শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের সাথে গভর্নর জেনারেল প্রদত্ত পরিকল্পনাটির সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ভারতের সর্বশেষ গর্ভনর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন প্রদত্ত পরিকল্পনাটি ছিল ৩রা জুন পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার সাথে ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইনের সম্পর্ক রয়েছে। মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার কারণে ভারতে মন্তব্যটি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। ওই সময় ভারতের নতুন ভাইসরয় লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতৃত্ববৃন্দের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালান।কিন্তু এ প্রচেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হয়ে ঘোষণা করেন, ভারত বিভাগ ছাড়া ভারতের শান্তি প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প উপায় নেই। পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহতায় কংগ্রেস ভারত বিভক্তি মেনে নিতে বাধ্য হয়। এমতাবস্থায় ১৯৪৭ সালের ৩ জুন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতৃত্ববৃন্দের সাথে এক ঘরোয়া বৈঠকে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা তুলে ধরেন তা ইতিহাসে ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা নামে খ্যাত। উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের সাথে লর্ড মাউন্টব্যাটেন প্রদত্ত ৩রা জুন পরিকল্পনার গভীর সাদৃশ্য রয়েছে। কেননা ভারতের তৎকালীন রাজনৈতিক সমস্যা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন ভারতের শেষ গর্ভনর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন। ১৯৪৬ সালের মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনার পরবর্তী সময়ে ভারতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু হলে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ বিপরীত অবস্থানে চলে যায় ফলে তা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় ছিল ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। আর সে প্রেক্ষিতেই মাউন্টব্যাটেন তার জ্ঞানপ্রসূত পরিকল্পনা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা পেশ করেন। ব্রিটিশ সরকার তার এই পরিকল্পনাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ফলে ৪ জুলাই ১৯৪৭ সালে মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা কার্যকর করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি বিল উপস্থাপিত হয়। এতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। এটি ভারত স্বাধীনতা আইন নামে পরিচিতি পায়। যার আলোকে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের সাথে লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ৩রা জুন পরিকল্পনার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের সাথে গভর্নর জেনারেল প্রদত্ত পরিকল্পনাটির সম্প…

উদ্দীপক

১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারত উপমহাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। যে বিখ্যাত আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষের ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়, সেই আইনের নেপথ্যে ভারতের সর্বশেষ গর্ভনর জেনারেল প্রদত্ত একটি পরিকল্পনা উল্লেখযোগ্য ভূমিকার দাবি রাখে।

Mymensingh · 2022

উত্তর

পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি ফরজ বিষয়ের কোন প্রকারের কুসংস্কার ও বিবৃতির প্রয়োগ না করে কোরআনের নির্দেশ পালন করার জন্য হাজী শরীয়াতুল্লাহ যে আন্দোলন করেছিলেন তাই ফরায়েজী আন্দোলন নামে পরিচিত।

উত্তর

মুসলিম লীগ একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেস অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করলেও অল্প কালের মধ্যে তা সাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয় এবং কেবল হিন্দুদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়ে। যার ফলে ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখা দেয়। মুসলমানদের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তারা একটি স্বতন্ত্র সংগঠনের মাধ্যমে স্বতন্ত্র আবার ভূমি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন অনুভব করে। যার কারনে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠন করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন। এই আইনের মাধ্যমে ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়। নিচে উক্ত আইনের অর্থাৎ ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো - ১.এ আইন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ভারতের উপর থেকে ২০০ বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটায়। ২.এ আইন ভারতবর্ষকে বিভক্ত করে ভারতীয় ইউনিয়ন ও পাকিস্তান নামে দুটি ডোমিনিয়ন প্রতিষ্ঠা করে। এর দ্বারা ডোমিনিয়ন দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. সিন্ধু প্রদেশ, সীমান্ত প্রদেশ, বেলুচিস্তান,পাঞ্জাব ও পূর্ব বাংলা নিয়ে গঠিত হবে পাকিস্তান। ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রদেশ নিয়ে ভারত রাষ্ট্রের গঠিত হবে। ৪. প্রত্যেক রাষ্ট্রের জন্য একজন গর্ভনর জেনারেল থাকবেন। তিনি হবেন হেড অফ দি স্টেট। ৫. ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনে ভারত সচিবের পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। ৬.এ আইনে বলা হয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভার পরামর্শে গর্ভনর নিয়োগ করবেন। ৭. এ আইনে গর্ভনর জেনারেল ও গর্ভনরের স্বেচ্ছাধীন, বিচারবুদ্ধি জনিত ক্ষমতা ও বিশেষ দায়িত্ব বিলোপ করা হয়। ৮.১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এই আইনের বিভিন্ন ধারা কার্যকর করার কথা বলা হয়। ৯.এ আইনে ব্রিটিশ রাজা ভারত সম্রাট উপাধি পরিত্যাগ করেন। ১০. পূর্বে ভারতবর্ষের যে কোন সংবিধান সংস্কার এবং নতুন আইন প্রণীত হতো ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। কিন্তু এই আইনে বলা হয় ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এর পর থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত আইন ভারত ও পাকিস্তানের ওপর প্রযোজ্য হবে না।

উত্তর

ভারতের সর্বশেষ গর্ভনর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন প্রদত্ত পরিকল্পনাটি ছিল ৩রা জুন পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার সাথে ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইনের সম্পর্ক রয়েছে। মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার কারণে ভারতে মন্তব্যটি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। ওই সময় ভারতের নতুন ভাইসরয় লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতৃত্ববৃন্দের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালান।কিন্তু এ প্রচেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হয়ে ঘোষণা করেন, ভারত বিভাগ ছাড়া ভারতের শান্তি প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প উপায় নেই। পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহতায় কংগ্রেস ভারত বিভক্তি মেনে নিতে বাধ্য হয়। এমতাবস্থায় ১৯৪৭ সালের ৩ জুন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতৃত্ববৃন্দের সাথে এক ঘরোয়া বৈঠকে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা তুলে ধরেন তা ইতিহাসে ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা নামে খ্যাত। উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের সাথে লর্ড মাউন্টব্যাটেন প্রদত্ত ৩রা জুন পরিকল্পনার গভীর সাদৃশ্য রয়েছে। কেননা ভারতের তৎকালীন রাজনৈতিক সমস্যা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন ভারতের শেষ গর্ভনর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন। ১৯৪৬ সালের মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনার পরবর্তী সময়ে ভারতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু হলে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ বিপরীত অবস্থানে চলে যায় ফলে তা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় ছিল ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। আর সে প্রেক্ষিতেই মাউন্টব্যাটেন তার জ্ঞানপ্রসূত পরিকল্পনা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা পেশ করেন। ব্রিটিশ সরকার তার এই পরিকল্পনাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ফলে ৪ জুলাই ১৯৪৭ সালে মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা কার্যকর করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি বিল উপস্থাপিত হয়। এতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। এটি ভারত স্বাধীনতা আইন নামে পরিচিতি পায়। যার আলোকে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের সাথে লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ৩রা জুন পরিকল্পনার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।