শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। ভারতের শাসনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হয় ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে। ১৯১৪ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারকে সাজে সহযোগিতা করে নিজেদের স্বায়ত্তশাসন প্রদানের অঙ্গীকারের মাধ্যমে। এ প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ভারত সচিব মন্টেগু ভারতবর্ষের বড় লার্ট মি. চেমসফোর্ডের সাথে ভারতের ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক রূপরেখা প্রণয়ন করে। তাদের গৃহীত এ সিদ্ধান্ত ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারত শাসন আইন ১৯১৯ নামে পাশ হয়। এ আইনের অন্যতম কিছু বৈশিষ্ট্য হল ক্ষমতার বন্টন, প্রদেশের দৈত্য শাসন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, ভারত সচিবের ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি। উদ্দীপকের ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে বৈশিষ্ট্যগুলোতে বলা হয়েছে,এখানে রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপকসভা , প্রদেশের দ্বৈত শাসন, ভারতীয় হাই কমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের সমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্য গুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কতিপয় বৈশিষ্ট্য গুলোকে উপস্থাপন করে। কেননা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা পরিণত করা হয়, যার উচ্চকক্ষ ছিল রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ ছিল ব্যবস্থাপক সভা। এ আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া এই আইনের মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেনে বসবাসরত জাতীয় জনগণের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য ভারতীয় হাই কমিশনারের পথ সৃষ্টি করা হয় এবং ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে…

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2022

উত্তর

১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হয়।

উত্তর

প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে প্রদেশের স্বাধীনতাকেই বোঝায়। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠনে যে ব্যবস্থা রাখা হয় এর ফলশ্রুতি হিসেবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন করা হয়। ১৯৩৫ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এর মূল কথা হলো প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার কাছে জবাবদিহিতা থাকবে এবং আইনসভা সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী হবে।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। ভারতের শাসনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হয় ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে। ১৯১৪ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারকে সাজে সহযোগিতা করে নিজেদের স্বায়ত্তশাসন প্রদানের অঙ্গীকারের মাধ্যমে। এ প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ভারত সচিব মন্টেগু ভারতবর্ষের বড় লার্ট মি. চেমসফোর্ডের সাথে ভারতের ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক রূপরেখা প্রণয়ন করে। তাদের গৃহীত এ সিদ্ধান্ত ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারত শাসন আইন ১৯১৯ নামে পাশ হয়। এ আইনের অন্যতম কিছু বৈশিষ্ট্য হল ক্ষমতার বন্টন, প্রদেশের দৈত্য শাসন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, ভারত সচিবের ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি। উদ্দীপকের ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে বৈশিষ্ট্যগুলোতে বলা হয়েছে,এখানে রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপকসভা , প্রদেশের দ্বৈত শাসন, ভারতীয় হাই কমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের সমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্য গুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কতিপয় বৈশিষ্ট্য গুলোকে উপস্থাপন করে। কেননা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা পরিণত করা হয়, যার উচ্চকক্ষ ছিল রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ ছিল ব্যবস্থাপক সভা। এ আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া এই আইনের মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেনে বসবাসরত জাতীয় জনগণের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য ভারতীয় হাই কমিশনারের পথ সৃষ্টি করা হয় এবং ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়।

উত্তর

উক্ত আইন তথা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ভারতবাসীরা নানা কারণে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ছিল ভারতবাসীর স্বায়ত্তশাসনে স্বপ্ন পূরণের প্রথম পদক্ষেপ। এই আইনের মাধ্যমে ভারতবাসী আশা করেছিল ভারতবর্ষে একটি দায়িত্বশীল সরকার ব্যবস্থা গঠিত হবে। সে হিসেবে এই আইনে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন, দ্বৈত শাসন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, ক্ষমতা বন্টন প্রভৃতি বিষয়াদি এই আইনের স্থান লাভ করে। এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি দায়িত্বশীল সরকার গঠন করা। কিন্তু বিষয়টি নানা কারণে ব্যর্থ হয়ে যায়। এ আইনের আওতায় প্রাদেশিক সরকারের বিষয়গুলোকে কৃত্রিমভাবে গঠিত দুটি সংস্থার হাতে অর্পণ করার ফলে সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। এ আইনের সংসদীয় ও দায়িত্বশীল সরকারের কথা বলা হলেও তখন ভারতের কোনো দল ব্যবস্থা ছিল না। তাই দলীয় রাজনীতির অনুপস্থিতিতে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ে। আবার এ সময় ভারতবর্ষে সংসদীয় ঐতিহ্য না থাকায় আইটি জনকল্যাণ সাধনে ব্যর্থ হয়। এছাড়া প্রাদেশিক বিষয়ের মন্ত্রিসভা ও গর্ভনরের কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল। এদিকে প্রাদেশিক মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত হলেও গর্ভনরের কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যগণ ছিলেন মনোনীত। ফলে তাদের মধ্যে গর্ভনগর সন্তুষ্ট রাখা নিয়েও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব,ভুল বোঝাবুঝি ও সংশয় বিরাজ করে। এতে প্রাদেশিক প্রশাসনের অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, দ্বৈত শাসনের গর্ভনরের প্রভূত্বসুলভ ক্ষমতা ও আচরণ জনগণ ও মন্ত্রিপরিষদকে বিষিয়ে তোলে। ফলের সাহিত্য শাসন ও দায়িত্বশীল সরকার গঠন চরমভাবে ব্যর্থ হয় এবং জনগণ এ আইন বিরোধীতা শুরু করে। উক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, উনিশ সালের এ আইন অনুসারে প্রদেশে যে আইন পরিষদের সৃষ্টি হয় তার আয়তন বৃদ্ধি পেলেও এর আইন ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করলে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক শাসনের ক্ষেত্রে এই আইনের ত্রুটি ছিল। এসব কারণে এ আইনটি ভারতবর্ষের প্রত্যাশা পুরনো ব্যর্থ হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।