শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের ভৌগোলিক বিভাজন তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন ঘটনাকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলটির ভৌগলিক বিভাজন আমার পাঠ্য বইয়ের ঐতিহাসিক বঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে ইঙ্গিত করে। অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশটি ব্রিটিশ ভারতের সবচেয়ে বড় প্রদেশ ছিল। এতে হিন্দু মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল। অন্যদিকে, ব্রিটিশরা ভাগ কর এবং শাসন কর নীতিতে এই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে তাদের শাসন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিকভাবে স্বাধীনতা লাভ ও বিদেশী শক্তিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও এ অঞ্চলের অধিবাসীরা ইংরেজদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছিল না। কংগ্রেসের মাধ্যমে করে তোলা জাতীয়তাবাদকে নস্যাৎ করার উদ্দেশ্য রাজনৈতিকভাবে ভৌগলিক কারণ দেখিয়ে বঙ্গভঙ্গ করা হয় এমন ভাবে যেন আন্তদলীয় সংঘাত ও বিভেদ বৃদ্ধি পায়। বাস্তবিকভাবেই হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট হয় এবং জাতীয়তাবাদ বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মুসলিম লীগের জন্ম লাভ ঘটে। আর মুসলিম লীগের মাধ্যমে পরবর্তীতে ধর্মভিত্তিক স্বাধীন রাষ্ট্র পাকিস্তানের আবির্ভাব ঘটে। উদ্দীপকেও এ ঘটনা সুস্পষ্ট প্রতিরূপ রয়েছে। 'ক' অঞ্চলে বিদেশি শক্তির ঐক্যবদ্ধ চেতনা নষ্ট করার উদ্দেশ্য জাতিগত বিভেদের সংঘাত সৃষ্টি ও ভৌগোলিকভাবে বিভক্তিকরন আদতে ১৯০৫ সালের ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গের ইঙ্গিত করেছে। আর তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি হল বঙ্গভঙ্গ।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের ভৌগোলিক বিভাজন তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন ঘটনাকে ই…

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলটি দীর্ঘদিন বিদেশি শক্তি দ্বারা শাসিত হয়ে আসছে। এ অঞ্চলের প্রধান দুটি সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধভাবে বিদেশি শক্তিকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করে আসছিল। বিদেশী শক্তি এই ঐক্যবদ্ধ চেতনাকে নষ্ট করার জন্য 'ক' অঞ্চলটিকে ভৌগলিকভাবে এমনভাবে ভাগ করে যাতে সম্প্রদায় দুটি পরস্পরের সাথে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে এবং দলটি পরবর্তীতে একটি স্বাধীন ধর্ম রাষ্ট্র গঠন ভূমিকা পালন করে।

Dinajpur · 2023

উত্তর

সিপাহী বিদ্রোহ ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটায়।

উত্তর

১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস জনসাধারণকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। কিন্তু সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দলটি নিরপেক্ষ আচরণ করতে ব্যর্থ হয়। বঙ্গভঙ্গ ইস্যুতে কংগ্রেসের সাম্প্রদায়িক আচরণ মুসলমানদের মনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। মূলত মুসলমানদের স্বার্থ উপেক্ষা করার কারণেই মুসলিম লীগের জন্মলাভ ঘটে। সর্বোপরি কংগ্রেসের হিন্দু নেতাদের আধিপত্যবাদ দলটিকে অসাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পে পরিণত করে। আর তাই বলা যায় যে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও সাম্প্রদায়িক আচরণে ব্যর্থ।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলটির ভৌগলিক বিভাজন আমার পাঠ্য বইয়ের ঐতিহাসিক বঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে ইঙ্গিত করে। অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশটি ব্রিটিশ ভারতের সবচেয়ে বড় প্রদেশ ছিল। এতে হিন্দু মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল। অন্যদিকে, ব্রিটিশরা ভাগ কর এবং শাসন কর নীতিতে এই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে তাদের শাসন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিকভাবে স্বাধীনতা লাভ ও বিদেশী শক্তিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও এ অঞ্চলের অধিবাসীরা ইংরেজদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছিল না। কংগ্রেসের মাধ্যমে করে তোলা জাতীয়তাবাদকে নস্যাৎ করার উদ্দেশ্য রাজনৈতিকভাবে ভৌগলিক কারণ দেখিয়ে বঙ্গভঙ্গ করা হয় এমন ভাবে যেন আন্তদলীয় সংঘাত ও বিভেদ বৃদ্ধি পায়। বাস্তবিকভাবেই হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট হয় এবং জাতীয়তাবাদ বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মুসলিম লীগের জন্ম লাভ ঘটে। আর মুসলিম লীগের মাধ্যমে পরবর্তীতে ধর্মভিত্তিক স্বাধীন রাষ্ট্র পাকিস্তানের আবির্ভাব ঘটে। উদ্দীপকেও এ ঘটনা সুস্পষ্ট প্রতিরূপ রয়েছে। 'ক' অঞ্চলে বিদেশি শক্তির ঐক্যবদ্ধ চেতনা নষ্ট করার উদ্দেশ্য জাতিগত বিভেদের সংঘাত সৃষ্টি ও ভৌগোলিকভাবে বিভক্তিকরন আদতে ১৯০৫ সালের ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গের ইঙ্গিত করেছে। আর তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি হল বঙ্গভঙ্গ।

উত্তর

উদ্দীপকের অনুরূপ একটি রাজনৈতিক দল তথা মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষার অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল। উদ্দীপকের বর্ণনায় যে রাজনৈতিক দলের কথা বলা হয়েছে সেটি হলো মুসলিম লীগ। আর উক্ত দলটি ভারতের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুসলিম লীগ জন্মলগ্ন থেকে মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে থাকে। রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় একসময় মুসলিম লীগের মধ্যে এ ধারণা বদ্ধমূল হয় যে, ভারতে অখন্ডভাবে মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা হতে পারে না। তাই মুসলমানগন আলাদা দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি থেকেই ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। শুধু আলাদা দলই নয়, আলাদা রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘোষণা করেছিলেন। এ তত্ত্বের মূল কথা ছিল, ভারতের মুসলমানরা যেকোন বিবেচনার একটা স্বতন্ত্র জাতি এবং তাদের জাতিসত্তা রয়েছে। এ পৃথক জাতিসত্তার স্বার্থ রক্ষার জন্য ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি প্রয়োজন। পরবর্তীতে মুসলিম লীগ নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের লাহোর প্রস্তাব দ্বিজাতি তত্ত্বের রূপরেখা হিসেবে কাজ করে। একই সাথে ব্রিটিশদের ভাগ কর ও শাসনকর নীতির ফল হিসেবে ভারতে হিন্দু মুসলিম সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। মুসলিম লীগ মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় অবস্থা গ্রহণ করে। ফলে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। উপরিউক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, উদ্দীপকের দলটি তথা মুসলিম লীগ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।