শেয়ারFacebookWhatsApp

বর্ণিত আইনটি প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকারিতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ঔপনিবেশিক সরকারের আইনগুলোর মাধ্যমে ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আইনটি হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ প্রদেশের স্বশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব মুক্ত থেকে প্রাদেশিক সরকারের স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে। এক্ষেত্রে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর হয়নি এবং ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। কেননা প্রাদেশিক সরকারের শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় তালিকা, প্রাদেশিক তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা এ তিনটি তালিকায় বিভক্ত করে প্রাদেশিক তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর শাসনভার প্রাদেশিক সরকারের উপর অর্পণ করা হয় এবং প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়িত্বশীল করে রাখা হয়। কিন্তু গর্ভনর জেনারেল হস্তক্ষেপ এবং কতিপয় আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসন এর কার্যকারিতা ফলপ্রসূ হয়নি। এর মূল কারণ সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। ফলে তৎকালীন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং উপরে সার্বিক আলোচনা থেকে বলা যায়, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল শূন্য।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

বর্ণিত আইনটি প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকারিতা মূল্যায…

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2021

উত্তর

কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে স্ব-স্ব কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের ব্যবস্থাকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে।

উত্তর

স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা হলো এক একচ্ছত্র আধিপত্য দাবি করা এবং কেবলমাত্র স্বীয় ইচ্ছাকেই এর আধিপত্যের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা। এ ক্ষমতার ভিত্তি হলো ক্ষমতার কোন প্রকার আইন নয়। একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিস্ট এবং কমিউনিস্ট উভয় প্রকার শাসন ব্যবস্থাতেই এই ক্ষমতার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব দাবি করেন। স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার বলে যেকোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটি অর্থাৎ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝে পর্যায়ক্রমে তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে যে খড়সা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল তার ওপর ভিত্তি করে ১৯৩৫ সালে যে আইন পাশ হয় তাকে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন বলে। উদ্দীপকে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও গর্ভনর জেনারেলের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করেছে।নিচে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো - ১. সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র : ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের গঠনের উদ্যোগ। তখন পর্যন্ত ভারতে এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এ আইনের ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশ ও মিত্র দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। ২. যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত :১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। একজন বিচারপতি এবং কয়েকজন বিচারক নিয়ে এই আদালত গঠিত হবে -যার দায়িত্ব হবে সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের বিরোধের মীমাংসা করা। তবে ব্রিটিশ প্রিভি- কাউন্সিলের বিচার কমিটির চূড়ান্ত আপেল আদালত হিসেবে বহাল থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঔপনিবেশিক সরকারের আইনগুলোর মাধ্যমে ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আইনটি হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ প্রদেশের স্বশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব মুক্ত থেকে প্রাদেশিক সরকারের স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে। এক্ষেত্রে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর হয়নি এবং ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। কেননা প্রাদেশিক সরকারের শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় তালিকা, প্রাদেশিক তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা এ তিনটি তালিকায় বিভক্ত করে প্রাদেশিক তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর শাসনভার প্রাদেশিক সরকারের উপর অর্পণ করা হয় এবং প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়িত্বশীল করে রাখা হয়। কিন্তু গর্ভনর জেনারেল হস্তক্ষেপ এবং কতিপয় আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসন এর কার্যকারিতা ফলপ্রসূ হয়নি। এর মূল কারণ সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। ফলে তৎকালীন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং উপরে সার্বিক আলোচনা থেকে বলা যায়, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল শূন্য।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

বর্ণিত আইনটি প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকারিতা মূল্যায… | Prosthuti