শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্রে প্রকাশিত আইনের ধারাটির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: চিত্রে প্রদর্শিত আইনের ধারাটি হলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা প্রদেশে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রদেশে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। যেমন -ক. হস্তান্তরিত বিষয়ে এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গর্ভনর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গর্ভনর ও শাসন পরিশোধের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত কড়াই একে দ্বৈত শাসন বলে অভিহিত করা হয়। ভারতীয়দের দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে এবং ভারতের শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থা নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে মন্টেগু ও চেমসফোর্ড এর নেতৃত্বে ১৯১৮ সালে এ শাসনতান্ত্রিক সংস্কার রিপোর্ট প্রণয়ন করা হয় তার ওপর ভিত্তি করে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন প্রবর্তিত হয়। এ আইনের একটি আকর্ষণীয় ও সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশের দৈত্য শাসন। এ দ্বৈত শাসনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রদেশের দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন, যার মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যগণ বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ তাদের যাবতীয় দায়িত্বের জন্য আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন। তবে এই ব্যবস্থা সফল হতে পারেনি। কারণ প্রাদেশিক সরকারের বিষয়গুলোকে কৃত্রিমভাবে গঠিত দুটি সংস্থার হাতে অর্পণ করার ফলে সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। এছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, দলীয় রাজনীতির অনুপস্থিতি, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বন্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সরকারি কর্মচারীদের ওপর মন্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণের অভাব ইত্যাদি কারণে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের এই ধারাটি সফলতার পথে আসতে পারেনি। আলোচনা পরিশেষে তাই বলা যায়, ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের এই ধারণাটির কার্যকারিতা মোটেই এর প্রণয়নের উদ্দেশ্যকে সফল করতে পারেনি।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

চিত্রে প্রকাশিত আইনের ধারাটির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2022

উত্তর

দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণাটি উপস্থাপন করেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

উত্তর

খিলাফত আন্দোলন ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এ আন্দোলনের ফলে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটে এবং তারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা পায়। তৎকালে তুরস্কের বিপ্লবী নেতা কামাল অত্যতুর্ক তুরস্কের ক্ষমতা দখল করে এবং খিলাফত তথা তুরস্ক সালতানাতকে বাতিল ঘোষণা করলে ১৯২৪ সালে ভারতে উক্ত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

উত্তর

চিত্রে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের ধারা প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের শাসনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন। এ আইনটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই আইনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান, ক্ষমতার বন্টন, দ্বৈত শাসন প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য বা সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়। উদ্দীপকে ভারতের শাসনের একটি ধারা প্রাদেশিক দ্বৈত শাসন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের প্রদেশের দ্বৈত শাসন বিষয়টি মূলত তুলে ধরা হয়েছে। এর আওতায় প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দু'ভাগে ভাগ করা হয়। এ আইনের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য ছিল প্রদেশে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ আইনের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদ সৃষ্টি করা হয়। এ আইন অনুযায়ী গর্ভনর জেনারেলইচ্ছা করলে আইনসভার কোন পক্ষের মতামত না নিয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারতেন। এই গর্ভনর জেনারেল কে সহায়তা করার জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি শাসন পরিষদ গঠিত করা হয়। এছাড়া এ আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান, প্রাদেশিক আইনসভা, পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন, উপদেষ্টা বোর্ড গঠন, ভারত সচিবের ক্ষমতার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি, ভারতীয় হাই কমিশনারের পদ সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য পরিশেষে তাই বলা যায়, এ সকল বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও সংবিধানিক সংস্কারের দিক দিয়ে এ আইনকে ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উত্তর

চিত্রে প্রদর্শিত আইনের ধারাটি হলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা প্রদেশে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রদেশে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দুই শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। যেমন -ক. হস্তান্তরিত বিষয়ে এবং খ. সংরক্ষিত বিষয়। হস্তান্তরিত বিষয়গুলো গর্ভনর ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। আর সংরক্ষিত বিষয় কেবল গর্ভনর ও শাসন পরিশোধের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। এভাবে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়কে দুই ভাগে বিভক্ত কড়াই একে দ্বৈত শাসন বলে অভিহিত করা হয়। ভারতীয়দের দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে এবং ভারতের শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থা নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে মন্টেগু ও চেমসফোর্ড এর নেতৃত্বে ১৯১৮ সালে এ শাসনতান্ত্রিক সংস্কার রিপোর্ট প্রণয়ন করা হয় তার ওপর ভিত্তি করে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন প্রবর্তিত হয়। এ আইনের একটি আকর্ষণীয় ও সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশের দৈত্য শাসন। এ দ্বৈত শাসনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রদেশের দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন, যার মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যগণ বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ তাদের যাবতীয় দায়িত্বের জন্য আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন। তবে এই ব্যবস্থা সফল হতে পারেনি। কারণ প্রাদেশিক সরকারের বিষয়গুলোকে কৃত্রিমভাবে গঠিত দুটি সংস্থার হাতে অর্পণ করার ফলে সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। এছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, দলীয় রাজনীতির অনুপস্থিতি, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বন্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সরকারি কর্মচারীদের ওপর মন্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণের অভাব ইত্যাদি কারণে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের এই ধারাটি সফলতার পথে আসতে পারেনি। আলোচনা পরিশেষে তাই বলা যায়, ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের এই ধারণাটির কার্যকারিতা মোটেই এর প্রণয়নের উদ্দেশ্যকে সফল করতে পারেনি।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

চিত্রে প্রকাশিত আইনের ধারাটির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ কর। | Prosthuti