শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার অর্থাৎ বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। বঙ্গভঙ্গের ফলে অবিভক্ত বাংলার হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে দুই ধরনের বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সরকারি সিদ্ধান্ত মুসলমান জনগণের মধ্যে আনন্দ উল্লাসে সৃষ্টি করে। পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামক নতুন প্রদেশ কে পূর্ব বাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়। কেননা নতুন প্রদেশে তারাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। উৎফুল্ল মুসলমান জনগণ এ স্বপ্ন দেখতে লাগলেন যে, নতুন প্রদেশে তারা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন এবং নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবে এবং চাকরি, শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব ক্ষেত্রেই তারা প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমান জনগণ গর্ব ও মর্যাদাবোধ অনুভব করে। এর ফলে পূর্ব বাংলা তথা সমগ্র ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনার সৃষ্টি হয়। হিন্দুদের বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনকে মোকাবেলা করার জন্য মুসলমান বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ নামক একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। ফলে মুসলমানদের মধ্যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটতে থাকে। অন্যদিকে, বঙ্গভঙ্গ বাংলার হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ভীষণ ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা প্রচার করেন যে, বঙ্গভঙ্গ বঙ্গমাতা অনুচ্ছেদের সমতুল্য। জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনা বিকশিত হিন্দু জনসমাজ মনে করেন, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বাঙালি মধ্যবিত্ত জাতির বিকাশ মান ধারাকে নস্যাৎ করার গভীর ষড়যন্ত্র বলে প্রচার করে। ব্রিটিশ সরকারের এ বিভেদ ও শাসন নীতির বিরুদ্ধে তারা প্রচন্ড গণআন্দোলন গড়ে তোলে। এর ফলে ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের জন্য স্বদেশী আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিশেষে বলা যায়, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ ভারতের রাজনীতিতে উপরিয়ক্তভাবে প্রভাব ফেলেছিল।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের জনসংখ্যা ও পরিধি বৃদ্ধির কারণে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উক্ত এলাকাকে উত্তর ও দক্ষিণ নামে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। সুশীল সমাজের কিছু অংশ সরকারকে সাধুবাদ জানালেও আবার অনেকে এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

Barisal · 2022

উত্তর

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উত্তর

দ্বিজাতি তত্ত্ব হলো ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে ভারতকে রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত করার নির্ণায়ক ও আদর্শশ্রয়ী একটি রাজনৈতিক মতবাদ। ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন অবসানে প্রাক্কালে বিশ শতকের চল্লিশের দশকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের এ ধারণার উন্মেষ ঘটান। এ তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।

উত্তর

উদ্দীপকে বিব্রত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ভারতের ঐতিহাসিক ঘটনা বঙ্গভঙ্গের মিল পাওয়া যায়। ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। বঙ্গভঙ্গের পেছনে বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান রয়েছে।সেগুলো হলো- ১. প্রশাসনিক কারণ: বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রশাসনিক কারণই ছিল মুখ্য। এ বিশাল আয়তন প্রদেশের শাসনভার একজন গর্ভনরের উপন্যাস্ত ছিল। ফলে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার কথা বিবেচনা করে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রধান সৃষ্টি করে। ২. রাজনৈতিক কারণ: বঙ্গভঙ্গের একটি অন্যতম প্রধান হলো রাজনৈতিক কারণ। জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নস্যাৎ করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ করার পরিকল্পনা করে। ৩. অর্থনৈতিক কারণ: পূর্ব বাংলার জনগণ অর্থনৈতিক উন্নতির আশায় বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানায়। বাংলা বিভক্তি হলে এই অঞ্চলের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, সরকারি কর্মচারী ও নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে এ প্রত্যাশায়ই পূর্ববাংলার নেতৃবর্গ বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করে। ৪. সামাজিক ও ধর্মীয় কারন: ব্রিটিশ সরকারের বীমতাসুলভ আচরণের কারণে মুসলমানরা পর্যুদস্ত হতে থাকে অন্যদিকে সবকিছুতে হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন দিক থেকে লাভবান হতে থাকে ফলে মুসলমান সম্প্রদায় তাদের গৌরব পুনরুদ্ধারের আশা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার অর্থাৎ বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। বঙ্গভঙ্গের ফলে অবিভক্ত বাংলার হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে দুই ধরনের বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সরকারি সিদ্ধান্ত মুসলমান জনগণের মধ্যে আনন্দ উল্লাসে সৃষ্টি করে। পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামক নতুন প্রদেশ কে পূর্ব বাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়। কেননা নতুন প্রদেশে তারাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। উৎফুল্ল মুসলমান জনগণ এ স্বপ্ন দেখতে লাগলেন যে, নতুন প্রদেশে তারা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন এবং নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবে এবং চাকরি, শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব ক্ষেত্রেই তারা প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমান জনগণ গর্ব ও মর্যাদাবোধ অনুভব করে। এর ফলে পূর্ব বাংলা তথা সমগ্র ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনার সৃষ্টি হয়। হিন্দুদের বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনকে মোকাবেলা করার জন্য মুসলমান বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ নামক একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। ফলে মুসলমানদের মধ্যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটতে থাকে। অন্যদিকে, বঙ্গভঙ্গ বাংলার হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ভীষণ ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা প্রচার করেন যে, বঙ্গভঙ্গ বঙ্গমাতা অনুচ্ছেদের সমতুল্য। জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনা বিকশিত হিন্দু জনসমাজ মনে করেন, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বাঙালি মধ্যবিত্ত জাতির বিকাশ মান ধারাকে নস্যাৎ করার গভীর ষড়যন্ত্র বলে প্রচার করে। ব্রিটিশ সরকারের এ বিভেদ ও শাসন নীতির বিরুদ্ধে তারা প্রচন্ড গণআন্দোলন গড়ে তোলে। এর ফলে ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের জন্য স্বদেশী আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিশেষে বলা যায়, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ ভারতের রাজনীতিতে উপরিয়ক্তভাবে প্রভাব ফেলেছিল।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।