শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে তোমার পঠিত কোন আইনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে আমার পঠিত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনটি নির্দেশ করে। ভারতের সাংবিধানিক বিবর্তনের ইতিহাসে ১৯৩৫ সালের এই আইনটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এটি ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ একটি আইন। এর জটিলতাও সার্বজনবিদিত।এ আইন বলে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন করা হয়। প্রদেশগুলোকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয় এবং কেন্দ্রে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। কেন্দ্রের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রদান করা হয়। এছাড়া এ আইনের মাধ্যমে বার্মাকে পৃথক করা হয় এবং নতুন দুটি প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। উদ্দীপকেও দেখা যায়,একটি আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, যেখানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা এবং কেন্দ্রের দ্বৈত শাসন প্রবর্তনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বলা যায় উদ্দীপকে ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে তোমার পঠিত কোন আইনকে নির্দেশ করে…

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2021

উত্তর

ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গর্ভনর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উত্তর

ভারতবর্ষের দুটি পৃথক জাতি হিন্দু ও মুসলমান বাস করে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ হিন্দু -মুসলিম সমস্যার সমাধানের জন্য হিন্দু নেতৃত্ববৃন্দের সাথে আলাপ-আলোচনা করেও ব্যর্থ হন। ফলে জিন্নাহ উপলব্ধি করেন যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকলে মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা হবে না। এছাড়া মুসলমানদের কৃষ্টি-কালচার স্বতন্ত্র, আশা-আকাঙ্ক্ষা স্বতন্ত্র এমনকি তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র , সুতরাং জাতীয়তার যে কোনো মানদন্ড অনুযায়ী মুসলমান পৃথক জাতি। তারে মতবাদটিই দ্বিজাতি তত্ত্ব নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানে আমার পঠিত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনটি নির্দেশ করে। ভারতের সাংবিধানিক বিবর্তনের ইতিহাসে ১৯৩৫ সালের এই আইনটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এটি ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ একটি আইন। এর জটিলতাও সার্বজনবিদিত।এ আইন বলে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন করা হয়। প্রদেশগুলোকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয় এবং কেন্দ্রে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। কেন্দ্রের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রদান করা হয়। এছাড়া এ আইনের মাধ্যমে বার্মাকে পৃথক করা হয় এবং নতুন দুটি প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। উদ্দীপকেও দেখা যায়,একটি আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, যেখানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা এবং কেন্দ্রের দ্বৈত শাসন প্রবর্তনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বলা যায় উদ্দীপকে ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। এ আইনের কেন্দ্রের শাসন প্রধানকে প্রভূত ক্ষমতা প্রদান করা হয়। ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইনের কেন্দ্রের প্রধান শাসককে বলা হয় গর্ভনর জেনারেল। তিনি ছিলেন এই আইন বলে কেন্দ্রীয় সরকারের মূল স্তম্ভ। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসনের কথা বলা হলেও বাস্তবিক পক্ষে তা মোটেও স্বায়ত্তশাসিত ছিল না। বরং প্রাদেশিক বিষয়গুলো সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীয় প্রশাসন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হতো যা ছিল সম্পূর্ণ গর্ভনর জেনারেলের নিয়ন্ত্রণাধীন।এ আইন বলে গর্ভনর জেনারেল নিয়ম তান্ত্রিক প্রধান না হলেও প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন। যুক্তরাষ্ট্রের সামন্ত কর্তৃক আর তার ওপর ন্যস্ত ছিল। শাসন বিভাগের সকল কাজ তার নামে পরিচালিত হতো। কোন ভারতীয় আদালতে তার বিচার করার বিধান ছিল না। বস্তুত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন গর্ভনর জেনারেল কে এক মহা শক্তিধর শাসকের পরিণত করেছিল। গর্ভনর জেনারেল মন্ত্রীদের সাথে পরামর্শ না করে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারতেন। এগুলো ছিল তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার আওতাভুক্ত। প্রতিরক্ষা,পররাষ্ট্র, ধর্ম ও উপজাতীয় এলাকার যাবতীয় শাসনভার গর্ভনর জেনারেলের হাতে সংরক্ষিত ছিল। যা তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত হতো। তিনি তার ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধি মূলক ক্ষমতা দ্বারা কার্য পরিচালনা করতেন। এক্ষেত্রে তিনি তার অধীনস্ত মন্ত্রীদের সাথে পরামর্শ করতেন অথবা নাও করতে পারেন। এছাড়া ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন গর্ভনর জেনারেল কে ব্যাপকভাবে আইন সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রদান করেন। কেননা তিনি কেন্দ্রীয় শাসন পরিষদের সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত ছিলেন। তার অর্থনৈতিক ক্ষমতার ও ছিল অপ্রতিরোধ্য। ত্রিদিব বছর শেষে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক আয় ব্যয়ের হিসাব সংবলিত বাজেট আইন সভায় পেশ করতে পারতেন। তার অনুমতি ছাড়া কোন অর্থবিল আইনসভা উপস্থাপিত হত না। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী গর্ভনর জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রীয় অঙ্গরাজ্য গুলোর মধ্যে আলোচনার উৎসাহ প্রদান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অন্যান্য বিষয়ের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গর্ভনরকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা সংরক্ষণ করতেন। আলোচনা হতে তাই বলা যায় ১৯৩৫ সালের কেন্দ্রীয় প্রধান হিসেবে গর্ভনর জেনারেলকে প্রভূত ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
HSCCivics 2nd PaperChapter 1 : ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয় iii. রাজশাহী হয় এই প্রদেশের রাজধানী নিচের কোনটি সঠিক?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি আইন প্রণীত হয় যার প্রেক্ষিতে খুব দ্রুত অনেকগুলি ঘটনা ঘটে যায়। আইনটি যে নামে পরিচিত— i. ভারত স্বাধীনতা আইন ii. মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা iii. ক্রিমেন্ট এটলি পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ বহলো-মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো-বঙ্গভঙ্গ- i. ১৯০৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়? ii. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাবাংলার প্রাচীন নাম 'বঙ্গ' ছিল কার মতে?“ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"-উক্তিটি কার?ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো হবে-১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন দল সর্বোচ্চ আসন লাভ করে?১৯৩৫ সারের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক ক্ষমতার তালিকায় ছিল—এই আইনের দ্বারা ভারতবর্ষে কতটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে একটি অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।