শেয়ারFacebookWhatsApp

'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য কোন ভারত শাসন আইন কে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ভারত শাসন আইন ১৯১৯ কে ইঙ্গিত প্রদান করে। ভারতবর্ষের শাসনতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন সময় যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন বা মন্টেগু -চেমসফোর্ড আইন তন্মধ্যে অন্যতম। এ আইনে ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। সরকারের বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক দুই ভাগে বিভক্ত করে কেন্দ্রীয় বিষয়ে সরকারের হাতে এবং প্রাদেশিক বিষয়গুলো প্রাদেশিক সরকারের হাতের ন্যাস্ত করা হয় । উক্ত আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল প্রদেশের দৈত্য শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন । প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত দুই ভাগে বিভক্ত করে সংরক্ষিত বিষয়গুলো গর্ভনর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আরোপ করা হয়। যদিও ১৯১৯ সালের আইনের দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা বাধ্যতামূলক করা হয়। তথাপি বাস্তবে দায়িত্বশীল শাসন কায়েম করা সম্ভব হয়নি। প্রদেশের স্বায়ওশাসন ব্যবস্থা কার্যকর না হওয়ায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপে তথা দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতায় উক্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। উদ্দীপকের 'এ' রাষ্ট্রে ২০১২ সালে কার্যকর আইনের মাধ্যমে এ দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েম করা হয়, প্রদেশের স্বায়ত্তশাসন না দিয়ে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা আরোপ করা হয় এবং কেন্দ্র ও প্রদেশের ক্ষমতা বন্টন করা হয়। তবে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রবর্তন না করার কারণে সে দেশে দায়িত্বশীল শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। স্পষ্টত 'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের আইন ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সাথে অভিন্নভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর তাই বলা যায় যে, উক্ত আইনের মাধ্যমে ভারত শাসন আইন ১৯১৯ কে ইঙ্গিত করা হয়েছে ।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য কোন ভারত শাসন আইন কে ই…

উদ্দীপক

'এ' রাষ্ট্রটি ২০১০ সালের স্বাধীনতা লাভ করে। উক্ত রাষ্ট্রে ২০১২ সালে কার্যকর হওয়া সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার প্রবর্তন করা হয় এবং কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে স্বায়ত্তশাসন ছিল না। কিন্তু দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সংশোধনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রবর্তন করা হয় এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর হয়। প্রদেশের তালিকা ভুক্ত বিষয় গুলোর উপর কেন্দ্রের কোনো প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে প্রাদেশিক গর্ভনর প্রদেশের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান ছিলেন। তিনি আইন প্রণয়ন কিংবা শাসন সংক্রান্ত কাজে হস্তক্ষেপ করতেন না।

Dinajpur · 2023

উত্তর

মর্লে- মিন্টো সংস্কার আইন ১৯০৯ সালে প্রণয়ন করা হয়।

উত্তর

১৯৩৭ সালের দীর্ঘ নয় বছর পর ১৯৪৬ সালে প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫৮৫ টি আসনের মধ্যে হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলে কংগ্রেস সর্বমোট ৯২৩টি এবং মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলে মুসলিম লীগ ৪২৫টি আসন লাভ করে। ফলে মুসলমানদের রাজনৈতিক চেতনার ধারক হিসেবে মুসলিম লীগ একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আর এর মাধ্যমেই ভারতে হিন্দু মুসলমান দুটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা আত্মপ্রকাশ সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ভারত শাসন আইন ১৯১৯ কে ইঙ্গিত প্রদান করে। ভারতবর্ষের শাসনতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন সময় যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন বা মন্টেগু -চেমসফোর্ড আইন তন্মধ্যে অন্যতম। এ আইনে ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। সরকারের বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক দুই ভাগে বিভক্ত করে কেন্দ্রীয় বিষয়ে সরকারের হাতে এবং প্রাদেশিক বিষয়গুলো প্রাদেশিক সরকারের হাতের ন্যাস্ত করা হয় । উক্ত আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল প্রদেশের দৈত্য শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন । প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত দুই ভাগে বিভক্ত করে সংরক্ষিত বিষয়গুলো গর্ভনর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আরোপ করা হয়। যদিও ১৯১৯ সালের আইনের দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা বাধ্যতামূলক করা হয়। তথাপি বাস্তবে দায়িত্বশীল শাসন কায়েম করা সম্ভব হয়নি। প্রদেশের স্বায়ওশাসন ব্যবস্থা কার্যকর না হওয়ায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপে তথা দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতায় উক্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। উদ্দীপকের 'এ' রাষ্ট্রে ২০১২ সালে কার্যকর আইনের মাধ্যমে এ দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েম করা হয়, প্রদেশের স্বায়ত্তশাসন না দিয়ে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা আরোপ করা হয় এবং কেন্দ্র ও প্রদেশের ক্ষমতা বন্টন করা হয়। তবে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রবর্তন না করার কারণে সে দেশে দায়িত্বশীল শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। স্পষ্টত 'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের আইন ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সাথে অভিন্নভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর তাই বলা যায় যে, উক্ত আইনের মাধ্যমে ভারত শাসন আইন ১৯১৯ কে ইঙ্গিত করা হয়েছে ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'এ' রাষ্ট্রের ২০১৫ সালে আইনের সাথে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বেশ সাদৃশ্যতা রয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে ১৯১৯ সালের আইনের বেশ কিছু ধারার পরিবর্তন,পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করা হয়। ১৯৩৫ সালের আইনের দায়িত্বশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ফলে কেন্দ্রের দায়িত্বশীল সরকার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। উদ্দীপকের 'এ' দেশের ২০১৫ সালের আইনেও এরূপ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 'এ' দেশেও কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন গ্রহণ করা হয়।আবার ১৯৩৫ সালের আইনে ভারতের প্রদেশসমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয় এবং এটি এই আইনের কেন্দ্রীয়বিন্দুস্বরুপ। তাছাড়া প্রদেশে দ্বৈত শাসন রদ করা, দায়িত্বশীল সরকার নিশ্চিত করবে প্রদেশ সমূহের কাছে সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা প্রদান করা হয়। আর উদ্দীপকে 'এ' দেশের ২০১৫ সালের আইনে ও অনুরূপ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর করা হয়। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রাদেশিক শাসন পরিষদের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। যেমনটি 'এ' দেশের ২০১৫ সালের আইনের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান। 'এ' দেশেও প্রদেশের তালিকাভুক্ত বিষয়ক কেন্দ্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আলোচ্য উভয়ে আইন এভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ থাকলেও উভয় আইনের বেশ বড় একটি অমিল সুস্পষ্ট ভাবে প্রতিভাত হয়। ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক গভর্নর জেনারেল ছিলেন ব্রিটিশ রাজ্যের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি । তিনি কেবল নিয়মতান্ত্রিক প্রধান নন বরং তিনি প্রভূত ক্ষমতার আধার ছিলেন। তিনি আইন প্রণয়নে আইনসভার অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং নিম্নকক্ষ ভেঙে দিতে পারতেন। শাসন ও আইন সংক্রান্ত কাজে তার অনুমতি নিয়ে চূড়ান্ত ছিল। 'এ' দেশের ২০১৫ সালের আইনে প্রাদেশিক গর্ভনর কেবল নিয়মতান্ত্রিক প্রধান ছিলেন। তিনি 'এ' দেশের আইনের প্রণয়ন ও শাসন সংক্রান্ত কাজে হস্তক্ষেপ করতেন না। সুতরাং তুলনামূলক আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে, উদ্দীপকের 'এ' রাষ্ট্র ২০১৫ সালের আইনের সাথে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যথেষ্ট মিল থাকা সত্ত্বেও উভয় আইনের স্বতন্ত্র্য রয়েছে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।