শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনার মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা - উক্তিটি যথার্থ। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রাদেশিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণ থাকলেও এর অন্যতম কারণ ছিল রাজনৈতিক তথা ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কে নস্যাৎ করা। ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের ফলে ভারতীয়রা নিজেদের অধিকারের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে সমগ্র ভারতে বিশেষ করে বাংলা প্রেসিডেন্সিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয়। ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার জন্য এ সময় বিভিন্ন আন্দোলন সংগঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী এ আন্দোলন ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কলকাতা। এসব আন্দোলনে ভিত হয়ে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী তাদের শাসক কৌশল ভাগ কর এবং শাসনকর নীতি প্রয়োগ করে। বাংলা তথা বঙ্গ প্রদেশ কে বিভক্ত করে ব্রিটিশরা এদেশে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করে তাদের শাসক কে দীর্ঘায়িত করার কৌশল গ্রহণ করে এ ছাড়া ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহও বঙ্গভঙ্গের পক্ষে আন্দোলন শুরু করে জনগণকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে পূর্ব বাংলার মুসলমানরা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের সুযোগ পাবে। কিন্তু বঙ্গভঙ্গ বাংলা হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। শিক্ষিত হিন্দু সমাজ মনে করেন, তাদের দ্রুত বেড়ে ওঠা বৃদ্ধিবৃওিক শক্তিকে ব্যাহত করা এবং এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পূর্ব বাংলার মুসলিম প্রভাব বাড়ানো কে উৎসাহিত করাই সরকার প্রধান লক্ষ্য। আবার বাংলার অধিকাংশ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে, তাই বঙ্গভঙ্গের ফলে তারা আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এভাবেই বঙ্গভঙ্গের দ্বারা ব্রিটিশ শাসকগণ কৌশলে কলকাতা কেন্দ্রিক সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কে নস্যাৎ করার সুযোগ লাভ করে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, প্রাদেশিক কাজ সফলতর করার পাশাপাশি বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে ব্রিটিশরা ভাগ কর ও শাসন কর কৌশল প্রয়োগ করতে চেয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তারা পূর্ব বাংলা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের পশ্চিমবাংলা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের থেকে আলাদা করে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্রুত সৃষ্টি করে। এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনৈক্য ভারতে তাদের শাসনকে আরও শক্তি যুগিয়েছিল।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনার মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ন…

উদ্দীপক

নাগরিকের অধিকতর সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দু' ভাগে ভাগ করে। 'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন' ও 'ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন' নামে পৃথক দুটি সিটি কর্পোরেশনের রূপান্তরিত করে।

Dhaka · 2022

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৫ সালে।

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রদেশের দ্বৈতশাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। যেমন - ১. হস্তান্তরিত বিষয় এবং ২. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গর্ভনর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংক্ষিপ্ত বিষয় কেবল গর্ভনর ও শাসন পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়কে দু'ভাগে বিভক্ত করায় একে দ্বৈতশাসন বলে অভিহিত করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত ঐতিহাসিক ঘটনা ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সাদৃশ্য আছে। বঙ্গভঙ্গ ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের পাশাপাশি প্রশাসনিক চাপ হালকা করে। তাছাড়া এটি নবগঠিত পূর্ববঙ্গের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে নতুন যুগের সূচনা করে। ব্রিটিশ ভারতে অবিভক্ত বাংলা প্রদেশ ছিল আয়তনে ও জনসংখ্যার সবচেয়ে বড়। একজন গর্ভনর জেনারেল এর পক্ষে এত বড় প্রদেশ শাসন করা ছিল খুবই কষ্টকর। তাই গর্ভনর জেনারেল লর্ড কার্জন ভারত সচিবকে লিখেছিলেন যে, একটি মাত্র কেন্দ্র থেকে এত বড় ও জনবহুল এলাকা শাসন করা সম্ভব নয়। তার এ লিখিত রিপোর্টের আলোকে ১৯০৫ সালে বাংলাকে ভাগ করে দুটি প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। নতুন প্রদেশটি গঠিত হয় পার্বত্য ত্রিপুরা, ঢাকা, চট্টগ্রাম, আসাম, ও রাজশাহী নিয়ে। এর নাম হয় পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ। ঢাকাকে এ নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয়। অন্যদিকে, পশ্চিমবাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবাংলা প্রদেশ। কলকাতা হয় এর রাজধানী। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, নাগরিকের অধিকতর সেবা দেওয়ার জন্য সরকার ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দু' ভাগে ভাগ করে। এর একটি হলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং অন্যটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যা ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ঘটনার কথায় মনে করিয়ে দেয়।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা - উক্তিটি যথার্থ। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রাদেশিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণ থাকলেও এর অন্যতম কারণ ছিল রাজনৈতিক তথা ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কে নস্যাৎ করা। ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের ফলে ভারতীয়রা নিজেদের অধিকারের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে সমগ্র ভারতে বিশেষ করে বাংলা প্রেসিডেন্সিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয়। ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার জন্য এ সময় বিভিন্ন আন্দোলন সংগঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী এ আন্দোলন ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কলকাতা। এসব আন্দোলনে ভিত হয়ে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী তাদের শাসক কৌশল ভাগ কর এবং শাসনকর নীতি প্রয়োগ করে। বাংলা তথা বঙ্গ প্রদেশ কে বিভক্ত করে ব্রিটিশরা এদেশে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করে তাদের শাসক কে দীর্ঘায়িত করার কৌশল গ্রহণ করে এ ছাড়া ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহও বঙ্গভঙ্গের পক্ষে আন্দোলন শুরু করে জনগণকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে পূর্ব বাংলার মুসলমানরা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের সুযোগ পাবে। কিন্তু বঙ্গভঙ্গ বাংলা হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। শিক্ষিত হিন্দু সমাজ মনে করেন, তাদের দ্রুত বেড়ে ওঠা বৃদ্ধিবৃওিক শক্তিকে ব্যাহত করা এবং এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পূর্ব বাংলার মুসলিম প্রভাব বাড়ানো কে উৎসাহিত করাই সরকার প্রধান লক্ষ্য। আবার বাংলার অধিকাংশ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে, তাই বঙ্গভঙ্গের ফলে তারা আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এভাবেই বঙ্গভঙ্গের দ্বারা ব্রিটিশ শাসকগণ কৌশলে কলকাতা কেন্দ্রিক সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কে নস্যাৎ করার সুযোগ লাভ করে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, প্রাদেশিক কাজ সফলতর করার পাশাপাশি বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে ব্রিটিশরা ভাগ কর ও শাসন কর কৌশল প্রয়োগ করতে চেয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তারা পূর্ব বাংলা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের পশ্চিমবাংলা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের থেকে আলাদা করে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্রুত সৃষ্টি করে। এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনৈক্য ভারতে তাদের শাসনকে আরও শক্তি যুগিয়েছিল।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।