শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসসমূহ চিহ্নিত করো।

উত্তর: বাংলাদেশ সরকার কর এবং কর বহির্ভূত বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় করে তাকে রাজস্ব আয় বলে। রাজস্ব আয়ের উৎসগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ক. কর রাজস্ব খ. কর বহির্ভূত আয়। ক. কর রাজস্ব: সরকারি আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কর রাজস্ব। কর রাজস্ব আয়ের উৎসগুলো হলো- ১. মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থায় একটি নির্ধারিত হারে কোনো দ্রব্যের মোট বিক্রয়ের ওপর কর হিসাব করে ঐ দ্রব্যের উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামালের জন্য প্রদত্ত কর বাদ দিয়ে কেবল নিট অর্থ মূল্য সংযোজন কর হিসেবে প্রদান করা হয়। ২. আমদানি শুল্ক: বিদেশ হতে দেশে যেসব দ্রব্য আমদানি হয় সেসব দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আমদানি শুল্ক বলে। ৩. আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যসামগ্রীর ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। বাংলাদেশে সাধারণত চিনি, চা, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম, স্পিরিট, কেরোসিন ইত্যাদি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। ৪. আয় ও মুনাফার ওপর কর: দেশের জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় এবং ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ওপর যে কর ধার্য হয় তা বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রধান আয়ের উৎস। ৫. ভূমি রাজস্ব: ব্যক্তিগত মালিকানায় ভূমি ভোগ দখলের জন্য যে রাজস্ব সরকারকে প্রদান করা হয় তাই হলো ভূমি রাজস্ব। ৬. অন্যান্য কর ও শুল্ক: উপরিউক্ত কর ছাড়াও অন্যান্য কর যেমন- প্রমোদ কর, দান কর, বিদেশ ভ্রমণ কর, বিজ্ঞাপন কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক ইত্যাদি থেকে সরকার প্রচুর অর্থ আয় করে থাকে। খ. কর বহির্ভূত আয়: কর রাজস্ব ছাড়াও কর বহির্ভূত আয় সরকারি আয়ের অন্যতম একটি প্রধান উৎস। কর বহির্ভূত আয়ের উৎসগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো- ১. নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ফি: বিভিন্ন দলিলপত্র তৈরি, মামলা মোকদ্দমার আবেদনপত্র ইত্যাদির জন্য ফি প্রদান করে স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজপত্র ক্রয় করতে হয়। এর ফলে সরকারের প্রচুর আয় হয়। ২. মাদক শুল্ক: মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্যের ওপর কর ধার্য করে বাংলদেশ সরকার আয় করে থাকে। ৩. যানবাহন কর: বাংলাদেশ সরকার মোটর গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের ওপর কর ধার্য করে বেশ কিছু আয় করে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসসমূহ চিহ্নিত করো।

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

উত্তর

অর্থনীতির যে শাখায় সরকারের আয়-ব্যয় ও সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলে।

উত্তর

উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে ধাপে যে মূল্য সংযোজন ঘটে তার ওপর আরোপিত করকে মূল্য সংযোজন কর (মুসক) বলে। যেমন- একজন কৃষক একটি গাছ লাগিয়ে গাছ বিক্রির মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা আয় করেন। এক্ষেত্রে কৃষকের মূল্য সংযোজন ৫,০০০ টাকা। এখন মিল মালিক এ গাছকে চেরাই করে কাঠ বানিয়ে বিক্রয় করে ৭,০০০ টাকা। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্য সংযোজিত হলো ২,০০০ টাকা। সংযোজিত এসব মূল্যের ওপর ট্যাক্স আরোপ করা হলে যে ট্যাক্স বা কর পাওয়া যাবে তাই মূল্য সংযোজন কর। যদি সরকার সংযোজিত মূল্যের ওপর ১০% কর আরোপ করেন তাহলে কৃষক সরকারকে কর দিবেন ৫,০০০ টাকার ১০% অর্থাৎ (৫,০০০×১০১০০)\left(৫,০০০ \times \frac{১ ০}{১ ০ ০}\right) = ৫০০ টাকা। গাছ থেকে কাঠ তৈরি হওয়া ২,০০০ টাকার ওপর ১০% কর আরোপ করলে তাকে প্রদান করতে হবে (২,০০০×১০১০০)\left(২,০০০ \times \frac{১ ০}{১ ০ ০}\right) = ২০০ টাকা। এভাবে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে ধাপে সংযোজিত মূল্যের ওপর ভ্যাট আরোপিত হতে পারে।

উত্তর

বাংলাদেশ সরকার কর এবং কর বহির্ভূত বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় করে তাকে রাজস্ব আয় বলে। রাজস্ব আয়ের উৎসগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ক. কর রাজস্ব খ. কর বহির্ভূত আয়। ক. কর রাজস্ব: সরকারি আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কর রাজস্ব। কর রাজস্ব আয়ের উৎসগুলো হলো- ১. মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থায় একটি নির্ধারিত হারে কোনো দ্রব্যের মোট বিক্রয়ের ওপর কর হিসাব করে ঐ দ্রব্যের উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামালের জন্য প্রদত্ত কর বাদ দিয়ে কেবল নিট অর্থ মূল্য সংযোজন কর হিসেবে প্রদান করা হয়। ২. আমদানি শুল্ক: বিদেশ হতে দেশে যেসব দ্রব্য আমদানি হয় সেসব দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আমদানি শুল্ক বলে। ৩. আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যসামগ্রীর ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। বাংলাদেশে সাধারণত চিনি, চা, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম, স্পিরিট, কেরোসিন ইত্যাদি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। ৪. আয় ও মুনাফার ওপর কর: দেশের জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় এবং ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ওপর যে কর ধার্য হয় তা বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রধান আয়ের উৎস। ৫. ভূমি রাজস্ব: ব্যক্তিগত মালিকানায় ভূমি ভোগ দখলের জন্য যে রাজস্ব সরকারকে প্রদান করা হয় তাই হলো ভূমি রাজস্ব। ৬. অন্যান্য কর ও শুল্ক: উপরিউক্ত কর ছাড়াও অন্যান্য কর যেমন- প্রমোদ কর, দান কর, বিদেশ ভ্রমণ কর, বিজ্ঞাপন কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক ইত্যাদি থেকে সরকার প্রচুর অর্থ আয় করে থাকে। খ. কর বহির্ভূত আয়: কর রাজস্ব ছাড়াও কর বহির্ভূত আয় সরকারি আয়ের অন্যতম একটি প্রধান উৎস। কর বহির্ভূত আয়ের উৎসগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো- ১. নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ফি: বিভিন্ন দলিলপত্র তৈরি, মামলা মোকদ্দমার আবেদনপত্র ইত্যাদির জন্য ফি প্রদান করে স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজপত্র ক্রয় করতে হয়। এর ফলে সরকারের প্রচুর আয় হয়। ২. মাদক শুল্ক: মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্যের ওপর কর ধার্য করে বাংলদেশ সরকার আয় করে থাকে। ৩. যানবাহন কর: বাংলাদেশ সরকার মোটর গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের ওপর কর ধার্য করে বেশ কিছু আয় করে।

উত্তর

প্রথমত, কেইনসীয় ভাবধারায় বিশ্বাসী হয়ে প্রতিটি দেশের সরকার কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। এ লক্ষ্যে জনসাধারণকে স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ, শিক্ষার সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি, অবসর ভাতা, বেকার ভাতা, বয়স্ক ভাতা প্রদান, শ্রমিকদের দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রভৃতি কল্যাণমূলক ও সামাজিক নিরাপত্তামূলক কাজের জন্য সরকার প্রতি বছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। যা সামগ্রিক জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দ্বিতীয়ত, স্বল্পোন্নত দেশসমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের কৃষি, শিল্প, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তনসহ অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। তৃতীয়ত, সাম্প্রতিককালে সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। সে জন্য সরকারকে দক্ষ সেনাবাহিনী গঠন, যুদ্ধের সাজ-সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় করার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে ব্যয়ের পরিমাণও যথেষ্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে। চতুর্থত, শিল্প বিপ্লব ও সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে প্রায় সকল দেশেই শহরাঞ্চলের বিস্তৃতি ঘটছে। মানুষ হচ্ছে শহরমুখী। ফলে শহরাঞ্চলে রাস্তাঘাট নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, চিত্তবিনোদনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি প্রভৃতি সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সরকারি ব্যয় কী?

সরকারি ব্যয় কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কর কত প্রকার ও কী কী?

কর কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তাউদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।সরকারি ব্যয় কী?উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলউদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা কউদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?কর কত প্রকার ও কী কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসসমূহ চিহ্নিত করো। | Prosthuti