ম তালিকা। ২.যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত: এ আইন দ্বারা সর্বপ্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ আদালত সংবিধানের ব্যাখ্যাদান, কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যাকর বিবাদ মীমাংসা করতে পারত। ৩. কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন: ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেন্দ্রে দৈত্যশাসন প্রবর্তিত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয় সমূহ কে সংরক্ষিত এবং হস্তান্তরিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র, ধর্মীয় ইত্যাদি বিষয় সংরক্ষিত ছিল, গর্ভনর জেনারেল তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে এসব নিয়ন্ত্রণ করতেন। অপরদিকে, হস্তান্তরিত বিষয়ের মধ্যে ছিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন শৃঙ্খলা ইত্যাদি যা গর্ভনর জেনারেল মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালনা করতেন।

উত্তর

উক্ত আইনে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ কর। উওর: উক্ত ভারত শাসন আইন অর্থাৎ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এর অর্থ প্রদেশে স্বশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবমুক্ত থেকে প্রদেশের তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর ওপর প্রাদেশিক সরকারের স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাদেশিক শাসনের ওপর কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করবে না। প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য যৌথভাবে প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়ী থাকবে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হলেও বাস্তবে তার কার্যকারিতা লক্ষ্য করা যায়নি। কারণ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বগতই ছিল,বাস্তবে নয়। এ আইনের অধীনে গর্ভনর জেনারেল ছিলেন প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী এবং মহাপরাক্রমশালী শাসক প্রধান। মূলত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ছিল অকার্যকর ও অর্থহীন। পরিশেষে বলা যায়, কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকা সত্বেও গর্ভনর জেনারেল, গর্ভনর এবং ভারত সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপ এর ফলে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।