শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে যে আন্দোলনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে তার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে।

উত্তর: উদ্দীপকে যে আন্দোলনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে সেটি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের দ্রুত সংবিধান রচনার দাবি ওঠে। পূর্ব বাংলার পক্ষ থেকে এ দাবি ছিল আরো জোরালো। পূর্ব বাংলার জনদাবী ছিল নতুন সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন যেন অর্জিত হয়। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি ক্ষমতাশীল মুসলিম লীগ সরকার পূর্ব বাংলাকে উপনিবেশে করতে চাইল।প্রথম অবস্থার নতুন রাষ্ট্রপতি পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হতে থাকে। ১৯৪৬ সালে ঘটক পরিষদ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয় যার দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে কাজ করা ও নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা। কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অনহার গণপরিষদের কাজ অব্যাহত হতে থাকে। ১৯৪৯ সালে যখন সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গণপরিষদ কর্তৃক মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়, তখনো পূর্ব বাংলার প্রতিনিধি থেকে নগণ্য এবং সুদীর্ঘ ১৮ মাস পর যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় তাতে পূর্ব বাংলার জনগণকে বঞ্চিত করা হয়। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে?এ প্রশ্ন দেখা গিয়েছিল ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির শুরুতেই। সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা ও বুদ্ধিজীবীরাও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন। তখনই ড. মোঃ শহীদুল্লাহ সহ বাংলার বুদ্ধিজীবী লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কাসেমের নেতৃত্বে তমুদ্দিন মজলিস গঠিত হয়। এটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রধান সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ যার আহ্বায়ক মনোনীত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া। ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকে শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ২ মার্চ ১৯৪৮ দেশের ছাত্র সমাজ বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদকে নতুন কমিটি আহবানে ১১ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তিতে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি, তদন্ত কমিটি গঠন, শিক্ষার মাধ্যমে বাংলা, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আইন পরিষদে উপস্থাপন প্রগতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরপর গর্ভনর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ২১ ও ২৪ মার্চ ভিন্ন দুটি অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণার দিলে বাংলার সর্বস্তরের জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলার দাবিতে আন্দোলন বেগবান করে। অবশেষে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে যে আন্দোলনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে তার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে।

উদ্দীপক

ব্রিটিশ শাসন অবসানের অব্যাহতি পরে নতুন পাকিস্তান রাষ্ট্রের একাংশের জনগণ শাসকগোষ্ঠীর অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানিক স্বীকৃতির মাধ্যমে জনগণের দাবি পূর্ণতাপায়।

উত্তর

জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

উত্তর

ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির জীবনে একটি অনন্য সাধারণ ঘটনা। মায়ের মুখের ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয় ইতিহাস। ভাষার জন্য এত বড় ত্যাগ বিশ্বের কোন জাতই করেনি।বাংলা ভাষার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে এত লোকের জীবন দেওয়ার ঘটনা আর কোথাও নেই। তাই আমাদের ভাষা দিবস কি জাতিসংঘ ১৯৯৯ সালের ১৭ ই নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বস্তুত ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ২১ ফেব্রুয়ারীর বিশ্বব্যাপির রুপই হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

উত্তর

উদ্দীপকে যে আন্দোলনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে সেটি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের দ্রুত সংবিধান রচনার দাবি ওঠে। পূর্ব বাংলার পক্ষ থেকে এ দাবি ছিল আরো জোরালো। পূর্ব বাংলার জনদাবী ছিল নতুন সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন যেন অর্জিত হয়। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি ক্ষমতাশীল মুসলিম লীগ সরকার পূর্ব বাংলাকে উপনিবেশে করতে চাইল।প্রথম অবস্থার নতুন রাষ্ট্রপতি পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হতে থাকে। ১৯৪৬ সালে ঘটক পরিষদ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয় যার দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে কাজ করা ও নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা। কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অনহার গণপরিষদের কাজ অব্যাহত হতে থাকে। ১৯৪৯ সালে যখন সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গণপরিষদ কর্তৃক মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়, তখনো পূর্ব বাংলার প্রতিনিধি থেকে নগণ্য এবং সুদীর্ঘ ১৮ মাস পর যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় তাতে পূর্ব বাংলার জনগণকে বঞ্চিত করা হয়। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে?এ প্রশ্ন দেখা গিয়েছিল ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির শুরুতেই। সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা ও বুদ্ধিজীবীরাও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন। তখনই ড. মোঃ শহীদুল্লাহ সহ বাংলার বুদ্ধিজীবী লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কাসেমের নেতৃত্বে তমুদ্দিন মজলিস গঠিত হয়। এটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রধান সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ যার আহ্বায়ক মনোনীত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া। ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকে শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ২ মার্চ ১৯৪৮ দেশের ছাত্র সমাজ বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদকে নতুন কমিটি আহবানে ১১ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তিতে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি, তদন্ত কমিটি গঠন, শিক্ষার মাধ্যমে বাংলা, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আইন পরিষদে উপস্থাপন প্রগতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরপর গর্ভনর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ২১ ও ২৪ মার্চ ভিন্ন দুটি অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণার দিলে বাংলার সর্বস্তরের জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলার দাবিতে আন্দোলন বেগবান করে। অবশেষে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করে।

উত্তর

উক্ত আন্দোলন তথা ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ বিকাশে যথেষ্ট অবদান রেখেছে বলে আমি মনে করি। বাঙালি রাজনৈতিক ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার গণতান্ত্রিক আন্দোলন কে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে এ আন্দোলন এক নতুন জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। বাঙালির ঐক্যবদ্ধ এ আন্দোলনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা দান করে। বাঙালি গণচেতনার প্রথম বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এ ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনার বিকাশ ঘটে, বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শেখে। তাদের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে, সৃষ্টি হয় এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে নতুন প্রাণাবেগ সৃষ্টি হয়। উক্ত আন্দোলনে পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথকে প্রশস্ত করে। বাংলা জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটাতে প্রথম সংঘটিত এ গণআন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমেই বাঙালি জাতি স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং নিজের অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়। এর অনুপ্রেরণার ভিত্তিতে পরবর্তীতে বাংলাদেশের অন্যান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়। তাই আমি মনে করি ভাষা আন্দোলন বাংলা জাতীয়তাবাদ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 2 : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (১৯৪৭-১৯৭১)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ-রাষ্ট্রপতি তাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ → পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মনসুর আলী → অর্থমন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান → স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী → প্রধান সেনাপতি

Chittagong · 2017

ক
দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
খ
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
গ
উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

দ্বৈতশাসন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রুনা লায়লা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তিনি একটি রাষ্ট্রের ইতিহাস পাঠ করে জানতে পারেন যে, রাষ্ট্রটির প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল একটি অঞ্চল থেকে প্রায় সবগুলি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Barisal · 2017

ক
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
খ
নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

নির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর থেকেই এর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনগণের প্রিয় নেতা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি সংবলিত এক কর্মসূচি পেশ করেন।

Barisal · 2017

ক
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?দ্বৈতশাসন কাকে বলে?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে তোমার পঠিত কোনো নির্বাচনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করনির্বাচন কমিশন বলতে কী বোঝায়?পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি ছিল 'বাঙালির মুক্তির সনদ'- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো কর্মসূচির সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায়?মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।