শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর: আমার মতে, ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনাটি নানা কারণে এর গ্রহণযোগ্যতা হারায়। ভারতের শাসনতান্ত্রিক সমস্যার সমাধান ব্রিটিশ শাসকদের অতীতের উদ্যোগগুলোর মতোই ১৯৪৬ সালের মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ও ব্যর্থ হয়। দুই প্রধান দল জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ একে জাতীয়তাবাদের স্বাধীনতা প্রদানের একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু এটি কার্যত অনেকটা ১৯৪২ সালের ক্রিপস মিশন প্রস্তাবেরই পুনরাবৃত্তি ছিল। যে কারণে এটি এর কার্যকারিতা হারিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনাটি নানা কারণে এর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। যেমন -মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনার মাধ্যমে ভারতের ভবিষ্যৎ সংবিধান রচনার দায়িত্ব গণপরিষদের দেওয়া হলেও এর সদস্যরা সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত ছিলেন না মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় রাজ্যগুলো সামন্ততন্ত্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। দেশীয় রাজ্যগুলোতে গণতান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতি অনুপস্থিত ছিল। মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় ভারতের দুটি মুসলিম প্রধান অঞ্চল, একটি হিন্দু প্রধান অঞ্চল ও অন্যটি দেশীয় রাজ্য সমূহ নিয়ে গঠিত অঞ্চল এ চারটি অঞ্চলে বিভক্ত করার কথা বলা হয়। কিন্তু এটি ছিল অবাস্তব ও জটিল। ভারতের রাজনৈতিক জটিলতা এড়ানোর জন্য যেখানে শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার দরকার ছিল সেখানে এ পরিকল্পনা একটি দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের চেষ্টা করা হয়। অন্তবর্তী কালীন পদ্ধতিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো ব্যবস্থা মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় উল্লেখ ছিল না। এ পরিকল্পনায় গণপরিষদকে সার্বভৌম ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনাকে অসহযোগিতা করে। তাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে ভেবে শেষ পর্যন্ত উভায়ের রাজনৈতিক দলই এ পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করে। আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, বিভিন্ন পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের প্রত্যাখ্যানের কারণে ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা তার কার্যকারিতা হারিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তো…

উদ্দীপক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী একটি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী এশিয়া মহাদেশের একটি অঞ্চলের জনগণের দাবি পূরণের লক্ষ্যে ক্যাবিনেটর ৩ সদস্যকে দায়িত্ব দিলেন। ক্যাবিনেট সদস্যগণ উক্ত অঞ্চলের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ-আলোচনায় ঐক্যমত পৌঁছাতে না পেরে নিজস্ব বিবেচনায় একটি পরিকল্পনা পেশ করেন। পরিকল্পনায় জনগণের দাবি পূরণের স্বপ্ন ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রস্তাব ঘোষণা করলেন।

Sylhet · 2022

উত্তর

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।

উত্তর

মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার কারণে ভারতে মন্তব্যটি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। ওই সময় ভারতের নতুন ভাইসরয় লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতৃত্ববৃন্দের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালান।কিন্তু এ প্রচেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হয়ে ঘোষণা করেন, ভারত বিভাগ ছাড়া ভারতের শান্তি প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প উপায় নেই। পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহতায় কংগ্রেস ভারত বিভক্তি মেনে নিতে বাধ্য হয়। এমতাবস্থায় ১৯৪৭ সালের ৩ জুন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতৃত্ববৃন্দের সাথে এক ঘরোয়া বৈঠকে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা তুলে ধরেন তা ইতিহাসে ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা নামে খ্যাত।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা,১৯৪৬ এর মিল রয়েছে। ভারতের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা ও হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করলে সকল প্রকারের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সমস্যার সমাধান করা ছিল মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার লক্ষ্য। তাই ১৯৪৬ সালে মার্চ মাসে ব্রিটিশ সরকার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস, লর্ড পেথিক লরেন্স ও এ. ভি আলেকজান্ডার ও তিনজন মন্ত্রী সমন্বয়ে একটি মিশন ভারতে পাঠায়। মিশনটি ভারতের নেতৃত্ববৃন্দের সাথে আলোচনায় মতৈক্য পৌঁছাতে না পারায় ১৯৪৬ সালে মে মাসে ভারতীয় সংবিধান প্রতিষ্ঠায় তার নিজস্ব পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যা মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা নামে খ্যাত। এ মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ব্রিটিশ ভারতে এবং দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে একটি ভারত ইউনিয়ন গঠন করা হবে। এই ইউনিয়নের হাতে পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয় অর্পিত হবে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী একটি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী এশিয়া মহাদেশের একটি অঞ্চলের জনগণের দাবি পূরণের লক্ষ্যে ক্যাবিনেটের তিন সদস্যকে দায়িত্ব দিলেন। তারা এই অঞ্চলকে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ আলোচনায় ঐক্যমত পৌঁছাতে না পেরে নিজস্ব বিবেচনা একটি পরিকল্পনা পেশ করলেন। এ পরিকল্পনায় জনগণের দাবি পূরণের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তাব ঘোষণা করলেন। অর্থাৎ উদ্দীপকের এরূপ বর্ণনার মাধ্যমে ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তর

আমার মতে, ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনাটি নানা কারণে এর গ্রহণযোগ্যতা হারায়। ভারতের শাসনতান্ত্রিক সমস্যার সমাধান ব্রিটিশ শাসকদের অতীতের উদ্যোগগুলোর মতোই ১৯৪৬ সালের মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ও ব্যর্থ হয়। দুই প্রধান দল জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ একে জাতীয়তাবাদের স্বাধীনতা প্রদানের একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু এটি কার্যত অনেকটা ১৯৪২ সালের ক্রিপস মিশন প্রস্তাবেরই পুনরাবৃত্তি ছিল। যে কারণে এটি এর কার্যকারিতা হারিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনাটি নানা কারণে এর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। যেমন -মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনার মাধ্যমে ভারতের ভবিষ্যৎ সংবিধান রচনার দায়িত্ব গণপরিষদের দেওয়া হলেও এর সদস্যরা সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত ছিলেন না মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় রাজ্যগুলো সামন্ততন্ত্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। দেশীয় রাজ্যগুলোতে গণতান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতি অনুপস্থিত ছিল। মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় ভারতের দুটি মুসলিম প্রধান অঞ্চল, একটি হিন্দু প্রধান অঞ্চল ও অন্যটি দেশীয় রাজ্য সমূহ নিয়ে গঠিত অঞ্চল এ চারটি অঞ্চলে বিভক্ত করার কথা বলা হয়। কিন্তু এটি ছিল অবাস্তব ও জটিল। ভারতের রাজনৈতিক জটিলতা এড়ানোর জন্য যেখানে শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার দরকার ছিল সেখানে এ পরিকল্পনা একটি দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের চেষ্টা করা হয়। অন্তবর্তী কালীন পদ্ধতিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো ব্যবস্থা মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় উল্লেখ ছিল না। এ পরিকল্পনায় গণপরিষদকে সার্বভৌম ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনাকে অসহযোগিতা করে। তাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে ভেবে শেষ পর্যন্ত উভায়ের রাজনৈতিক দলই এ পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করে। আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, বিভিন্ন পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের প্রত্যাখ্যানের কারণে ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা তার কার্যকারিতা হারিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।